Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Bratya Basu

মুখ্যমন্ত্রীকে অপমান করতে চাইছেন রাজ্যপাল! ক্ষোভে ফুঁসে উঠলেন ব্রাত্য

কী বলছেন ব্রাত্য বসু?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৬, ২০২৪, ১৯:৫৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৬, ২০২৪, ১৯:৫৭

options
link
মুখ্যমন্ত্রীকে অপমান করতে চাইছেন রাজ্যপাল! ক্ষোভে ফুঁসে উঠলেন ব্রাত্য zoom
Advertisement

দিপালী সেন: শুধু উচ্চশিক্ষা দপ্তর নয়। রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তরকেও স্বীকৃতি দিতে চাইছেন না বলেই এবার ক্ষোভ উগড়ে দিলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। তাঁর মতে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অপমান করতে চাইছেন রাজ্যপাল।

উচ্চশিক্ষা দপ্তরের তরফে রাজভবনে পাঠানো একটি চিঠির প্রেক্ষিতে গত শনিবার রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস জানিয়েছিলেন, তিনি দপ্তরের চিঠির উত্তর দেন না। সরকার চিঠি পাঠালে উত্তর দেবেন। তাহলে কি রাজ্যপাল উচ্চশিক্ষা দপ্তরকে স্বীকৃতি দিচ্ছেন না? মঙ্গলবার সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজের সমাবর্তনে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “উচ্চশিক্ষা দপ্তর কেন? মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তরকেই স্বীকৃতি দিতে চাইছেন না। মুখ্যমন্ত্রী আলোচনা করতে চাইলেও, সুপ্রিম কোর্ট বললেও রাজ্যপাল গ্রাহ্য করছেন না। গোটা সরকারকেই নস্যাৎ করতে চাইছেন এবং মুখ্যমন্ত্রীকে অপমান করতে চাইছেন। এটা ঠিক নয়।” বক্তব্যে তাঁর আরও সংযোজন, “উনি তো সরকার ও সরকারি দপ্তরের মধ্যে পার্থক্য তৈরি করেছেন। অনু ও পরমাণুর পার্থক্য তৈরি করতে চেয়েছেন। এই পার্থক্যগুলো কী, আমি জানি না।”

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: ভারতে ক্ষুব্ধ মুইজ্জুর মালদ্বীপ, জয়শংকর বলছেন, ‘কোনও গ্যারান্টি নেই’, কীসের ইঙ্গিত?]

রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে কেন্দ্র করে রাজ্য-রাজ্যপাল দ্বন্দ্ব অব্যাহত। যার জেরে বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে তৈরি হয়েছে অচলাবস্থা। এই পরিস্থিতির জন্য নাম না করে রাজ্যপালকেই দায়ী করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। তিনি বলেন, “অচলাবস্থা কেন সৃষ্টি হয়েছে, কিভাবে সৃষ্টি হয়েছে, সবাই জানে। কে করছে, কাদের কথায় করছে, কেনই বা করছে, এগুলো এখন জলের মতো পরিষ্কার। মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। তাড়াতাড়ি এর একটা ফয়সালা চাইছি। কারণ, সত্যিই এটা চলতে পারে না। একটা একক মানসিকতা, এককভাবে কুক্ষিগত করে, বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে ধ্বংসের পথে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। আমাদের রাজ্যে উচ্চশিক্ষার মান অনেক উঁচুতে, তাই এটা একেবারেই কাম্য নয়।”

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্বর্তী উপাচার্য পদ থেকে বুদ্ধদেব সাউকে অপসারণ করেছেন রাজ্যপাল-আচার্য। আর বুদ্ধদেব সাউকেই উপাচার্য পদে থাকার স্বীকৃতি দিয়েছে উচ্চশিক্ষা দপ্তর। দুইয়ের টানাপোড়েনে বিশ্ববিদ্যালয়ের তৈরি হয়েছে অচলাবস্থা। বুদ্ধদেব সাউ উপাচার্য পদ না ছাড়লেও, উপাচার্যের দপ্তরে আসছেন না। পালন করছেন না উপাচার্যের কোনও দায়িত্বও। এর প্রেক্ষিতে এদিন শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “আমি যাদবপুরের উপাচার্যকে বলব, সরকারি নির্দেশিকা এবং সুপ্রিম কোর্টের যে গাইডলাইন আছে সেটা মেনে চলতে।” বিশ্ববিদ্যালয়ে চলা অচলাবস্থার অবসান এবং স্থায়ী উপাচার্য নিয়োগের দাবিতে ক্যাম্পাসে ত্রিগুণা সেনের মূর্তির নিচে এদিন অবস্থান করল যাদবপুরের অধ্যাপক সংগঠন জুটা। কালো ব্যাজ পড়ে একঘণ্টার এই অবস্থানে অংশগ্রহণ করেছিলেন ২৫০-র বেশি শিক্ষক। এই অবস্থান তাঁদের বৃহত্তর আন্দোলনের ভূমিকা বলে জানিয়েছেন জুটার সাধারণ সম্পাদক পার্থপ্রতিম রায়।

[আরও পড়ুন: খাস কলকাতার রাস্তায় মদ্যপের তাণ্ডব, ভ্যানচালককে ধাক্কার পর গাড়ির উপর নাচ যুবকের!]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.