Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১৫ আগস্ট ২০২৬
BJP

সামনে পুরভোট, শুভেন্দু-শমীক-সুকান্ত-দিলীপকে সামনে রেখেই রণকৌশল সাজাচ্ছে বিজেপি

বঙ্গ জয়ের পর আমজনতাকে ধন্যবাদ জানাতে জেলায় জেলায় অভিনন্দন কর্মসূচিও হবে। সেখানেও এই চার নেতাকেই সামনে রাখা হবে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৫, ২০২৬, ১৪:৩৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৫, ২০২৬, ১৪:৩৩

options
link
সামনে পুরভোট, শুভেন্দু-শমীক-সুকান্ত-দিলীপকে সামনে রেখেই রণকৌশল সাজাচ্ছে বিজেপি zoom
সামনে পুরভোট, শুভেন্দু-শমীক-সুকান্ত-দিলীপকে সামনে রেখেই রণকৌশল সাজাচ্ছে বিজেপি
Advertisement

বঙ্গে জয় এসেছে। বিপুল জনসমর্থন পেয়ে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি (BJP) সরকার। এবার জেলায় জেলায় দলকে আরও আমজনতার সঙ্গে মিশে কাজ করতে চাইছে গেরুয়া নেতৃত্ব। আর বঙ্গ বিজেপির চার মূর্তি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার ও রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষকেই সামনে রেখে বাংলায় আরও এগিয়ে যাবে বিজেপি। কারণ, সামনেই ১২১টি পুরসভা ও ৭টি পুরনিগমের নির্বাচন রয়েছে। কাজেই সাংগঠনিকভাবে দলকে আরও সুশৃঙ্খল করতে পার্টিগতভাবেও কর্মসূচি চলবে বঙ্গ জয়ের এই চার নেতার নেতৃত্বে।

শুধু তাই নয়, বঙ্গ জয়ের পর আমজনতাকে ধন্যবাদ জানাতে জেলায় জেলায় অভিনন্দন কর্মসূচিও হবে। এরকমই পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সেখানেও এই চার নেতাকেই সামনে রাখা হবে। পাশাপাশি ফলতায় পুনর্নির্বাচনকে সামনে রেখেও দু’দিন আগে বৈঠক হয়েছে সল্টলেক পার্টি অফিসে। সেখানে শুভেন্দু অধিকারী উপস্থিত ছিলেন। ফলতায় জয়ের ধারা অব্যাহত রাখতে সমস্ত রণকৌশল ঠিক করেছে পদ্মশিবির। বিধায়ক সংখ্যা বাড়ানোর লক্ষ্যে তারা। যদিও শুভেন্দু ভবানীপুর আসনে শপথ নেওয়ায় নন্দীগ্রাম আসনে ফের পুনর্নির্বাচন হতে চলেছে। বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, এই আসনটিতে ফের ফুটবে পদ্ম। প্রসঙ্গত, বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে উত্তর থেকে দক্ষিণ ছুটে বেড়িয়েছেন শুভেন্দু, শমীক, সুকান্তরা। লড়াকু নেতা হিসাবে দলের কর্মীদের বঙ্গে মনোবল বাড়িয়েছেন শুভেন্দু। ভবানীপুর আসনে হারিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো হেভিওয়েটকে। আবার নন্দীগ্রামেও শুভেন্দু জিতেছেন। তাঁকে দলে বলা হয় ‘জায়ান্ট কিলার’। আর শমীক ভট্টাচার্য পুরো পার্টিটাকে সংঘবদ্ধ করেছেন। দলে নতুন-পুরনোদের মিলিয়েছেন। গোটা পার্টিকে মাঠে নামিয়েছেন। আবার বাঙালিয়ানাকে তুলে ধরেছেন বিজেপি পার্টির মধ্যে।

Advertisement

অন্যদিকে, সুকান্ত মজুমদার সংগঠনকে বাড়াতে ঘুরেছেন জেলায় জেলায়। সভা করেছেন। প্রথম দফার ভোট পর্যন্ত নিজের খড়গপুর কেন্দ্রে ব্যস্ত থাকলেও পরে বিভিন্ন প্রার্থীর সমর্থনে প্রচারে নেমেছেন দিলীপ ঘোষও। শুভেন্দু-শর্মীক-সুকান্ত-দিলীপে তাই প্রবল আস্থা দিল্লির নেতাদের। নরেন্দ্র মোদি থেকে শুরু করে অমিত শাহরাও ভরসা করেন এই চার মূর্তিকে। দলের সফলতম সভাপতি বলা হচ্ছে শমীককে। কারণ, তিনি দায়িত্ব পাওয়ার পরই বাংলা দখল করেছে বিজেপি। পার্টির সকলের কাছে গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে শমীকের। সুকান্তও সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য। দিলীপ দলের জনপ্রিয় নেতা। আর শুভেন্দু অধিকারী এখন মুখ্যমন্ত্রী। গোটা রাজ্যের মানুষের কাছে তাঁর জনপ্রিয়তা। তাই আগামীদিনে জেলায় জেলায় সংগঠনকে আরও চাঙ্গা করতে এই চার মূর্তিকে সামনে রেখেই এগোতে চায় দিল্লি।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.