১১ জ্যৈষ্ঠ  ১৪২৭  সোমবার ২৫ মে ২০২০ 

Advertisement

প্রচারের সময় কম, পুরভোটের দিন পিছোতে কমিশনের দ্বারস্থ বঙ্গ বিজেপি

Published by: Sucheta Chakrabarty |    Posted: February 20, 2020 12:52 pm|    Updated: February 20, 2020 3:26 pm

An Images

ফাইল ফটো

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কলকাতায় পুরভোট নিয়ে তোড়জোড় শুরু রাজ্য শাসকদলের অন্দরে। পিছিয়ে ছিল না রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বও। পুরভোটের প্রস্তুতি নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন তারাও। তবে এপ্রিলে পুরভোটের তারিখ নিয়ে জল্পনা শুরু হতেই যেন ব্যাকফুটে চলে গেল রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা থাকায় প্রচারে ব্যবহার করা যাবে না মাইক। এই কারণে সমস্যা হতে পারে প্রচারে। তাই বৃহস্পতিবার রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হলেন মুকুল রায়-সহ রাজ্য বিজেপির নেতারা।

রাজ্য প্রশাসন চায় এপ্রিলেই হোক পুরভোট। সেই মতো, ১২ এপ্রিল কলকাতা ও হাওড়ায় আর বাকি পুরসভায় দু’সপ্তাহ পর অর্থাৎ ২৬ এপ্রিল হতে পারে ভোটগ্রহণ। আইন অনুযায়ী, রাজ্য সরকার ও রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সহমতের ভিত্তিতে ভোটের দিনক্ষণ ঠিক হয়। তবে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ কয়েকদিন আগে সাংবাদিক বৈঠক করে অন্যান্য দলগুলির সঙ্গে বৈঠক করে রাজ্য সরকারকে নির্বাচনের দিন ঠিক করার আবেদন করেন। কমিশন সূত্রে খবর, রাজ্যের তরফে ভোটের তারিখ জানিয়ে প্রস্তাব এলে তাতে আপত্তি করবে না কমিশন। তবে এই পর্বে বিধাননগর এবং আসানসোল পুরনিগমকে রাখা হচ্ছে না বলেই খবর। কারণ, এই দুই পুরসভার মেয়াদ শেষ হবে পুজোর পর। তাই পুজোর পর ভোটগ্রহণ হবে এই দুই পুর এলাকায়।

[আরও পড়ুন: রাজ্যের পরামর্শে পুরভোট ইভিএমের বদলে ব্যালটে করার ভাবনা কমিশনের]

পুরভোট এপ্রিলে হলে দ্রুত শুরু করতে হবে প্রচার। তবে মাইক ছাড়া প্রচার কি সম্ভব? এই প্রশ্নে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে গেরুয়া নেতৃত্বের কপালে। এদিন কমিশন যান মুকুল রায়, জয়প্রকাশ মজুমদার, শিশির বাজোরিয়া-সহ বিজেপির বেশ কয়েকজন নেতা। মুকুল রায় জানান, ‘৩০ মার্চ পর্যন্ত মাইক ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। ১০ দিনে প্রচার সম্ভব? কমিশন বলুক, তাহলে ছাত্র-ছাত্রীদের সমস্যা সৃষ্টি করে মাইকে প্রচার করব। তখন কী করবে কমিশন?’ বিজেপির এই কারণে গুরুত্ব না দিয়ে তাদের প্রস্তুতির অভাবকেই প্রকৃত কারণ হিসেবে দেখছেন শাসকদলের একাংশ। তাদের মতে, রাজ্য বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব এখন দলের অন্দরের প্রধান সমস্যা। এছাড়াও কলকাতা পুরভোটে প্রচারের কোনও নির্দিষ্ট মুখ নেই পদ্ম শিবিরের কাছে। দিলীপ ঘোষ যতই সেয়ানে সেয়ানে লড়াই করার জন্য প্রস্তুত থাকুন না কেন তাঁর এই কথার ওজন নেই। এমনই মন্তব্য তৃণমূলের। বিজেপির রাজ্য সম্পাদক সায়ন্তন বসু অবশ্য মঙ্গলবার জানিয়েছেন, তাদের পুরভোটের প্রার্থীতালিকা তৈরি আছে। এখন দেখার বিজেপির অভিযোগ শুনে রাজ্য নির্বাচন কমিশন কি পিছিয়ে দেবে পুরভোটের দিন ঘোষণা? নাকি বিজেপির দাবি বাতিল করা হবে।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement