৩ ভাদ্র  ১৪২৬  বুধবার ২১ আগস্ট ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

অর্ণব আইচ: টালিগঞ্জ থানায় পুলিশ নিগ্রহকাণ্ডের জেরে সরানো হল ওসি অনুপ ঘোষকে। তাঁর জায়গায় দায়িত্ব পেলেন দক্ষিণ বন্দর থানার ওসি সরোজ প্রহরাজ। লালবাজারে সরানো হল টালিগঞ্জ থানার ওসিকে। টালিগঞ্জ থানার অতিরিক্ত ওসির দায়িত্ব নিলেন মহুয়া বিশ্বাস।

[আরও পড়ুন:মেয়ে বেঁচে থাক অন্যের শরীরে, শহরে তরুণীর অঙ্গদান পরিজনদের]

রবিবার রাত থেকে মদ্যপদের তাণ্ডবে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল টালিগঞ্জ থানা। ওইদিন রাতে সার্দান অ্যাভেনিউ চত্বরে বাইক চালিয়ে যাচ্ছিলেন তিন যুবক। সকলেরই বাড়ি চেতলায়। মাঝরাস্তায় যথারীতি চেকিংয়ের জন্য বাইক আরোহীদের দাঁড়াতে বলেন কর্তব্যরত পুলিশ আধিকারিকরা। কিন্তু দাঁড়ানো তো দূর, উলটে পুলিশ আধিকারিকদেরই উদ্দেশ্য করে আপত্তিকর মন্তব্য করে চম্পট দেয় ওই তিন যুবক। শুধু তাই নয়, এই ঘটনার পর মদ্যপ অবস্থায় তারা টালিগঞ্জ থানা এলাকাতেই অশান্তি করে বলেও অভিযোগ। এরপরই রণজয় হালদার নামে এক যুবক-সহ ৩ জনকে আটক করে টালিগঞ্জ থানায় নিয়ে যায় পুলিশ কর্মীরা। রণজয় মদ্যপ অবস্থায় ফোন করে গোটা ঘটনাটি জানায় বন্ধু আকাশকে। এরপরই দলবল নিয়ে এলাকায় দুষ্কৃতী হিসেবে পরিচিত আকাশ ও তার পিসি পুতুল চড়াও হয় টালিগঞ্জ থানায়।

বন্ধুকে দেখতে পেয়ে থানার ভিতর থেকে বাইরে বেরিয়ে যায় রণজয়। সে সকলকে উসকানি দেয় পুলিশ কর্মীদের আক্রমণের। এমনকী সেই প্রথম পুলিশ কর্মীর গায়ে হাত তোলে বলে অভিযোগ। এরপরই সকলে ঝাঁপিয়ে পড়ে পুলিশ কর্মীদের উপর। বেধড়ক মারধর করা হয় তাঁদের। দীর্ঘক্ষণ পর স্বাভাবিক হয় পরিস্থিতি। ঘটনার প্রায় ১১ ঘণ্টা পর পুলিশের তরফে স্বত:প্রণোদিত মামলা রুজু করা হয়। ডিসি-র কাছ থেকেও রিপোর্ট চাওয়া হয়। এই ঘটনায় বিরক্তি প্রকাশ করেন সিপি অনুজ শর্মা। ঘটনার ১১ ঘণ্টা পর কেন স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করা হল, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। পাশাপাশি ঘটনার সময়ে কর্তব্যরত ওসি অনুপ ঘোষের ভূমিকায় বিরক্ত হন। এরপরই বুধবার টালিগঞ্জ থানার ওসিকে সরানো নির্দেশ দেওয়া হল। শীঘ্রই তাঁর জায়গায় দায়িত্ব নেবেন দক্ষিণ বন্দর থানার ওসি সরোদ প্রহরাজ।

[আরও পড়ুন:একই দিনে জোড়া ধাক্কা, শোভনের সঙ্গে বিজেপির পথে সব্যসাচীও!]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং