বাংলায় বিজেপির হার এখন সময়ের অপেক্ষা। তা বিজেপিও জানে। সোমবার কলকাতায় এক পারিবারিক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সস্ত্রীক কলকাতায় এসে সমাজবাদী পার্টির সুপ্রিম ও সাংসদ অখিলেশ যাদব এমনই মতপ্রকাশ করলেন। এদিন তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী ডিম্পল যাদব। বাংলায় এসআইআর ও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তৎপরতা নিয়ে উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকরা। তাতে অখিলেশ বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর অবস্থানকে সমর্থন করে জানান, বিজেপি নিজেই জানে যে তারা এই রাজ্যে জিততে পারবে না। এখন তাদের একমাত্র কর্তব্য, সম্মানের সঙ্গে হার স্বীকার করা। কিন্তু তা না করে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা পরায়ণ হয়ে তদন্তকারী সংস্থাকে ব্যবহার করছে কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন দল।
সোমবার সস্ত্রীক কলকাতায় পৌঁছন সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব। মঙ্গলবার শহরে একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা তাঁর। সেই উপলক্ষেই এই সফর। যদিও তাঁর আগমন ঘিরে রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল তৈরি হয়েছে – এই সফরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কোনও বৈঠক হয় কি না, তা নিয়েই জল্পনা চলছে। সোমবার কলকাতা বিমানবন্দরে নামার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অখিলেশ যাদব চিরাচরিত ভঙ্গিতেই বিজেপি ও কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানান। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক বিতর্ক টেনে তিনি কটাক্ষ করেন কেন্দ্রীয় শাসকদলকে।
আরও পড়ুন:
অখিলেশের বক্তব্যে উঠে আসে আইপ্যাকের অফিস ও কর্ণধারে প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডি অভিযান প্রসঙ্গ। পেনড্রাইভ বিতর্ক থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার ভূমিকা। তাঁর মন্তব্য, বিজেপি এখনও পেনড্রাইভের ‘পেন’ ভুলতে পারেনি, আর বাংলায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইডিকে পরাস্ত করেছেন – এই বাস্তবতা মেনে নিতে পারছে না গেরুয়া শিবির। এই প্রসঙ্গ টেনেই তিনি বাংলার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে নিজের মত স্পষ্ট করে দেন। অখিলেশ যাদবের দাবি, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির পরাজয় এখন সময়ের অপেক্ষা মাত্র। তাঁর কথায়, ”বিজেপি নিজেই জানে যে তারা এই রাজ্যে জিততে পারবে না। তাই এখন তাদের একমাত্র লক্ষ্য, সম্মানের সঙ্গে হার স্বীকার করা।” অখিলেশের মন্তব্যে স্পষ্ট বাংলার ভোটের অঙ্কে বিজেপির ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি কোনও সংশয় দেখছেন না।
এদিন শুধু বাংলার রাজনীতি নয়, নির্বাচন সংক্রান্ত এসআইআর ইস্যুতেও কেন্দ্র এবং নির্বাচন কমিশনকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন সমাজবাদী পার্টি প্রধান। তাঁর দাবি, পশ্চিমবঙ্গে যা ঘটছে, তার থেকেও গুরুতর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে উত্তরপ্রদেশে। সেখানে আরও বেশি সংখ্যক ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।অখিলেশের বক্তব্য অনুযায়ী, বাংলায় যদি প্রায় এক কোটি নাম বাদ পড়ে থাকে, তবে উত্তরপ্রদেশে সেই সংখ্যা চার কোটির কাছাকাছি।
সর্বশেষ খবর
-
চিকিৎসার গাফিলতিতে রোগী মৃত্যু! হাসপাতালে দেদার ভাঙচুর, আতঙ্কে ছাদে প্রসূতি
-
‘টেকনিক নেই, সাফল্য পাবে না’, বৈভবের ভবিষ্যৎ নিয়ে এখন থেকেই ‘মাথাব্যথা’ বিদেশি তারকার
-
বাজারে তোলাবাজির প্রতিবাদ! সবংয়ের বিজেপিকর্মীকে মারধর দুষ্কৃতীদের, গ্রেপ্তার ১
-
জমি, সম্পত্তি লিখিয়ে বাবাকেই চড়-লাথি! শ্বশুরবাড়িতে রেখে খেতে না দিয়ে নৃশংস ‘অত্যাচার’ মেয়ের
-
‘ভাঁড়ের দল, থার্ড ক্লাস’, ভরা মঞ্চে মোদিকে নিয়ে রসিকতা করায় রাহুলকে তুলোধোনা বিজেপির
নিবেদিত


