Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Class 12 students commits suicide in Kolkata

ইন্টারনেটে পড়ে মাথায় গুলি চালিয়ে আত্মঘাতী দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র, অস্ত্র সংগ্রহ ঘিরে রহস্য

পুলিশের অনুমান, শেয়ার মার্কেটে লগ্নি করতে গিয়ে ঋণের পরিমাণ বেড়ে যাওয়ায় আত্মঘাতী ছাত্র।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২২, ২০২২, ২১:১৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২২, ২০২২, ২১:১৩

options
link
ইন্টারনেটে পড়ে মাথায় গুলি চালিয়ে আত্মঘাতী দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র, অস্ত্র সংগ্রহ ঘিরে রহস্য zoom

অর্ণব আইচ: কীভাবে আত্মঘাতী হতে হয়? ইন্টারনেট সার্চ করে সব থেকে কম যন্ত্রণাদায়ক পদ্ধতিটি জেনেছিল দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রটি। এরপরই ‘মুঙ্গেরি পিস্তল’ ও বুলেট জোগাড় করেই আত্মঘাতী হয় সে। দু’দিন আগে তারাতলার বেসব্রিজের উপর পিস্তলের গুলিতে তরুণের আত্মহত্যার ঘটনায় উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। সেভেন এমএম পিস্তল ও বুলেট তার দেহের কাছ থেকেই উদ্ধার হয়েছে। কীভাবে ওই ছাত্র পিস্তল ও বুলেট সংগ্রহ করল, তা নিয়েই সৃষ্টি হয়েছে রহস্য। প্রাথমিকভাবে পুলিশ জেনেছে, শেয়ার মার্কেটে লগ্নি করতে গিয়ে ঋণের পরিমাণ বৃদ্ধির ফলে মানসিক চাপে পড়ে যায় ওই ছাত্র।

পুলিশ জানিয়েছে, প্রথমে অজ্ঞাতপরিচয় হলেও শুক্রবার তার দেহটি শনাক্ত করে পরিবার। তার নাম মহম্মদ তারিক শামিম। ওয়াটগঞ্জ এলাকার কার্ল মার্কস সরণির বাসিন্দা সে। তার বাবা পরিবহণ ব্যবসায়ী। বেশ কয়েকটি বাসের মালিক তিনি। তাঁর ছেলে তারিক খিদিরপুর অঞ্চলের একটি নামী ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের ছাত্র ছিল। পরিবারের লোকেরা পুলিশকে জানান, তারিক শেয়ার মার্কেটে টাকা খাটাত। এতে তার ক্ষতিই হচ্ছিল। সম্প্রতি ক্ষতি মেটাতে মায়ের কাছ থেকে ১৭ হাজার টাকা, বাবার কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা ‘ধার’ নেয় সে। কিন্তু ক্রমে মানসিক অবসাদে ভুগতে শুরু করেছিল ওই ছাত্র।

Advertisement

[আরও পড়ুন: দেহে সুতোটুকু নেই, ক্যামেরায় পোজ রণবীরের! বললেন ‘হাজার মানুষের সামনে নগ্ন হতে পারি’]

গত বুধবার সন্ধে ৭টা ৪০ মিনিটে বাড়ি থেকে বেরিয়ে হাওড়া থেকে বজবজগামী একটি বাসে ওঠে। বেস ব্রিজের কাছে নেমে হাইড রোড ধরে হাঁটতে শুরু করে সে। একটি জায়গায় বেশ কিছুক্ষণের জন্য বসে থাকে। সিসিটিভিতে দেখা গিয়েছে, পকেট থেকে পিস্তল বের করে নিজের থুতনির নিচে রেখে ট্রিগার টিপছে সে।প্রাথমিক তদন্তের পর ওই ছাত্রের মোবাইল ঘেঁটে পুলিশ জেনেছে, কয়েকদিন আগে থেকেই সে মোবাইলে সার্চ ইঞ্জিনে ‘সার্চ’ দিয়ে কীভাবে আত্মঘাতী হওয়া যায়, সেই তথ্য জানার চেষ্টা করে। বিষপান থেকে শুরু করে গলায় ফাঁস দেওয়া ও বিভিন্ন অস্ত্রের ব্যবহার তার সামনে আসে।

পুলিশের ধারণা, সবথেকে কম যন্ত্রণাদায়ক আত্মহত্যার প্রক্রিয়ার সন্ধান করতে গিয়েই ছাত্রটি পিস্তল জোগাড় করে। আবার কোনও সিনেমা দেখে সে এই পদ্ধতিটি শিখেছিল কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যদিও ছাত্রটি কার কাছ থেকে অস্ত্রটি জোগাড় করল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সেটি আগে থেকে তার  কাছ ছিল কি না, এমন সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না। আত্মহত্যার ঘটনার তদন্ত হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

[আরও পড়ুন: মৃত ব্যক্তির নাম করে বার লাইসেন্স আদায়! অভিযোগের তিরে স্মৃতি ইরানির মেয়ে]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.