Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৮ জুন ২০২৬
Debanjan Deb

বাড়তি নিরাপত্তায় ‘না’, মিমিকে ভুয়ো কোভিড ভ্যাকসিন দেওয়া দেবাঞ্জনের আর্জি খারিজ হাই কোর্টে

এই মুহূর্তে দেবাঞ্জন দেবের প্রাণনাশের কোনও সংশয় নেই বলেই পর্যবেক্ষণ হাই কোর্টের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৩, ২০২৩, ১৮:২৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৩, ২০২৩, ১৮:২৮

options
link
বাড়তি নিরাপত্তায় ‘না’, মিমিকে ভুয়ো কোভিড ভ্যাকসিন দেওয়া দেবাঞ্জনের আর্জি খারিজ হাই কোর্টে zoom

গোবিন্দ রায়: হাই কোর্টে ধাক্কা যাদবপুরের তারকা তৃণমূল সাংসদ মিমিকে ভুয়ো কোভিড ভ্যাকসিন দেওয়া দেবাঞ্জন দেবের। খারিজ তাঁর বাড়তি নিরাপত্তার আর্জি। এই মুহূর্তে তাঁর প্রাণনাশের কোনও সংশয় নেই বলেই পর্যবেক্ষণ হাই কোর্টের।

প্রাণনাশের আশঙ্কায় কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা এবং মামলা সিবিআইকে হস্তান্তরের দাবি জানিয়ে বৃহস্পতিবার হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন দেবাঞ্জন দেব। মামলা দায়ের করার অনুমতি দেন বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত। রাজ্যের তরফে দাবি করা হয়, জামিন পাওয়ার পর থেকে নানা ভিত্তিহীন অভিযোগ করছেন দেবাঞ্জন। এর পরই বিচারপতি দেবাঞ্জনের আইনজীবীর উদ্দেশে প্রশ্ন করেন, “একজন অভিযুক্ত কীভাবে তদন্তকারী সংস্থার বদল চাইতে পারেন?”

Advertisement

[আরও পড়ুন: ঐশ্বর্যর সঙ্গে তুমুল অশান্তি, ভাঙছে সংসার! জল্পনার মাঝেই অভিষেকের নতুন পোস্ট]

তিনি আরও বলেন, “দেবাঞ্জন দেব নিশ্চয়ই প্রভাবশালী। এবং সে কারণেই তিনি ভ্যাকসিন দেওয়ার ক্যাম্প বা অন্য কর্মসূচি করতে পারতেন। কিন্তু তার মানে এই নয় যে যাদের নামে অভিযোগ করছেন তাদের প্রত্যক্ষ মদতে তিনি এসব কাজ করছেন। এখনও পর্যন্ত দেবাঞ্জন দেব যাদের নামে অভিযোগ করছেন তাদের বিরুদ্ধে এই অপরাধে যুক্ত থাকার কোনও চূড়ান্ত তথ্যপ্রমাণ পাওয়া যায়নি।” মামলাকারীর প্রাণহানির আশঙ্কাও উড়িয়ে দেয় আদালত। বিচারপতি সাফ জানান, এই মুহূর্তে দেবাঞ্জন দেবের কোনও জীবন সংশয় নেই। তাই বাড়তি নিরাপত্তার নির্দেশ আদালত দেবে না। নিরাপত্তা লাগলে তিনি কেন্দ্র এবং রাজ্যের কাছে আবেদন জানাতে পারেন বলেও জানান বিচারপতি। আগামী ১৯ জানুয়ারি দুপুর ৩টেয় মামলার পরবর্তী শুনানি।

উল্লেখ্য, গত ২০২১ সালের জুন মাসে ভুয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ডের পর্দাফাঁস হয়। যাদবপুরের তৃণমূল সাংসদ মিমি চক্রবর্তী কসবার ওই ক্যাম্প থেকে ভ্যাকসিন নেন। তবে তাঁর মোবাইল নম্বরে কোনও মেসেজ না আসায় দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। গোটা বিষয়টি জানান কলকাতা পুরসভায়। আর তাতেই দেবাঞ্জন দেবের কীর্তি সকলের সামনে আসে। জানা যায় করোনার ভ্যাকসিন দেওয়ার নামে শতাধিক মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে সে। এই ঘটনায় গ্রেপ্তার হয় দেবাঞ্জন দেব। প্রায় আড়াই বছর পর কলকাতা হাই কোর্ট থেকে জামিন পান তিনি।

[আরও পড়ুন: ‘ভাগ্যিস রবীন্দ্রনাথ জীবিত নেই, তাঁকেও অভিযুক্ত করতেন’, বিদ্যুৎ মামলায় ‘ক্ষুব্ধ’ হাই কোর্ট]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.