Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২৯ জুন ২০২৬

পাহাড়ে আরও ৪ কোম্পানি আধাসেনা পাঠানোর নির্দেশ হাই কোর্টের

৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পাঠাতে হবে বাহিনী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৪, ২০১৭, ০৮:৫১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৪, ২০১৭, ০৮:৫১

options
link
পাহাড়ে আরও ৪ কোম্পানি আধাসেনা পাঠানোর নির্দেশ হাই কোর্টের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পাহাড়ের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আরও ৪ কোম্পানি সিআরপিএফ পাঠানোর জন্য কেন্দ্রকে নির্দেশ দিল কলকাতা হাই কোর্ট। হাই কোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচার নিশীথা মাত্রের ডিভিশন বলেছে, কেন্দ্র-রাজ্য যদি পাহাড়ে শান্তি ফেরাতে ব্যর্থ হয়, তাহলে হাই কোর্ট উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবে।

[পাহাড়ে টানা বনধে কেন্দ্র-রাজ্যের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ কলকাতা হাই কোর্ট]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

গত একমাস ধরে পৃথক গোর্খাল্যান্ডের দাবিতে আন্দোলনের জেরে অশান্ত পাহাড়। লাগাতার বনধে বিপর্যস্ত জনজীবন। গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার তাণ্ডবে পুড়ছে একে পর এক সরকারি ভবন। সাধারণ মানুষের রুটি-রুজিতে টান পড়ছে। দেখা দিয়েছে খাদ্য সংকট। কিন্তু, এই পরিস্থিতিতেও পাহাড়ে আধা সামরিক বাহিনী পাঠানো নিয়ে কেন্দ্রের সঙ্গে রাজ্যের সংঘাত চরমে ওঠেছে। রাজ্যের অভিযোগ, বাহিনী পাঠানো নিয়ে কেন্দ্র সহযোগিতা করছে না। আর কেন্দ্রের দাবি, কেন্দ্র-রাজ্য একসঙ্গে পাহাড়ের পরিস্থিতি সামলানো যাবে। এই প্রেক্ষাপটে পাহাড়ের পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে কেন্দ্র-রাজ্যকে উদ্যোগ নিতে বলেছে কলকাতা হাই কোর্ট। হাই কোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি নিশীথা মাত্রের ডিভিশন বেঞ্চ বলেছে, কেন্দ্র-রাজ্য যদি পাহাড়ের স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফেরাতে ব্যর্থ হয়, তাহলে আদালত উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। পাশাপাশি, উত্তরপ্রদেশে বিধানসভা ভোটের সময়ে রাজ্য থেকে আধা সামরিক বাহিনী তুলে নেওয়া হয়েছিল, তাহলে প্রয়োজনে রাজ্যকে কেন আধা সামরিক বাহিনী দেওয়া হবে না, সে প্রশ্নও তুলেছে কলকাতা হাই কোর্ট।

[নারদ কাণ্ডে এবার মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবকে নোটিস সিবিআইয়ের]

এদিকে বৃহস্পতিবার রাতে ফের নতুন করে আগুন জ্বলল পাহাড়ে। এদিন পাহাড়ে একটি সরকারি গ্রন্থাগার-সহ চারটি জায়গায় আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। অগ্নিসংযোগ করা হয় আরপিএফ দপ্তর, জিটিএ লজ ও পুলিশের একটি  চেকপোষ্ট। সবকটি ঘটনায় অভিযুক্ত গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা। অগ্নি সংযোগের ঘটনায় কেউ হতাহত না হলেও, সরকারি গ্রন্থাগারের বহু বই পুড়ে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

[ক্যামাক স্ট্রিটের রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে ভয়াবহ আগুন]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.