৩ মাঘ  ১৪২৬  শুক্রবার ১৭ জানুয়ারি ২০২০ 

Menu Logo ফিরে দেখা ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

৩ মাঘ  ১৪২৬  শুক্রবার ১৭ জানুয়ারি ২০২০ 

BREAKING NEWS

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পিঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধি লাগামছাড়া।  অন্যান্য সবজিও বিকোচ্ছে চড়া দামে। দামের ঝাঁজে চোখে জল মধ্যবিত্তের। হু হু করে চড়তে থাকা দামের পারদ কিছুটা নিয়ন্ত্রণ ইতিমধ্যে একাধিক পদক্ষেপ করেছে রাজ্য সরকার। এবার গোটা পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে বাজারে হাজির হলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাজারের ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে তিনি বুঝে নিতে চাইলেন গোটা পরিস্থিতি।

সোমবার সকালে নবান্নে যাওয়ার পথে হঠাৎই ভবানীপুরের যদুবাবু বাজারে ঢুঁ মারেন মুখ্যমন্ত্রী। দেখা হতেই ক্রেতাদের কাছে পিঁয়াজের দর সম্পর্কে জানতে চান তিনি। ক্রেতারা জানান, ১৫০ টাকা কিলো দরেই বিকোচ্ছে পিঁয়াজ। এরপরই তিনি বিক্রেতাদের কাছে পিঁয়াজের এই চড়া দামের কারণ জানতে চান। তাঁরা কোথা থেকে কত দরে পিঁয়াজ কিনছেন,  সেই প্রশ্নও করেন। বিক্রেতারা জানান, তাঁরা এখনও ১৪৫ টাকা কিলো দরে পিঁয়াজ কিনছেন। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে থাকা আধিকারিকদের এই বিক্রেতাদের নামও নোট করে নিতে বলেন। একইসঙ্গে ক্রেতাদের সুফল বাংলা স্টল থেকে ৫৯ টাকা কিলো দরে পিঁয়াজ কেনার পরামর্শ দেন মুখ্যমন্ত্রী।

[আরও পড়ুন : ব্যাংক জালিয়াতির শিকার প্রাক্তন সেনাকর্মী, অ্যাকাউন্ট থেকে গায়েব লক্ষাধিক টাকা]

এরপরই এলাকাবাসীর উদ্দেশে তাঁর প্রশ্ন, “যদুবাবু বাজার এলাকায় কোথায় সুফল বাংলা স্টল আছে?” বাজারে গাড়ি করে পিঁয়াজ বিক্রি করতে আসেন কিনা তাও জানতে চান মুখ্যমন্ত্রী। ক্রেতাদের তিনি জানান, কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকার ৪৩০টি দোকানে ৫৯ টাকা কেজি দরে পিঁয়াজ বিক্রি করা হচ্ছে। মঙ্গলবার থেকে বিভিন্ন জেলার ৪০৫টি স্টলেও এই দরে পিঁয়াজ মিলবে। তবে শুধু পিঁয়াজ নয়, আলুর দরও জানতে চান তিনি। বাজার পরিদর্শনের পর নবান্নে চলে যান।

[আরও পড়ুন : জলসংরক্ষণ অভিনব প্রয়াস, চালু হচ্ছে ওয়াটার রিচার্জ স্কিম]

প্রসঙ্গত,  সোমবার থেকে শহরের রেশন দোকানে ৫৯ টাকা কিলো দরে মিলবে পিঁয়াজ। রবিবারের বৈঠক থেকে এমনই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রশাসনিক কর্তারা। জানা গিয়েছে, প্রাথমিক পর্যায়ে কেবলমাত্র উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতার ৯৩৪টি রেশন দোকানে এই মূল্যে পাওয়া যাবে পিঁয়াজ। ঝাঁজ কমাতে প্রশাসনের এই উদ্যোগে কিছুটা হলেও স্বস্তি পেয়েছেন রাজ্যবাসী।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং