হরিহরপাড়ায় নাবালিকাকে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনার তদন্তে সিট গঠনের নির্দেশ কলকাতা হাই কোর্টের। বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের নির্দেশে আইপিএস অফিসার প্রণব কুমারের নেতৃত্বে পাঁচজন আধিকারিককে নিয়ে বিশেষ তদন্ত দল গঠন করা হয়েছে। বিশেষ তদন্তকারী দল রিপোর্ট আদালতে জমা দিতে হবে।
হরিহরপাড়ায় চোদ্দ বছরের নাবালিকা আচমকা নিখোঁজ হয়ে যায়। পরিবারের তরফে অভিযোগ দায়ের করা হয়। পরদিন বাড়ির অদূরে দেহ উদ্ধার হয়। পরিবারের দাবি, দেহ উদ্ধারের সময় একাধিক জায়গায় ক্ষত তৈরি হয়। যৌনাঙ্গে রড ঢুকিয়ে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ। মৃতের চোখ উপড়ে দেওয়া হয় বলেও জানান পরিবারের লোকজন। প্রথমবার ময়নাতদন্ত রিপোর্টে নৃশংসতার কথা উল্লেখ করা হয়নি বলেও অভিযোগ। পরিবারের দাবি, পুলিশ নাবালিকা ধর্ষণ-খুন মামলায় পকসোর ধারা যুক্ত করেনি। পুলিশের জমা দেওয়া চার্জশিটেও বিস্তর ত্রুটি রয়েছে বলে অভিযোগ।
আরও পড়ুন:
পুলিশি তদন্তে আস্থা হারিয়ে বহরমপুর বিশেষ আদালতে আবেদন করে। সিবিআই বা সিআইডি তদন্তের দাবি করা হয়। তবে আদালত সে দাবি খারিজ করে দেয়। এরপর হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয় নাবালিকার পরিবার। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্ত হয়। সেই রিপোর্টে একাধিক ত্রুটি ধরা পড়ে। দীর্ঘ শুনানির পর বিচারপতি আদালতের সিট গঠন করে তদন্তের নির্দেশ দেয়। হাই কোর্টের তরফে জানানো হয়, তদন্তে কোনও রাজনৈতিক প্রভাব যেন না পড়ে। তাতে সাধারণ মানুষের বিচারব্যবস্থার উপর থেকে আস্থা হারিয়ে যেতে পারে। হাই কোর্টের নির্দেশে আশার আলো দেখছেন নির্যাতিতার পরিবারের লোকজন।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
‘মাওবাদী মুক্ত’ ছত্তিশগড়ে পুরভোটে এগিয়ে বিজেপি, সমান টক্কর দিয়ে প্রত্যাবর্তনের ইঙ্গিত কংগ্রেসেরও
-
মাদ্রাসার আড়ালে বেআইনি কার্যকলাপ নয় তো? খুঁটিনাটি জানতে চেয়ে জেলাশাসকদের ‘ডেডলাইন’ নবান্নের
-
স্বপ্নের উড়ানে ‘আরোহণ ২০২৬’, মেধাকে স্বীকৃতি জানাল ডিসান হসপিটাল
-
সরকারি বালতিও চুরি! শ্রীরামপুরে গ্রেপ্তার ২ তৃণমূল নেতা
-
কাঁচামালের তীব্র সংকট! নৈহাটির জুটমিলে ‘সাসপেনশন অফ ওয়ার্ক’, বিপাকে হাজার শ্রমিক