বিহারের মতো বাংলাতেও বন্ধ হোক মদ। বৃহস্পতিবার রাজ্য় বিধানসভায় দাঁড়িয়ে এমনই দাবি ভাতারের বিজেপি বিধায়ক সৌমেন কার্ফার। খেলাধুলোর কাঠামো উন্নয়নেও জোর দেন তিনি। লটারি খেলা বন্ধেরও আর্জি জানান বিধায়ক। রাজ্যের কোষাগারের মূল উৎসের মদ একটি। সেক্ষেত্রে বিধায়কের দাবিমতো মদ বিক্রি বন্ধ হবে কিনা, সে বিষয়ে প্রশ্ন উঠছে।
রাজ্যের ক্ষমতা বদলের পর সমাজের স্বাস্থ্য ফেরাতে বিশেষ নজর দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। জানিয়েছিলেন, যত্রতত্র মদের দোকান হতে পারবে না। তার জন্য লাইসেন্স দেওয়ার সময়ই নজর রাখতে হবে। তাঁর সেই মতামতকে প্রাধান্য দিয়ে রাজ্য সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেটে মদের দোকান নিয়ে কড়া অবস্থানের কথা ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। জানান, এখন থেকে কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল ও ধর্মীয় স্থানের ১ কিলোমিটারের মধ্যে মদের দোকানের লাইসেন্স দেওয়া হবে না। কলকাতা পৌরসভার ক্ষেত্রে এই দূরত্ব হবে ন্যূনতম ৫০০ মিটার। নতুন করে মদের দোকান করতে হলে নির্দিষ্ট শর্ত মেনে লাইসেন্স দিতে হবে।
আরও পড়ুন:
যত্রতত্র মদের দোকান নিয়ে নানা জায়গায় স্থানীয় মানুষজনের বিক্ষোভ ছিল। কখনও রাস্তার উপর মদের দোকানগুলিতে সুরাপ্রেমীদের দীর্ঘ লাইনের জেরে চলাচলে অসুবিধা, কখনও দোকানের জন্য স্থানীয় পরিবেশ নষ্টের অভিযোগ উঠেছিল অহরহ। তার মধ্যে কিছু কিছু দোকান লাইসেন্সবিহীন বলেও অভিযোগ ওঠে। কোথাও আবার মন্দির সংলগ্ন এলাকায় সুরার দোকান বিতর্কের পরিবেশ তৈরি হয়। এবার রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদলের পর এসব নিয়ে কঠোর পদক্ষেপের সিদ্ধান্ত নিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সাফ জানিয়েছিলেন, “স্কুল-কলেজ, মন্দিরের এক কিলোমিটারের মধ্যে মদের দোকানের লাইসেন্স দেওয়া যাবে না। এ সরকার অন্যভাবে চলবে।” এবার বিধায়ক সৌমেন কার্ফা মদের দোকান বন্ধের দাবিতে সরব।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
জলবায়ু পরিবর্তনের কুফল রুখতে ব্যর্থ! বিশ্বের ২০ শহরে তালিকায় ঠাঁই কলকাতারও
-
কলকাতার জোড়া শপিং মলে পুলিশ-দমকল, ‘অখাদ্য’র পর অগ্নিসুরক্ষা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখা অভিযান
-
জমি জট নিয়ে শুভেন্দুর দরবারে পূর্ণদাস বাউল, ‘কথায় ওঠবস করব না বলে…’, মমতাকে তোপ ছেলের
-
বঙ্গে নাবালিকা বিয়ে ও মাতৃত্ব: সামাজিক পচন রোধে সরকারের পদক্ষেপ প্রশংসনীয়
-
রাফালের ‘প্রাণ ভোমরা’ খুঁজতে গিয়ে নিজেই ফাঁদে! চিনা জে-১৬এর খুঁটিনাটি এবার ভারতের মুঠোয়?