Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
দম্পতির রহস্যমৃত্যু

নেতাজি নগরে দম্পতির রহস্যমৃত্যু, ঘর থেকে উদ্ধার রক্তাক্ত দেহ

খুন নাকি অন্যকিছু?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৩০, ২০১৯, ১৬:১৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৩০, ২০১৯, ১৬:১৯

options
link
নেতাজি নগরে দম্পতির রহস্যমৃত্যু, ঘর থেকে উদ্ধার রক্তাক্ত দেহ zoom
ছবি: ফাইল

অর্ণব আইচ:  ফের দম্পতির রহস্যমৃত্যু। এবার টালিগঞ্জের নেতাজি নগরে। মঙ্গলবার সকালে এলাকার একটি বাড়ি থেকে স্বামী-স্ত্রীর রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এলাকায় চাঞ্চল্য।

[আরও পড়ুন: যে কোনও মুহূর্তে ভূমিকম্পে কেঁপে উঠতে পারে কলকাতা, বলছেন বিশেষজ্ঞরা]

টালিগঞ্জের নেতাজি নগরে নিজস্ব বাড়ি। কিন্তু, কোনও সন্তান ছিল না। বাড়ির দোতলায় একটি ঘরে থাকতেন দিলীপ মুখোপাধ্যায় ও তাঁর স্ত্রী স্বপ্নাদেবী। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, পাড়ায় যথেষ্টই মেলামেশা ছিল ওই দম্পতির। তাঁদের বাড়িতে অনেকে যাতায়াত করতেও দেখেছেন পাড়া প্রতিবেশীরা। রোজকার মতোই মঙ্গলবার সকালে ওই দম্পতির বাড়িতে কাজ করতে এসেছিলেন পরিচারিকা। তিনিই প্রথম স্বামী-স্ত্রীর রক্তাক্ত মৃতদেহটি দেখতে পান। ঘটনাটি জানাজানি হতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। নেতাজি নগর থানায় খবর দেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দুটি মৃতদেহটি উদ্ধার করেছে পুলিশ।

Advertisement

কিন্তু কীভাবে মারা গেলেন দিলীপ মুখোপাধ্যায় ও স্ত্রী স্বপ্নাদেবী? তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, রাতে বাড়িতে ঢুকে ওই দম্পতি খুন করেছে দুষ্কৃতীরা। কিন্তু কেন?  বাড়ি থেকে কিছু খোয়া গিয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এদিকে এই ঘটনার খবর পেয়ে নেতাজি নগরে যান কলকাতা পলিশের জয়েন্ট সিপি(ক্রাইম) ও হোমিসাইড বিভাগের আধিকারিকরা। তদন্তে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞদের সাহায্য নেওয়া হবে বলে জানা দিয়েছে।

দিন কয়েক আগে উত্তর ২৪ পরগনার সোদপুরে রহস্যজনকভাবে মারা যান এক দম্পতি। ইন্দ্রলোক এলাকায় ভাড়া বাড়ি থেকে বিপ্লব চক্রবর্তী ও তাঁর স্ত্রী শিপ্রাদেবীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, ঘটনার দিন সকালে দীর্ঘক্ষণ সাড়াশব্দ না পেয়ে ডাকাডাকি শুরু করেছিলেন বাড়ির মালিক সুব্রত দাস। শেষপর্যন্ত জানলা দিয়ে উঁকি মেরে বাবা-মার ঝুলন্ত দেহ দেখতে পায় ওই দম্পতির ছোট মেয়ে। বিপ্লববাবুর দেহ সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় গামছার ফাঁস দেওয়া অবস্থা ঝুলছিল। আর তাঁর স্ত্রী শিপ্রাদেবীর দেহ গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় জানলার পাশে পড়েছিল বলে জানা গিয়েছে।

[আরও পড়ুন: আলিপুর চিড়িয়াখানায় এবার অ্যানাকোন্ডা চাক্ষুষ করতে পারবেন দর্শকরা!]

    

 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.