রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়: কাশ্মীরে ভয়াবহ জঙ্গিহানায় সাগরদিঘির ৫ শ্রমিকের মৃত্যুতে শোকে কাতর বাংলা তথা গোটা দেশ। বৃহস্পতিবার সকালেই কুলগাম থেকে কফিনবন্দি হয়ে ফিরেছে পাঁচ শ্রমিকের নিথর দেহ। কাশ্মীরে এই হত্যালীলায় যখন ক্ষোভে ফুসছে দেশ, তখনই রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষের একটি মন্তব্য বিতর্কে ঘৃতাহুতি দিয়েছে। বুধবার খড়গপুরে দাঁড়িয়ে ঘটনার নিন্দা জানাতে গিয়ে বলেন, কাশ্মীরে কোনও বাঙালির মৃত্যু হয়নি। আর তাতেই নিন্দার ঝড় ওঠে রাজনৈতিক মহলে। সোশ্যাল মিডিয়াতেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন নেটিজেনরা। বিতর্কে পড়ে মন্তব্যের সাফাই গাইলেন দিলীপ ঘোষ।
কী বললেন বঙ্গ বিজেপির সভাপতি? তিনি বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গের মুসলমান কাশ্মীরে মারা গেলে সে বাঙালি, কিন্তু রাজস্থান বা গুজরাটে মারা গেলে সে মুসলমান। কেরালায় মারা গেলে সে বাঙালিও না মুসলমানও নয়। বাংলার মিডিয়া এবং তথাকথিত সেকুলার রাজনৈতিক দলগুলি কার স্বার্থে এই ধরণের বিভ্রান্তিমূলক প্রচার চালাচ্ছে?’ প্রসঙ্গত, বুধবার এক সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘কাশ্মীরে কোনও বাঙালি মারা যায়নি। যাঁরা মারা গিয়েছেন তাঁরা শ্রমিক। ওখানে আরও অনেকে মারা গিয়েছে। পাকিস্তানের মদতে সেখানে উগ্রপন্থা চলছে। আমাদের সেনা ও সরকার কাজ করছে। আশা করি দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে।’
[আরও পড়ুন: কফিনবন্দি হয়ে সাগরদিঘি ফিরল রফিকুলরা, কান্নায় ভেঙে পড়ল গোটা গ্রাম]
কিন্তু দিলীপ ঘোষের মন্তব্যে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। এর তীব্র নিন্দা করে তৃণমূল ও কংগ্রেস। সোশ্যাল মিডিয়াতেও সমালোচনা হয় প্রচুর। বিতর্কে জল ঢালতে দিলীপ ঘোষ পালটা বলেন, ‘মুসলমান ছেলেদের প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে মজুরের কাজ করতে পশ্চিমবঙ্গের বাইরে কেন যেতে হচ্ছে? এর জন্য মুখ্যমন্ত্রী দায়ী।’ তাঁর মন্তব্যকে বিকৃতভাবে পেশ করার জন্য সংবাদমাধ্যমকে তুলোধোনা করেন দিলীপ ঘোষ। যদিও তাঁর মন্তব্যের জেরে বিতর্ক থামছে না।
সর্বশেষ খবর
-
‘ভারত থেকে অনেক কামাচ্ছি’, নতুন শুল্ক ঘোষণার পরই ‘প্রিয় বন্ধু’ মোদির প্রশংসায় ট্রাম্প
-
‘উচ্চতর মেধাকে নিম্ন পদে নয়’, উচ্চশিক্ষা গোপন করা নিয়ে ক্ষুব্ধ সুপ্রিম কোর্ট
-
ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকের দিনই তৃণমূলের সাংসদ ভাঙন? জল্পনায় আরও চাপে কালীঘাট!
-
‘সিনেমাতেই মনোযোগ দিতে চাই’, ‘ফুলপিসি’তে বিনির চরিত্রে প্রশংসিত হতেই ভবিষ্যৎ ভাবনা শ্যামৌপ্তির
-
৫ জুন ২০২৬: মীন রাশির আজকের দিন