Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
নৃত্যশিল্পীর বিকৃত ছবি

ফেসবুকে বিকৃত ছবি পোস্ট, পুলিশের দ্বারস্থ নৃত্যশিল্পী

অভিযোগের পর পোস্টটি ফেসবুক থেকে মুছে ফেলা হয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২, ২০১৯, ১৭:২৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২, ২০১৯, ১৭:২৬

options
link
ফেসবুকে বিকৃত ছবি পোস্ট, পুলিশের দ্বারস্থ নৃত্যশিল্পী zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নৃত্যশিল্পীর ছবি নিয়ে কুরুচিকর পোস্ট করা হল ফেসবুকে। ‘হাসির ফোয়ারা’ নামে একটি পেজ থেকে ওই পোস্ট করা হয়। ঘটনাটি নিয়ে রিজেন্ট পার্ক থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন ওই নৃত্যশিল্পী সঞ্চিতা ভট্টাচার্য।

নৃত্যশিল্পীর অভিযোগ, বেশ কয়েক বছর আগে তিনি দুর্গার সাজে কয়েকটি ছবি তুলেছিলেন। সেগুলি বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় ব্যবহার হয়েছিল। তিনি নৃত্যশিল্পী। তাই এমন সাজে ছবি তোলা তাঁর জীবনে হামেশাই ঘটে। কিন্তু সেই ছবিকে এভাবে বিকৃত করা হবে, ভাবেননি তিনি। তাঁর ছবির থিম ছিল অন্য। এখনও সেসব ছবি খুঁজলে পাওয়া যাবে ইন্টারনেটে। সঞ্চিতার অভিযোগ, সেই ছবি কুমোরটুলির মৃন্ময়ী দুর্গার উপর সুপারইম্পোজ করে তা বিকৃত করা হয়েছে। এনিয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি।

Advertisement

[ আরও পড়ুন: ৯০০ কিমি পথ হেঁটেছেন স্রেফ অক্ষয়ের সঙ্গে দেখা করার জন্য, দেখুন ভক্তের ভিডিও ]

সোমবার এই অভিযোগ নিয়ে সঞ্চিতা রিজেন্ট পার্ক থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। এছাড়া লালবাজারেও এদিন আসেন তিনি। সেখানেও তিনি অভিযোগ পত্র জমা দেন। তাঁর বক্তব্য, ছবিটি ভারতীয় সংস্কৃতিতে মানুষের কাছে তুলে ধরে। এমন ছবি বিকৃত করা মানে সংস্কৃতির অপমান। এছাড়া ছবিতে যে মন্তব্য করা হয়েছে, তা নিয়েও অভিযোগ রয়েছে তাঁরা। এই সব কিছুর সুরাহা চেয়ে লালবাজারে যান তিনি। দেখা করেন পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে। গোটা ঘটনাটি যাতে পুলিশের সাইবার সেল খতিয়ে দেখে তারও আবেদন করেন তিনি। তবে সঞ্চিতার এই অভিযোগের পর পোস্টটি ফেসবুক থেকে মুছে ফেলা হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় কোনও ব্যক্তির ছবি বিকৃত করে পোস্ট করলে শাস্তি হতে পারে তাঁর। কারওর বিকৃত বা ক্ষতিকারক ছবি, জোকস কিংবা ভিডিও শেয়ার করলেই হতে পারে জেল৷ ভারতীয় দণ্ডবিধি অনুসারে এক্ষেত্রে জালিয়াতির অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হতে পারে অভিযুক্তকে৷ অভিযোগ প্রমাণিত হলে অপরাধীর ৩ থেকে ৬ বছর পর্যন্ত জেল হতে পারে। এছাড়া আর্থিক জরিমানা হওয়ারও সম্ভাবনা রয়েছে৷ অপরাধের গুরুত্ব নির্বেশেষে দুই-ই একসঙ্গে হতে পারে৷ তা সত্ত্বেও সোশ্যাল মিডিয়ায় এই অপরাধ দিনের পর দিন বাড়ছে। এনিয়ে চিন্তিত পুলিশের সাইবার সেলের কর্তারা।

[ আরও পড়ুন: সংকটে আরে বনাঞ্চল, ২৭০০ গাছ কাটার বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে সরব হলেন শ্রদ্ধা ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.