Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
কলকাতা পুলিশ ট্রেনিং স্কুল

বিক্ষোভ দেখিয়ে বদলি ১৩ জন পুলিশকর্মী, সরানো হল ডিসি কমব্যাটকেও

১৩ জন পুলিশকর্মীকে রাজ্যের পাঁচটি জেলায় বদলি করা হয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১০, ২০২০, ১২:৫২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১০, ২০২০, ১২:৫২

options
link
বিক্ষোভ দেখিয়ে বদলি ১৩ জন পুলিশকর্মী, সরানো হল ডিসি কমব্যাটকেও zoom

অর্ণব আইচ: সম্প্রতি করোনায় কিছু কর্মী আক্রান্ত হওয়া এবং পর্যাপ্ত সুরক্ষা সরঞ্জাম ছাড়া ডিউটি করানোর অভিযোগে বিক্ষোভ দেখান কলকাতা পুলিশ ট্রেনিং স্কুলের কর্মীরা। এই ঘটনায় বিতর্ক তৈরি হয় কলকাতা পুলিশের ভূমিকা নিয়ে। স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীকে পথে নেমে বিক্ষোভ সামাল দিতে হয়। এই ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছিলেন নগরপাল অনুজ শর্মা। সেইমতো ১৩ জন পুলিশকর্মীকে রাজ্যের পাঁচটি জেলায় বদলি করা হয়েছে। ডিআইজি (অ্যাডমিনিস্ট্রেশন) বদলির অর্ডার জারি করেছেন। 

উল্লেখ্য, গত ১৯ মে পুলিশ ট্রেনিং স্কুলের সামনে কমব্যাট ফোর্স, বিপর্যয় মোকাবিলা দলের কর্মীরা-সহ অন্যান্য ব্যাটেলিয়নের সদস্যরা বিক্ষোভ দেখান। ডিসি কমব্যাটের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তোলেন বিক্ষোভরত পুলিশকর্মীরা। ডিসি কমব্যাট নেভেন্দ্র সিং ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গেলে তাঁকে রীতিমতো নিগ্রহ করা হয় বলে অভিযোগ। রাতভর পিটিএস-এর সামনে রাস্তা অবরোধ করা হয়। বিক্ষোভের আঁচ পৌঁছয় লালবাজার পর্যন্ত। পরেরদিন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘটনাস্থলে গিয়ে বিক্ষুব্ধ পুলিশকর্মীদের বোঝান। তাঁদের আশ্বস্ত করে শান্ত করেন।

Advertisement

[আরও পড়ুন: পশ্চিমবঙ্গে ব্যাংক জালিয়াতির টাকা জঙ্গিদের দিত ‘জামতাড়া গ্যাং’, প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য]

এই ঘটনার ২১ দিনের মাথায় মঙ্গলবার রাতে ১৩ জনের বদলির অর্ডার বেরয়। ডিসি কমব্যাট-সহ ১৩ জন বিক্ষোভকারী পুলিশকর্মীকে বদলি করা হয়েছে পাঁচ জেলায়। এদের মধ্যে কোচবিহার জেলায় ৩ জন, দার্জিলিংয়ে ২ জন, জলপাইগুড়িতে ৩ জন, আলিপুরদুয়ারে ৩ জন এবং কালিম্পংয়ে ২ জনকে বদলি করা হয়েছে। ডিসি কমব্যাট নেভেন্দ্র সিংকে পাঠানো হয়েছে ওয়্যারলেস বিভাগে। যদিও লালবাজারের তরফে এই বদলিকে রুটিন বলা হচ্ছে। এদিকে, এই বিষয়ে টুইট করেছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। তিনি লিখেছেন, ‘পুলিশকর্মীদের ফ্রন্টলাইনে থাকা দলীয় কর্মীদের মতো মতো মনে হচ্ছে। এসব বন্ধ হওয়া উচিত, নাহলে পরিস্থিতি ঘোরালো হবে। প্রশাসনের এ বিষয়ে নজর দেওয়া উচিত।’

[আরও পড়ুন: ‘মেয়েদের জামা ছিঁড়েছে, আঁচড়েছে পুলিশ’, হাজরা মোড়ে গ্রেপ্তারের পর বিস্ফোরক অগ্নিমিত্রা]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.