সদ্যই রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী কমিশনার বা সিইও থেকে মুখ্যসচিব হয়েছেন মনোজ আগরওয়াল (Manoj Agarwal)। তবে সোমবার এই পদে দায়িত্ব গ্রহণের আগেই তাঁকে দেখা গিয়েছিল মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠকে। সোমবার নবান্নে নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সমস্ত দপ্তরের সচিবদের নিয়ে প্রশাসনিক বৈঠক করেন। সেখানে বাকিদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মনোজ আগরওয়াল। তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে নতুন করে বিজেপি-নির্বাচন কমিশন আঁতাঁতের অভিযোগে সরব হয় তৃণমূল। দলের বর্ষীয়ান সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এনিয়ে সোশাল মিডিয়ায় সরব হন। মঙ্গলবার তার উত্তর দিলেন মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল। জানালেন, আইন মেনেই তিনি মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠকে যোগ দিয়েছেন।
তাঁর কথায়, “সোমবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রথম বৈঠক ছিল সমস্ত সচিবকে নিয়ে। সিইও এখনও রাজ্যের নির্বাচন দপ্তরের সচিব। দ্বিতীয়ত, তাছাড়া আমি পশ্চিমবঙ্গ ক্যাডারের এই মুহূর্তে সবচেয়ে সিনিয়র অফিসার। তৃতীয়ত, আমি আইএএস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি। গতকাল মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের সিনিয়র সচিবদের সঙ্গে বৈঠক করেন। রাজ্যের নির্বাচন দপ্তরের সচিব হিসেবে আমি সেই বৈঠকে ছিলাম। এটা আইনেই আছে।”
আরও পড়ুন:
মুখ্যসচিব হওয়ার পর মঙ্গলবার নিজের দায়িত্ব বুঝে নিয়েছেন মনোজ আগরওয়াল (Manoj Agarwal)। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কর্তব্য সম্পর্কে কথা বলার সময় তাঁকে এই প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়। কেন তিনি সোমবার মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠকে হাজির ছিলেন? এর বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেন মনোজ আগরওয়াল। তাঁর কথায়, “সোমবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রথম বৈঠক ছিল সমস্ত সচিবকে নিয়ে। সিইও এখনও রাজ্যের নির্বাচন দপ্তরের সচিব। দ্বিতীয়ত, তাছাড়া আমি পশ্চিমবঙ্গ ক্যাডারের এই মুহূর্তে সবচেয়ে সিনিয়র অফিসার। তৃতীয়ত, আমি আইএএস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি। গতকাল মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের সিনিয়র সচিবদের সঙ্গে বৈঠক করেন। রাজ্যের নির্বাচন দপ্তরের সচিব হিসেবে আমি সেই বৈঠকে ছিলাম। এটা আইনেই আছে।”
সেইসঙ্গে মনোজ আগরওয়ালের আরও ব্যাখ্যা, “জেলাশাসকদের সঙ্গে সোমবার আরেকটি বৈঠক করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই বৈঠকের আগে আগে মুখ্যসচিব হিসেবে আমার ফাইল সই করা হয়ে গিয়েছিল। তারপর আমি বৈঠকে গিয়েছিলাম। না হলে যেতাম না। কারণ, জেলাশাসকদের সঙ্গে বৈঠকে সিইও হিসেবে আমার কোনও ভূমিকা নেই। তবে মুখ্যসচিব পদে আমার নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হতে সন্ধ্যা হয়ে গিয়েছে। কিন্তু আনুষ্ঠানিকভাবে তার আগেই আমাকে মুখ্যসচিব হিসেবে নিয়োগ করা হয়ে গিয়েছিল।” আইনি ব্যাখ্যাতেই তিনি বুঝিয়ে দিলেন, তৃণমূলের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
হিন্দুদের বঞ্চিত করে মুসলমানদের সংরক্ষণ! বাম-তৃণমূলের ‘ভুল শোধরাতে’ জোড়া ওবিসি বিল বিধানসভায়
-
আর্থিক বেনিয়ম-সংগঠনের চাপ! সকাল থেকে বন্ধ ২৩৯ রুটের বাস, নাকাল যাত্রীরা
-
দুঃস্বপ্নের দুবাই! জন্মদিন উদযাপন করতে গিয়ে গুরুতর অসুস্থ, হাসপাতালে জ্যাসমিন
-
সরকারি নির্দেশ অমান্য করে টিউশনে ‘চাপ’ শিক্ষকের, কলকাতার স্কুলে অভিভাবক বিক্ষোভে ধুন্ধুমার
-
‘নকআউট পর্যায়ে শুরু হবে আসল লড়াই’, প্রত্যাবর্তনের বার্তা দিলেন রোনাল্ডো