Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
কৈলাস বিজয়বর্গীয়

কৈলাসের চিঁড়ে-মন্তব্য ঘিরে সরগরম নেটদুনিয়া, রেগে আগুন নেটিজেনরা

পালটা এ বিষয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া দেয়নি গেরুয়া শিবির।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৫, ২০২০, ১১:৪০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৫, ২০২০, ১১:৪০

options
link
কৈলাসের চিঁড়ে-মন্তব্য ঘিরে সরগরম নেটদুনিয়া, রেগে আগুন নেটিজেনরা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিজেপি নেতাদের মুখে বিতর্কিত মন্তব্য যেন লেগেই রয়েছে। দিলীপ ঘোষ, সায়ন্তন বসুর পর বিতর্কিত মন্তব্য করে গেরুয়া শিবিরের অস্বস্তি বাড়িয়েছেন কৈলাস বিজয়বর্গীয়। বিজেপি নেতার বাড়ির কাজ করতে আসা শ্রমিকদের চিঁড়ে খাওয়া দেখেই নাকি তাঁর সন্দেহ হয় প্রত্যেকে বাংলাদেশি, তাই তিনি কাজ বন্ধ করে দেন। এই মন্তব্যের জেরে নেটদুনিয়ায় কোণঠাসা কৈলাস বিজয়বর্গীয়। কারও খাদ্যাভ্যাস দেখে কোন দেশের নাগরিক তা বোঝা সম্ভব নয় বলেই দাবি নেটিজেনদের।

সম্প্রতি কৈলাস বিজয়বর্গীয়র বাড়িতে একটি অতিরিক্ত ঘর তৈরির কাজ হচ্ছিল। তখন কিছু শ্রমিক তাঁর বাড়িতে কাজ করছিলেন। তাঁরা নাকি চিঁড়ে খাচ্ছিলেন। শ্রমিকদের চিঁড়ে খেতে দেখেই তাঁদের বাংলাদেশি বলে সন্দেহ জেগেছে কৈলাসের। তিনি জানিয়েছেন, ‘আমার সন্দেহ ওঁরা বাংলাদেশি ছিল। দু’দিন দেখার পর আমি বাড়ির কাজ বন্ধ করে দিই। আমি পুলিশের কাছে এখনও কোনও অভিযোগ দায়ের করিনি। কিন্তু সবাইকে সাবধান থাকার জন্য জানালাম।’

Advertisement

[আরও পড়ুন: সাধারণতন্ত্র দিবসে রেড রোডের নিরাপত্তায় বিশেষ নজর, পথে নামবে ‘ওরা ৬’]

বিজেপি নেতার এই মন্তব্য বিদ্যুতের গতিতে ছড়িয়ে পড়ে। নেটদুনিয়ায় সমালোচনার শিকার হন কৈলাস বিজয়বর্গীয়। এক তরুণী বিজেপি নেতাকে কটাক্ষ করে লিখেছেন, “আমার বাবা রোজ পোহা খান। তার মানে কি তিনি বাংলাদেশী?” একজন পাঞ্জাবি তরুণীর দাবি, তিনি রোজ পোহা খান। চিঁড়ের সঙ্গে বাংলাদেশের কোনও যোগসূত্র নেই।

অনেকেই আবার বলছেন, “খুব সস্তার পুষ্টিকর খাবার চিঁড়ে। তাই শ্রমিকরা চিঁড়ে খেয়েছেন। এখান থেকেই প্রমাণ হয় যে আপনি কাজ করার জন্য খুব সামান্য অর্থ দিয়েছিলেন শ্রমিকদের।”

দিনকয়েক আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছিলেন পোশাক দেখে স্পষ্ট CAA বিরোধী আন্দোলনকারী কারা। ঠিক তারপর কৈলাস বিজয়বর্গীর দাবি, খাবার দেখেই বোঝা যায় শ্রমিক বাংলাদেশি। সেই প্রসঙ্গ উল্লেখ করে নেটিজেনদের একাংশ বলছেন, এবার থেকে চিঁড়েও নাকি দেশবিরোধী বলেই গণ্য হবে।

রাজনৈতিক মহল হোক কিংবা নেটদুনিয়া, বিতর্কিত মন্তব্য নিয়ে যত যাই আলোচনা হোক না কেন মুখে কুলুপ এঁটেছে গেরুয়া শিবির। কেউই এ বিষয়ে কোনও পালটা প্রতিক্রিয়া দেননি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.