গোবিন্দ রায়: স্বামীর বিরুদ্ধে স্ত্রীকে জোর করে যৌন ব্যবসা ও পর্নোগ্রাফির কারবারে নামানোর অভিযোগ। সেই মামলায় কলকাতা হাই কোর্টে কেস ডায়েরি পেশ করল সাঁকরাইল থানার পুলিশ। তদন্তের পদ্ধতি নিয়ে উষ্মাপ্রকাশ করলেন বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ।
বিচারপতির প্রশ্ন, কেন একমাসের বেশি সময় ধরে অভিযুক্ত স্বামীর মোবাইলের মুছে ফেলা তথ্য উদ্ধার করতে সিআইডির সাইবার ক্রাইম দপ্তরে পাঠানো হয়নি? পুলিশের সদুত্তর না পেয়ে বিচারপতি তদন্তকারী আধিকারিককে বাজেয়াপ্ত মোবাইল সিআইডির সাইবার দপ্তরে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন। বিশেষজ্ঞ দ্বারা মুছে ফেলা ছবি ও ভিডিও পুনরুদ্ধার করে সেই সংক্রান্ত রিপোর্ট তলব করেন বিচারপতি।
সোমবার রাজ্যের আইনজীবী জানান, পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে মহিলার করা অভিযোগের কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। মহিলার আইনজীবী সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায় পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ করেন। আইনজীবী বলেন, “থানায় অভিযোগ করার একমাস পর নড়েচড়ে বসে পুলিশ। অভিযুক্তের মোবাইল বাজেয়াপ্ত করে।” এটা শুনে বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের পর্যবেক্ষণ, তথ্য ছিল সব মুছে ফেলার সুযোগ পেয়েছেন অভিযুক্ত স্বামী। অক্টোবর থেকে এখন অবধি তথ্য উদ্ধারে পুলিশের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ করেন বিচারপতি।
উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ আগামী শুনানির দিন তদন্তের অগ্রগতির রিপোর্ট তলব করেন। ১১ ডিসেম্বর পরর্বতী শুনানির দিন।
সর্বশেষ খবর
-
‘বাবা-মায়ের খেয়াল রাখিস দিদি’, রাখি বন্ধনের পরই সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট, ‘আত্মঘাতী’ কিশোর
-
সত্যিই খুনের নেপথ্যে রবীন্দ্রনাথ! ধনেখালিতে একই পরিবার তিনজনের মৃত্যু রহস্য ফাঁস! কী বলছে পুলিশ
-
এবার সরকারি লজেই কম খরচে থাকা-খাওয়া-সুরক্ষা! তারাপীঠ অগ্নিকাণ্ডের পর বড় সিদ্ধান্ত মুখ্যমন্ত্রীর
-
বন্যা বিধ্বস্ত নেপালের জন্য কনসার্টের উদ্যোগ, কী ভাবনা ‘টক্সিক’ গায়ক বিশালের?
-
অপুষ্টিতেই মালদহ মেডিক্যালে ৮৯টি শিশুর মৃত্যু! হাসপাতাল ঘুরল বিশেষজ্ঞ দল