ডিজিটাল যুগে এক ক্লিকেই এখন ঘরের দোরগোড়ায় পৌঁছে যায় পছন্দের খাবার। প্রযুক্তির সেই পরিচিত ছাঁচকে হাতিয়ার করেই এবার শিশুদের অপুষ্টি মোকাবিলায় অভিনব উদ্যোগ। নাম তার ‘বুক আ মিল’। জনপ্রিয় ফুড ডেলিভারি অ্যাপের আদলে তৈরি এই অলাভজনক প্ল্যাটফর্মটি সমাজের পিছিয়ে পড়া শিশুদের মুখে অন্ন তুলে দিতে এবার বদ্ধপরিকর।

আরও পড়ুন:
উদ্যোগটি অনেকটা চেনা ছকেই চলে। স্মার্টফোন বা কম্পিউটারে ওয়েবসাইট খুললে দেখা যাবে হরেক পদের তালিকা। উত্তর ভারতীয় থালি থেকে দক্ষিণ ভারতীয় পদ— বাদ নেই কিছুই। তবে এখানে নিজের জন্য খাবার নয়, অর্ডার করতে হয় অভাবী শিশুদের জন্য। আপনি যে পদটি বেছে নিয়ে অর্থ প্রদান করবেন, তা সরাসরি চলে যাবে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা বা সহযোগী হেঁশেলের কাছে। সেখানে তৈরি পুষ্টিকর খাবার পৌঁছে যাবে বস্তি, অনাথ আশ্রম কিংবা নিম্নবিত্ত পরিবারের শিশুদের পাতে।

দান করার পদ্ধতিকে সহজ ও আকর্ষণীয় করে তোলাই এই সংস্থার মূল লক্ষ্য। বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় এক হাজারেরও বেশি মানুষের আহারের সংস্থান করছে এই প্ল্যাটফর্ম। বেশ কিছু স্কুলের মধ্যাহ্নভোজের দায়িত্বও নিয়েছে তারা। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, শহরের প্রান্তিক এলাকায় শিশুদের অপুষ্টি দূর করতে এই ডিজিটাল মাধ্যম বড় ভূমিকা নিতে পারে। প্রযুক্তি আর সামাজিক দায়বদ্ধতার মেলবন্ধনে এই প্রকল্প এক নতুন দিশা দেখাল। বর্তমানে এর কাজের পরিধি ক্রমে বাড়ছে। শিশুদের জন্য নিশ্চিত হচ্ছে নিরাপদ পুষ্টির জোগান।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
বিমান বদলে তুরস্ক থেকে গোপনে পলায়ন! ‘নিজের নিরাপত্তার কথা ভাবুন’, ট্রাম্পকে খোঁচা ইরানের
-
যন্ত্রে জব্দ মানুষ! ‘সামান্য’ ভুলে কর্মীকে ছাঁটাই করল এআই বস, কী ‘অপরাধে’ গেল চাকরি?
-
অসুস্থ হয়ে কোর্টেই বমি! তীব্র গরমে কাহিল হয়ে প্রতিযোগিতা থেকে বিদায় জোকোভিচের
-
এবার বাংলা ভাষাতেও সম্প্রচার হবে ডুরান্ডের ম্যাচ, বড় ঘোষণা ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁর
-
সুমিতের সঙ্গে মুখোমুখি জেরায় চরম অসঙ্গতি! সুজয়ের মেদিনীপুরে বাড়িতে তল্লাশি সিআইডির