Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
গোলি মারো স্লোগান

‘ক্রিমিনালের দল বিজেপি’, ‘গোলি মারো’ স্লোগানের জেরে তোপ সুজনের

বিজেপির মিছিলে বিতর্কিত স্লোগানের বিরুদ্ধে সরব সোমেন মিত্র।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১, ২০২০, ১৮:৪৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১, ২০২০, ১৮:৪৫

options
link
‘ক্রিমিনালের দল বিজেপি’, ‘গোলি মারো’ স্লোগানের জেরে তোপ সুজনের zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কলকাতার রাজপথে বিজেপির মিছিল থেকে ‘গোলি মারো’ স্লোগানকে ঘিরে তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। এবার বিতর্কিত স্লোগানের জন্য বিজেপি ও প্রশাসনকে তোপ দাগলেন সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী। বললেন, ‘এরা কারা? দিল্লির মতো এখানে অশান্তির পরিবেশ তৈরি করতে চাইছে। কোথায় পুলিশ? কোথায় প্রশাসন? এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়া হলে অশান্তির জন্য দায়ী থাকবে পুলিশ-প্রশাসন ও মুখ্যমন্ত্রী।’ একইসঙ্গে এই ঘটনার বিরোধিতা করেছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্রও। তিনি নিজের ফেসবুক পেজে লিখেছেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী-অমিত শাহের দিল্লির সেটিং কলকাতা পুলিশের প্রাক্তন বড়কর্তা রাজীব কুমারকে বাঁচিয়েছিল। ভুবনেশ্বরের সেটিংয়ের পরে আজ দিদি গৃহমন্ত্রীকে ‘রিটার্ন গিফট’ দিলেন। এমনকি ধর্মতলা চত্বরে যারা ‘গোলি মারোর’ স্লোগান দিল তাদেরও পুলিশ জামাই আদর করে শহিদ মিনারে পৌঁছে দিল।’

দেশজুড়ে সিএএ বিরোধী আন্দোলনকারীদের দেশদ্রোহী তকমা দিয়ে বারবার এই স্লোগান দেওয়া হয়েছে বিজেপির মিছিল থেকে। যা নিয়ে একাধিকবার সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে গেরুয়া শিবিরকে। পুরভোটের লক্ষ্যে রবিবার কলকাতায় শহিদ মিনারে সভার আগে সেই দৃশ্য ফের দেখা গেল ধর্মতলায়। এই সভা থেকে সিএএ প্রসঙ্গেও অমিত শাহ বিরোধীদের আক্রমণ করবেন বলেই অনুমান। সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের সমর্থনে তাই প্ল্যাকার্ড-ফেস্টুন নিয়ে দলে দলে কলকাতায় ভিড় জমিয়েছেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। মিছিল করে সভাস্থলের দিকে পৌঁছচ্ছেন দলীয় কর্মী-সমর্থকরা। তার মধ্যেই বেশ কয়েকটি মিছিল থেকে উঠল এই ‘গোলি মারো’ স্লোগান। এর প্রতিবাদে কড়া আক্রমণ শানালেন বাম পরিষদীয় নেতা সুজন। চাঁচাছোলা ভাষায় তিনি অমিত শাহকেও তোপ দেগেছেন। বলেছেন, ‘ক্রিমিনালের দল বিজেপি। আর সেই দলের নেতা অমিত শাহ বাংলাতেও সেই সংস্কৃতি আনতে চাইছে। দিল্লির মতো এখানেও অশান্তি সৃষ্টি করতে চাইছেন। প্রশাসন যদি এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেয় তাহলে অশান্তির জন্য দায়ী থাকবে পুলিশ-প্রশাসন ও মুখ্যমন্ত্রী।’

Advertisement

[আরও পড়ুন: এবার কলকাতার রাজপথেও ‘গোলি মারো’ স্লোগান বিজেপির, নীরব দর্শক পুলিশ]

প্রসঙ্গত, অমিত শাহের কলকাতা সফরকে ঘিরে রবিবার সকাল থেকেই বিক্ষোভের আবহ ছিল কলকাতায়। এদিন বিমানবন্দরে অমিত শাহ নামার পর থেকেই কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ দেখায় বাম ছাত্র-যুব সংগঠনগুলি। বিক্ষোভে শরিক হয় কংগ্রেসও। এদিন বিমানবন্দর, কৈখালি, পার্ক সার্কাস, বেকবাগান, সন্তোষপুর, এন্টালি, ধর্মতলা, গড়িয়াহাট-সহ একাধিক জায়গায় দফায় দফায় বিক্ষোভ দেখান দুই দলের নেতানেত্রী এবং কর্মী-সমর্থকরা। রবিবার সকাল প্রায় ১১ টা নাগাদ কলকাতায় অমিত শাহ বিমানবন্দরে পৌঁছন। তিনি শহরে পা রাখামাত্রই বিক্ষোভ শুরু করে বাম-কংগ্রেস। রবিবার সকালে বিমানবন্দরের ১ নম্বর গেটের কাছে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন ওই দুই দলের নেতাকর্মীরা। তাঁদের প্রত্যেকের হাতে ছিল কালো পতাকা, কালো বেলুন। এছাড়াও ‘গো ব্যাক অমিত শাহ’ পোস্টারও হাতে দেখা গিয়েছে বিক্ষোভকারীদের। স্লোগানও দিতে থাকেন তাঁরা। আগে থেকেই পুলিশের কাছে খবর ছিল অশান্তি হতে পারে। তাই বিমানবন্দরের যে রাস্তা দিয়ে অমিত শাহের কনভয় যায়, সেই জায়গাটিতে পুলিশি নিরাপত্তা আঁটসাঁট করা হয়। বিমানবন্দরের পাশাপাশি সন্তোষপুর, পার্ক সার্কাসেও ‘গো ব্যাক অমিত শাহ’ পোস্টার হাতে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে বামেরা। 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.