BREAKING NEWS

১৬ আষাঢ়  ১৪২৭  বৃহস্পতিবার ২ জুলাই ২০২০ 

Advertisement

করোনা যুদ্ধে মুখ্যমন্ত্রীর আবেদনে সাড়া, সাহায্যের হাত বাড়ালেন শহরের পুজোওয়ালারা

Published by: Subhamay Mandal |    Posted: March 26, 2020 4:04 pm|    Updated: March 30, 2020 6:18 pm

An Images

শুভময় মণ্ডল: করোনার থাবায় ত্রস্ত গোটা বিশ্ব। বাদ নেই আমাদের দেশও। ভারতেই আক্রান্তের সংখ্যা ৬৮০ ছুঁয়েছে। মৃত বেড়ে ১৬। রাজ্যেও আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০। এই পরিস্থিতিতে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় রাজ্যের তদারকি করছেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যের স্বল্প সম্বল থেকেও ২০০ কোটি টাকার ফান্ড তৈরি করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবুও রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবাকে চাঙ্গা রাখতে এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের সহায়তায় তিনি একটি আপৎকালীন ত্রাণ তহবিল তৈরি করেছেন। এবং সেখানে রাজ্যের সমস্ত মানুষ, সংগঠন, সমিতিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য আবেদন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই আহ্বানে সাড়া দিয়ে এবার সাহায্যে এগিয়ে এলেন শহরের পুজোওয়ালারা।

পুজোকমিটি গুলি এবং তাদের যৌথ সংগঠন ফোরাম ফর দুর্গোৎসব সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে এই বিপদের সময়ে। লড়াই জেতার অঙ্গীকার নিয়ে ফোরাম ফর দুর্গোৎসব মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে ২ লক্ষ টাকা তুলে দিয়েছে। সারা বিশ্বের অধিকাংশ মানুষ আজ ভয়ঙ্কর করোনার সংক্রমণের করাল গ্রাসের কবলে। আজ এই মুহূর্তে সারা দেশ Locked Down. প্রাণ বাঁচাতে সবাই ঘরবন্দি। এই পরিস্থিতিতে ফোরামের কার্যকরী কমিটি তাই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ২ লক্ষ টাকা দেওয়ার। ইতিমধ্যে তারা চেকও দিয়ে দিয়েছে। বৃহস্পতিবার এই উদ্যোগের কথা জানান ফোরামের যুগম সাধারণ সম্পাদক শাশ্বত বসু।

[আরও পড়ুন: সচেতনতা প্রচারে হাতে তুলে নিলেন গিটার, বাঁধলেন গান, ভাইরাল বনগাঁর SDPO]

ফোরামের পাশাপাশি শহরের বিখ্যাত পুজো কমিটিগুলিও এগিয়ে এসেছে কঠিন সময়ে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে। কাশী বোস লেন দুর্গোৎসব কমিটি যেমন ১ লক্ষ টাকা তুলে দিচ্ছে তহবিলে। একথা জানিয়েছেন অন্যতম উদ্যোক্তা সোমেন দত্ত। পাশাপাশি অঞ্চলের মানুষদেরও তহবিলে সাহায্য তুলে দেওয়ার জন্য আবেদন জানিয়েছে পুজো কমিটি। এরকম আরও ছোট-বড় পুজো কমিটি এগিয়ে এসেছে রাজ্যের ত্রাণ তহবিলে সাহায্যের জন্য। একইসঙ্গে পুজো কমিটিগুলি মুখ্যমন্ত্রী তথা রাজ্য সরকারের এই মানবিক প্রচেষ্টাকে সচল রাখতে নানারকম ভাবে সাহায্য করছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রচেষ্টাকেও কুর্নিশ জানাচ্ছেন তারা।

[আরও পড়ুন: করোনায় মৃত্যু হলে ধাপায় শেষকৃত্য, বড় পদক্ষেপ কলকাতা পুরসভার]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement