Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
BLO Protest

এসআইআর চাপে একের পর এক বিএলওর মৃত্যু! ক্ষতিপূরণের দাবিতে সিইও দপ্তরে তুমুল বিক্ষোভ

মৃতদের পরিবারকে সঙ্গে নিয়েই সোমবার কলকাতার সিইও দপ্তরের সামনে বিক্ষোভ দেখান বিএলও অধিকার রক্ষা কমিটির সদস্যরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১২, ২০২৬, ১৭:৪৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১২, ২০২৬, ১৭:৪৯

options
link
এসআইআর চাপে একের পর এক বিএলওর মৃত্যু! ক্ষতিপূরণের দাবিতে সিইও দপ্তরে তুমুল বিক্ষোভ zoom
ফাইল ছবি।

ফের রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকে দপ্তরের সামনে বিক্ষোভে বিএলওদের একাংশ। এসআইআর (SIR in West Bengal) কাজ চলাকালীন গত কয়েকদিনে একাধিক বিএলও’র মৃত্যুর খবর সামনে এসেছে। মৃতদের পরিবারকে সঙ্গে নিয়েই সোমবার কলকাতার সিইও দপ্তরের সামনে বিক্ষোভ দেখান বিএলও (BLO Protest) অধিকার রক্ষা কমিটির সদস্যরা। এমনকী পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে অফিসে ঢোকার চেষ্টাও বিএলওরা করেন বলে অভিযোগ। যা নিয়ে একেবারে কমিশনের দপ্তরের সামনে একেবারে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়। পুলিশের সঙ্গে রীতিমতো ধ্বস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন বিক্ষোভকারী বিএলওরা।

তাঁদের দাবি, পরিকল্পনা ছাড়াই এসআইআর চলছে। এমনকী গত কয়েকদিনে একাধিক বিএলও’র মৃত্যু ঘটেছে। কিন্তু ক্ষতিপূরণের বিষয়ে এখনও পর্যন্ত নিশ্চুপ নির্বাচন কমিশন। কোনও পদক্ষেপ করা হচ্ছে না। দ্রুত ক্ষতিপূরণের দাবিতেই আজ সোমবার রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের সাক্ষাৎ চেয়ে চিঠি দেয় বিএলও অধিকার রক্ষা কমিটি। অভিযোগ, কোনও সময় দেওয়া হয়নি। এরপরেই বিক্ষোভে ফেটে পড়েন বিএলওদের একাংশ। পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের অফিসে ঢোকার চেষ্টা করেন আন্দোলনকারী বিএলওরা। কিন্তু তাঁদের পুলিশ আটকাতেই একেবারে উত্তপ্ত হয়ে পরিস্থিতি। কর্তব্যরত পুলিশ কর্মীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন বিক্ষোভকারীরা।

Advertisement

বলে রাখা প্রয়োজন, এসআইআর সংক্রান্ত একাধিক ত্রুটির অভিযোগ এনে গত কয়েকদিনে  মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে একাধিক চিঠি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনকী আজ সোমবারও কমিশনকে চিঠি লিখেছেন তিনি। 

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, এসআইআর শুনানিতে ভোটাররা নথি জমা দিলেও কোনও রসিদ বা প্রাপ্তির কোনও পালটা নথি দেওয়া হচ্ছে না। এখানেই শেষ নয়। পরবর্তীতে ভোটারদের এসব নথির কথা অস্বীকার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। সেক্ষেত্রে কমিশনের তরফে পরে বলা হচ্ছে, ভোটারের যথাযথ নথি পাওয়া যায়নি বা কমিশনের হাতে রেকর্ড নেই। ফলে নাম বাদ গিয়েছে। এই পদ্ধতি পুরোপুরি অসাংবিধানিক বলে চিঠিতে লিখেছেন মুখ্যমন্ত্রী। 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.