অরিজিৎ গুপ্ত, হাওড়া: ফের দুর্ঘটনা হাওড়ার ডুমুরজলা স্টেডিয়ামে। বল কুড়োতে গিয়ে আবারও ঝিলের জলে ডুবে মারা গেল এক বালক। কোনওমতে বেঁচে গিয়েছে আর একজন। স্টেডিয়াম কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
[পুলিশের পোশাকে যজ্ঞ! সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল ছবি ঘিরে বিতর্ক]
হাওড়া শহরে খেলার মাঠ বলতে ডুমুরজলা স্টেডিয়াম। ভোরে এই মাঠে প্রাতঃভ্রমণও করেন অনেকেই। স্টেডিয়াম দেখভালের দায়িত্বে হাওড়া পুরসভা। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, জলাভূমি ভরাট করে স্টেডিয়াম তৈরি করেছে পুরসভা। ডুমুরজলা স্টেডিয়ামের আশেপাশে এখনও রয়েছে বেশ কয়েকটি পুকুর। পুকুরগুলি সংস্কার করে ঝিল তৈরির কাজ চলছে। মাঠে খেলার সময়ে হামেশাই ঝিলে বল পড়ে যায়। আর সেই বল কুড়োতে গিয়েই দুর্ঘটনার কবলে পড়ে শিশুরা। রবিবার সকালে হাওড়ার ডুমুরজলা স্টেডিয়ামে খেলছিল আরিয়ান বর্মা ও বিশাল দাস নামে দু’জন বালক। তাদের বাড়ি হাওড়ার শিবপুরে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, খেলতে খেলতে বল পড়ে যায় স্টেডিয়াম লাগোয়া ঝিলে। বল কুড়োতে গিয়ে ঝিলে পড়ে যায় আরিয়ান ও বিশাল। তড়িঘড়ি দু’জনকেই উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। হাসপাতালে আরিয়ানকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। এই ঘটনায় ডুমুরজলা স্টেডিয়াম কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ, পর্যাপ্ত সংখ্যায় নিরাপত্তারক্ষী ও নজরদারির অভাবে বেঘোরে মরতে হল ওই বালককে। বিষয়টি পুর কর্তৃপক্ষের নজরে আনার আশ্বাস দিয়েছেন এলাকার বিদায়ী কাউন্সিলর। গত বছরও বল কুড়োতে দিয়ে স্টেডিয়াম লাগোয়া অন্য একটি ঝিলে ডুবে মারা গিয়েছিল এক কিশোর।
হাওড়া পুরসভার মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে। কিন্তু, এখনও নির্বাচন হয়নি। পুরসভায় প্রশাসক বসিয়েছে সরকার। দিন কয়েক আগে নির্বাচনের দাবিতে হাওড়া পুরসভার সামনে বিক্ষোভও দেখায় বিজেপি।
[ মহিষবাথানের একটি ক্লাবে দুষ্কৃতী হামলা, চলল গুলি]
সর্বশেষ খবর
-
১২ রাজ্যের SIR খসড়া তালিকা প্রকাশ কমিশনের, উধাও আরও সাড়ে ১১ শতাংশ ‘ভোটার’
-
মুক্তিযুদ্ধ ২.০! বাঙালি নয়, এবার পাকিস্তানের মানচিত্র পালটে দেবে বালোচরা
-
খরচ বাঁচাতে পুরনো জিনিসপত্র ঘরে তুলছেন? বাস্তুশাস্ত্র মেনে সতর্ক না হলেই ঘনাবে বিপদ!
-
‘তোলাবাজি করলে ডিমভাজি ফ্রি’, বিজেপিতে ‘তৃণমূলীকরণে’র বিরুদ্ধে পোস্টার দলীয় কর্মীর
-
পাচারের বড় ছক বানচাল, দমদম বিমানবন্দরেই উদ্ধার কোটি টাকার দুর্লভ ‘সাপের মাথা’!