BREAKING NEWS

৪ আশ্বিন  ১৪২৭  মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

যোধপুর পার্কের আবাসন থেকে বৃদ্ধার দেহ উদ্ধার, শ্বাসরোধ করে খুন বলে অনুমান

Published by: Sucheta Sengupta |    Posted: April 4, 2019 4:10 pm|    Updated: April 5, 2019 4:36 pm

An Images

ছবিটি প্রতীকী

অর্ণব আইচ: ফের শহরে খুন বৃদ্ধা৷ যোধপুর পার্কের মতো জনবহুল এলাকার অভিজাত এক আবাসন থেকে উদ্ধার হল বৃদ্ধার মৃতদেহ৷ পুলিশ সূত্রে খবর, মৃতার নাম শ্যামলী ঘোষ, বয়স পঁচাত্তরের কাছাকাছি৷ ঘুমন্ত অবস্থায় গলায় ফাঁস লাগিয়ে খুন করা হয়েছে বলে প্রাথমিক অনুমান পুলিশের৷ বিভিন্ন তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে শুরু হয়েছে তদন্ত৷

                                  [ আরও পড়ুন : ভোটের আগে থিম সং প্রকাশ, মিউজিক ভিডিওয় বিজেপিকে খোঁচা তৃণমূলের]

১৪১, যোধপুর পার্ক৷ এখানকারই একটি অভিজাত আবাসনে থাকতেন সত্তরোর্ধ্ব শ্যামলী ঘোষ৷ ফ্ল্যাটে তিনি একাই থাকতেন বলে জানা গিয়েছে৷ প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার সকালেও তাঁর ফ্ল্যাটে খবরের কাগজ দিতে যান বিক্রেতা৷ বেশ কিছুক্ষণ ডাকাডাকির পরও দরজা না খোলায়, বিক্রেতা আশেপাশের ফ্ল্যাটের বাসিন্দাদের ডাকেন৷ ঘটনার কথা জানান৷ তাঁরাও বেশ খানিকক্ষণ ধরে ডাকাডাকি করেন৷ তবু কোনও উত্তর না পাওয়ায় দরজা ভেঙে ভিতরে ঢোকেন প্রতিবেশীরা৷ দেখা যায়, বিছানায় পড়ে রয়েছে শ্যামলী দেবীর নিথর দেহ৷ এরপরই লেক থানায় খবর দেওয়া হয়৷ পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়৷ খবর দেওয়া হয় শ্যামলী দেবীর বোনকে৷ তিনি কাছাকাছি থাকায়, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ছুটে যান৷ বিভিন্ন সূত্র খতিয়ে দেখে পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, গলায় ফাঁস দিয়ে খুন করা হয়েছে বৃদ্ধাকে৷

                                           [ আরও পড়ুন : শহরে ফের মাদক উদ্ধার, গ্রেপ্তার বাংলাদেশি যুবক]

দক্ষিণ কলকাতার এমন এক অভিজাত আবাসনে এধরনের ঘটনায় সেখানকার নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠে গিয়েছে৷ কিছুটা চাঞ্চল্যও দেখা দেয় অন্যান্য আবাসিকদের মধ্যে৷ সাময়িক উত্তেজনা তৈরি হয়৷ ঘটনার খবর পেয়ে তদন্তের জন্য ঘটনাস্থলে যান কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা প্রধান ও ডিসি সাউথ৷ তাঁদের উপস্থিতিতে বেশ কিছু নমুনা সংগ্রহ করা হয়৷ সেসব খতিয়ে দেখে তদন্তকারীরা একটা বিষয় প্রায় নিশ্চিত যে বৃদ্ধার পরিচিত কেউই তাঁকে খুন করেছেন৷ এবং পরিকল্পনামাফিক খুন করা হয়েছে৷ তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট মিললেই এবিষয়ে একশো শতাংশ নিশ্চিত হওয়া যাবে৷ ঘটনার জেরে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন ওই আবাসনের অন্যান্য আবাসিকরাও৷

                                               [ আরও পড়ুন : ম্যালেরিয়ার আতঙ্ক, পুলিশকর্মীদের মশারি দিয়ে অন্ধ্রে পাঠাল লালবাজার]

শহরের প্রবীণ নাগরিকদের সুরক্ষার জন্য কলকাতা পুলিশের তরফে একাধিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে৷ তাঁদের সাহায্যের জন্য চালু হয়েছে ‘প্রণাম’ অ্যাপ৷ এছাড়া নিকটবর্তী থানার তরফে নিয়মিত যোগাযোগ এবং খবরাখবর রাখা হয় একাকী বৃদ্ধ, বৃদ্ধাদের সম্পর্কে৷ এসব সত্ত্বেও শহরের কেন্দ্রস্থলেই যে প্রবীণরা সুরক্ষিত নন, তা ফের প্রমাণিত হল যোধপুর পার্কের বৃদ্ধার রহস্যমৃত্যুর ঘটনায়৷  

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement