৯ আশ্বিন  ১৪২৭  শনিবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

সাবধান! পকেটের রুমালেও লুকিয়ে করোনার বিপদ, বলছেন চিকিৎসকরা

Published by: Sandipta Bhanja |    Posted: February 6, 2020 10:11 am|    Updated: March 12, 2020 1:09 pm

An Images

অভিরূপ দাস: ছিল রুমাল। হয়ে গেল ভাইরাসের আঁতুড়ঘর। আলনায় পড়ে থাকা চারকোণা কাপড়টায় লুকিয়ে নেই তো ভাইরাসের জীবাণু? করোনা ভাইরাস ঠেকাতে এখন ওই একখণ্ড কাপড় ব্যবহারেই নিষেধাজ্ঞা জারি করছেন চিকিৎসকরা। 

শীত চলে যাওয়ার এই সময়টায় ঘরে ঘরে সর্দি-কাশি। কোনটা যে নিরীহ ঠান্ডা লাগা, আবার কোনটায় যে লুকিয়ে রয়েছে করোনার কাঁটা? টেস্ট না করলে তা বোঝা সম্ভব নয়। তবে আপাতভাবে ছোঁয়াচে অসুখ ঠেকাতে চিকিৎসকরা বলছেন, সবার আগে নাক ঝাড়ার রুমাল ব্যবহার বন্ধ করতে। ঘনঘন সর্দি এবং কাশি হলেই কফ উঠে আসা, সঙ্গে জ্বর এসবই করোনা ভাইরাসের উপসর্গ। মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. অরিন্দম বিশ্বাস জানিয়েছেন, সর্দিকাশির পর রুমালে নাক ঝেড়ে অনেকেই তা রেখে দেন। সে রুমালে লেগে থাকে জীবাণু। ওই রুমাল ভুলবশত কেউ ব্যবহার করলে তার থেকেই ছড়াতে পারে অসুখ। এর চেয়ে ন্যাপকিন ব্যবহার করা অনেক নিরাপদ। একবার ব্যবহার করেই তা ফেলে দেওয়া যায়। 

[আরও পড়ুন: পদ্মশ্রীর অর্থে বিনামূল্যে পরিষেবা দেবেন ‘সুন্দরবনের সুজন’ চিকিৎসক অরুণোদয় মণ্ডল]

দেখা হলেই হ্যান্ডশেক কিংবা গালে গাল ঠেকিয়ে অভিনন্দন চুম্বন-আপাতত এই ধরনের পাশ্চাত্য সংস্কৃতিকে বিপজ্জনক বলছেন চিকিৎসকরা। বিলিতি এই আচার-ব্যবহারই করোনা ভাইরাস ছড়াতে পারে। একই সঙ্গে বাঙালি সংস্কৃতিতে করোনা ঠেকানোর দাওয়াই রয়েছে বলছেন চিকিৎসকরা। বেলেঘাটা আইডির চিকিৎসকরা বলছেন হাত যতটা সম্ভব পরিস্কার রাখা যায় ততই দূরে সরিয়ে রাখা যাবে ছোঁয়াচে ভাইরাসকে।

এদিকে বুধবার সকালে পূর্ব মেদিনীপুরের এক বাসিন্দাকে বেলেঘাটা আইডিতে আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভরতি করা হয়েছে। তিনদিন আগেই চিন থেকে ফিরেছিলেন ওই ব্যক্তি। আদৌ তাঁর শরীরে নোভেল করোনা ভাইরাসের জীবাণু রয়েছে কি না তা জানতে সোয়াব টেস্ট করা হবে। আপাতত বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে ভরতি রয়েছেন ৪ জন। গতকাল ৩ জন ভরতি হয়েছিলেন যার মধ্যে দু’জনের লালারসের নমুনা সংগ্রহ করে নাইসেডে পাঠানো হয়েছে। ইতিপূর্বে যাঁরাই বেলেঘাটা আইডিতে ভরতি হয়েছিলেন তাঁদের কারও শরীরেই করোনা ভাইরাসের জীবাণুর প্রমাণ মেলেনি।  

[আরও পড়ুন: সন্ধে নামলেই ভেসে আসছে বিকট আওয়াজ! অজানা জন্তুর আতঙ্কে কাঁটা দুর্গাপুর ]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement