Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
CM Mamata Banerjee

‘ভারতীয় দলের প্র্যাকটিসে গেরুয়া জার্সি কেন?’, গৈরিকীকরণ নিয়ে সরব মমতা

আপত্তি তুললেন নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামের নামকরণ নিয়েও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৭, ২০২৩, ২০:১৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৭, ২০২৩, ২০:১৭

options
link
‘ভারতীয় দলের প্র্যাকটিসে গেরুয়া জার্সি কেন?’, গৈরিকীকরণ নিয়ে সরব মমতা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দেশজুড়ে গৈরিকীকরণের প্রবণতা কেন্দ্র সরকারের। এই অভিযোগে বারবার সরব হয়েছে শাসকদল তৃণমূল। এবার ভারতীয় ক্রিকেট দলের অনুশীলনে যে জার্সি পরা হচ্ছে, তার রং গেরুয়া হওয়ায় আপত্তি তুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (CM Mamata Banerjee)। শুক্রবার পোস্তায় জগদ্ধাত্রী পুজোর উদ্বোধনে গিয়ে এনিয়ে বিজেপিকে (BJP) নিশানা করলেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর সাফ প্রশ্ন, ”সব গেরুয়া করে দেওয়া হচ্ছে কেন? ভারতীয় ক্রিকেট দল (Indian Cricket team) যে জার্সি পরে অনুশীলন  করছে, তার রংও গেরুয়া। এসব আর মেনে নেওয়া যাচ্ছে না।”

শুক্রবার পোস্তার অনুষ্ঠান মঞ্চে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, ”এখন তো সব গেরুয়া হয়ে যাচ্ছে। ভারতীয় ক্রিকেট দলের জন্য আমরা গর্বিত। আমরা বিশ্বাস করি, ওরা বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হবে। কিন্তু অনুশীলন ম্যাচে তাঁরা যে জার্সি পরছে, তার রং গেরুয়া। কেন? ওই রং চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। এসব মেনে নেওয়া যায় না। স্টেডিয়ামের নাম বদলে ফেলা হয়েছে। দেশের মণীষীদের নামে নাম দিন। কোনও আপত্তি নেই। কিন্তু ক্রমশ গৈরিকীকরণের পথে হাঁটা হচ্ছে।”  

Advertisement

[আরও পড়ুন: পাঁচ বছর নয়, বিনামূল্যে রেশন ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত! কেন্দ্রের বিজ্ঞপ্তিতে ধন্দ]

উল্লেখ্য, এর আগেও ভবানীপুরের বিজয়া সম্মিলনী অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী আহমেদাবাদের মোতেরা স্টেডিয়ামের নাম  বদলে নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম করে দেওয়া নিয়েও বিজেপিকে তোপ দেগেছিলেন। বলেছিলেন, “আমি জীবনে কারও দয়া চাই না। তাই নিজের নামে স্টেডিয়াম বানাই না। আমার পাবলিসিটির প্রয়োজন নেই। আমি নিজের নামে ট্রেন লাইনও করি না, প্রয়োজন নেই।” এবার রোহিত-বিরাটদের প্র্যাকটিস জার্সি গেরুয়া হওয়ায় ফের নিশানা করলেন কেন্দ্রকে। এদিনও মুখ্যমন্ত্রী ১০০ দিনের কাজের বকেয়া নিয়ে সরব হন। তাঁর কথায়, ”বিজ্ঞাপনে যত টাকা খরচ হচ্ছে, সেই টাকায় ১০০ দিনের কাজের শ্রমিকদের পাওনা পূরণ হয়ে যেত।” 

[আরও পড়ুন: ‘জার্সি পেলে এই বয়সেও লড়ে যেতে পারব’, বাভুমাদের হারে ক্ষুব্ধ ইমরান তাহির

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.