গোবিন্দ রায়: কাশীপুরে বিজেপি নেতার মৃত্যুর (Cossipore BJP Leader Death) ঘটনায় ময়নাতদন্তের রিপোর্ট জমা পড়ল কলকাতা হাই কোর্টে। গলায় ফাঁস লেগেই মৃত্যু হয়েছে কাশীপুরের বিজেপি নেতা অর্জুন চৌরাসিয়ার। ময়নাতদন্তের রিপোর্টেই তা স্পষ্ট। এই রিপোর্ট রাজ্য পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ।
কাশীপুরে বিজেপি (BJP) নেতার মৃত্যু ঘিরে উত্তাল হয়েছে রাজ্য রাজনীতি। দলীয় নেতাকে খুনের অভিযোগ তুলেছিল বিজেপি। এমনকী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও খুনের অভিযোগ করেছিলেন। এমন পরিস্থিতিতে আদালতের নির্দেশে আলিপুর কমান্ড হাসপাতালে ময়নাতদন্ত হয় অর্জুনের। মঙ্গলবার সেই রিপোর্ট জমা পড়েছে আদালতে।
[আরও পড়ুন: এ কী কাণ্ড! রেস্তরাঁর খাবারে মিশে সাপের খোলস, তারপর…]
ময়নাতদন্তের রিপোর্টে জানানো হয়েছে, গলায় ফাঁস লেগে ঝোলার কারণেই মৃত্যু হয়েছে অর্জুনের। ফাঁস লাগার আগে পর্যন্ত তাঁর দেহে প্রাণ ছিল। প্রাথমিক রিপোর্টে দাবি করা হয়েছিল, দেহে কোনও ধস্তাধস্তির চিহ্ন ছিল না। ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে লালবাজারের হোমিসাইড শাখার পুলিশ। সেই রাজ্য পুলিশের তদন্তেই আস্থা রাখল আদালত। ময়নাতদন্ত এবং ভিসেরা রিপোর্ট রাজ্যের হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। তবে পরিবার আবেদন জানালে তাঁদেরকে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট তুলে দেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছে আদালত। মামলাটির পরবর্তী শুনানি ১৯ মে। সেদিন তদন্তের গতিপ্রকৃতি সংক্রান্ত রিপোর্ট পেশ করতে হবে আদালত।
রাজ্যের তরফে অ্যাডভোকেট জেনারেল সৌমেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় জানান, “এখনও পর্যন্ত কোনও অভিযোগ দায়ের হয়নি। আমরা অস্বাভাবিক মৃত্যুর অভিযোগ দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছি।” জবাবে পরিবারের তরফে আইনজীবী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়ালের জবাব, “পুলিশ অভিযোগ নিতে চায়নি তাই মৃতের পরিবার অভিযোগ দায়ের করতে পারেনি।”
[আরও পড়ুন: নিলামে উঠছে গান্ধীজির নিজের হাতে বোনা ল্যাঙট-সহ ৭০টি জিনিস, বিকোতে পারে কোটি টাকায়]
সর্বশেষ খবর
-
মূত্রনালিতে আটকে হেয়ার পিন! মুর্শিদাবাদ মেডিক্যালে নজিরবিহীন অস্ত্রোপচার বছর তেইশের যুবকের
-
মেয়ে ‘খুনি’, হৃদরোগে আক্রান্ত সিয়ার বাবা! মা বলছেন, ‘ওকে মৃত্যুদণ্ড দিক…’
-
দুর্যোগ কাটতেই তারাতলায় ফের উদ্ধারকাজ শুরু, নাইট ভিশন ক্যামেরায় চলছে তল্লাশি
-
‘৫ জন থাকলেও ধর্মতলায় যাব’, ২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভায় ঘোষণা মমতার
-
সিএবিতে ফের নাটক! অ্যাপেক্স সদস্যের আচমকা ইস্তফা চাপ বাড়াল সহ-সভাপতির উপর