BREAKING NEWS

২ আশ্বিন  ১৪২৭  শনিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

উত্তুরে হাওয়ার গতি কমতেই কমল শীতের কামড়

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: January 17, 2018 11:10 am|    Updated: January 17, 2018 12:23 pm

An Images

স্টাফ রিপোর্টার: উত্তুরে হাওয়ার গতি কমায় কমল শীতের কামড়। একই সঙ্গে দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলা থেকেই উঠে গেল শৈত্যপ্রবাহের সতর্কতা। বুধবার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২.৫ ডিগ্রি। যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি কম। তবে আলিপুর আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী তিন দিন এমনই থাকবে আবহাওয়া। না বাড়বে, না কমবে। সেক্ষেত্রে জানুয়ারির শেষে শীতের বিদায় হবে কি না তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। যদিও সে বিষয়ে এখনই কোনও মতামত দিতে চায়নি হাওয়া অফিস।

[খেলার মাঠ দখলকে কেন্দ্র করে মাদ্রাসায় তাণ্ডব দুষ্কৃতীদের, আহত ২ ছাত্রী]

একদিন আগেও বাংলাদেশের ওপর ঘূর্ণাবর্তের কারণে কলকাতার বায়ুমণ্ডলে জলীয় বাষ্পের আধিক্য বাড়ছিল। যার জেরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নামে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে। যদিও ঘূর্ণাবর্ত সরে গিয়েছে এখন। কিন্তু উত্তুরে হাওয়ার গতি কমে যাওয়ায় কমছে সর্বনিম্ন তাপমাত্রার দাপট। অন্যদিকে উত্তরের তিন জেলা দুই দিনাজপুর ও মালদহে সর্বনিম্নের থেকে তাপমাত্রা বেশ কয়েক ডিগ্রি কমে গিয়ে শীতলতম দিন পেতে পারে। তবে সকালের দিকে কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়ছে গোটা শহর। আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রার খুব একটা হেরফের না হলেও কুয়াশার দাপট থাকবে। পূর্বাভাস আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের। আগামিকাল শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৬ ডিগ্রি ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩ ডিগ্রির আশেপাশে থাকবে বলে জানিয়েছেন হওয়া অফিসের কর্তারা।

[বাঙালির স্বাদের আহ্লাদ মেটাচ্ছে আদিসপ্তগ্রামের পাঁচ শতকের পুরনো মাছের মেলা]

ঘন কুয়াশার জেরে দৃশ্যমানতা কম থাকায় ব্যাহত দূরপাল্লার ট্রেন চলাচলও। উত্তর ভারত ও উত্তরবঙ্গ থেকে আসা ট্রেনগুলি নির্ধারিত সময়ের থেকে দেরিতে চলছে। পূর্ব রেল সূত্রে খবর, হাওড়ামুখী যোধপুর এক্সপ্রেস ও বিভূতি এক্সপ্রেস ১২ ঘণ্টা দেরিতে চলছে। ১১ ঘণ্টা দেরিতে চলছে মিথিলা এক্সপ্রেস ও অমৃতসর মেল। অন্যদিকে শিয়ালদহমুখী ট্রেনগুলির মধ্যে তিস্তা-তোর্সা এক্সপ্রেস ৫ ঘণ্টা, পদাতিক এক্সপ্রেস। মেল, এক্সপ্রেস ট্রেনগুলির পাশাপাশি লোকাল ট্রেনগুলিও কুয়াশার দাপটে বিপর্যস্ত। ফলে সমস্যা বেড়েছে নিত্যযাত্রীদের।

[ভুল ইঞ্জেকশনের বলি আড়াই বছরের শিশু, তুলকালাম আমরি হাসপাতালে]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement