৭ ভাদ্র  ১৪২৬  রবিবার ২৫ আগস্ট ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়: সাংসদ হয়েই বিদেশ সফরে যাচ্ছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ৷ তাও আবার একেবারে রাষ্ট্রপতির সঙ্গী হয়ে৷ আগামী ২৮ জুলাই রামনাথ কোবিন্দের সঙ্গী হয়ে আফ্রিকা যাচ্ছেন মেদিনীপুরের সাংসদ৷ সূত্রের খবর, তাঁকে রাষ্ট্রপতির সফরসঙ্গী হিসেবে পছ্ন্দ করে দিয়েছেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী৷

[আরও পড়ুন: ‘আইনজীবীদের কথামতো কাজ করব না’, বয়কট প্রসঙ্গে মন্তব্য বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায়ের]

সংঘের জীবন থেকে রাজ্যে দলের সভাপতি৷ সেখান থেকে এবারের লোকসভা নির্বাচনে লড়াই করে মেদিনীপুরের ভূমিপুত্রকে হারিয়ে সাংসদ হওয়া৷ দিলীপ ঘোষের রাজনৈতিক জার্নিটা প্রায় মসৃণ বললে অত্যুক্তি হয় না বোধহয়৷ এবার সেই রাজনৈতিক পথে আরও একটি পালক যুক্ত হল৷ সাংসদ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই একেবারে রাষ্ট্রপতির সফরসঙ্গী হয়ে চলে যাচ্ছেন বিদেশ সফরে৷ ২৬ জুলাই সংসদের অধিবেশন শেষ৷ তারপর আগামী ২৮ জুলাই আফ্রিকা সফরে যাচ্ছেন তিনি৷ ৪ আগস্ট পর্যন্ত দেশের বাইরে থাকবেন৷ ভারত-আফ্রিকা সম্পর্ক দৃঢ় করতে গাম্বিয়া বেনিন-সহ তিনটি দেশে যাবেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ, সর্বসময়ের সঙ্গী দিলীপ ঘোষ৷

আর রাষ্ট্রপতির সঙ্গে এই সফরের জন্য দিলীপ ঘোষের নাম প্রস্তাব করেছেন স্বয়ং নরেন্দ্র মোদি৷ তাঁর সুপারিশেই নির্বাচিত হয়েছেন বাংলার বিজেপি সভাপতি৷ তাই আফ্রিকা সফরের কথা জানতে পেরে দিলীপ ঘোষ সর্বপ্রথম মোদিকেই ধন্যবাদ জানিয়েছেন৷ এমনিতেই মোদির সঙ্গে দিলীপ ঘোষের সুসম্পর্ক রাজনৈতিক মহলে অবিদিত নয়৷ একসঙ্গে উভয়ে সংঘের হয়ে কাজ করতেন৷ সেই থেকে অগ্রজ-অনুজ সম্পর্ক ছাড়িয়ে বন্ধুত্ব হয়েছে উভয়ের৷ অনেকেই বলেন, নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে এই সম্পর্কের জেরেই নাকি দিলীপ ঘোষ রাজ্য সভাপতির পদে এসেছেন৷ নাহলে প্রতিযোগিতায় যাঁরা ছিলেন, তাঁদের হারানো কঠিন ছিল সংঘঘনিষ্ঠ এই নেতার পক্ষে৷ তবে সেসব কাটিয়ে তাঁর উপরেই ভরসা রেখেছে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব৷ আর তার ফলও পেয়েছে হাতেনাতে। অনেক চেষ্টার পর বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে ফুটেছে পদ্মফুল! তারই পুরস্কার কি এই বিদেশ সফর? বিরোধীরা এই প্রশ্নও তুলছেন বটে৷    

[আরও পড়ুন: জরিমানা করেও থামছে না মেট্রোর দরজা আটকানো, প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে চলছে যাতায়াত]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং