Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শহরের বহুতল থেকে উদ্ধার বৃদ্ধার ঝুলন্ত দেহ

অবসাদের জেরে আত্মহনন, দাবি মৃতের স্বামীর।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২১, ২০১৮, ২০:০৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২১, ২০১৮, ২০:০৭

options
link
শহরের বহুতল থেকে উদ্ধার বৃদ্ধার ঝুলন্ত দেহ zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রিজেন্ট পার্ক থানা এলাকায় বহুতল থেকে উদ্ধার বৃদ্ধার ঝুলন্ত দেহ। মৃতের নাম বীণা দত্ত (৬৯)। আত্মঘাতী হয়েছেন ওই বৃদ্ধা। এমনটাই দাবি মৃতের স্বামী অমলেন্দু দত্তের। বুধবার ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ কলকাতার রিজেন্ট পার্ক থানার বহুতলে। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে রিজেন্ট পার্ক থানার পুলিশ। দেহ উদ্ধারের পরে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।

[পঞ্চায়েত ভোটের নিরাপত্তা ইস্যুতে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক নবান্নে]

জানা গিয়েছে, অমলেন্দুবাবু সকালে বাজারে বেরিয়েছিলেন। সেইসময় ঠিকঠাকই ছিলেন স্ত্রী বীণাদেবী। বাজার করে ফেরার পর অনেকক্ষণ কলিংবেল চেপেও ভিতর থেকে কোনও আওয়াজ আসেনি। একটা সময় পর সঙ্গে থাকা আর একটা চাবি দিয়েই দরজা খোলেন ওই বৃ্দ্ধ। ঘরে ঢুকে দেখতে পান শাড়ি সিলিংফ্যানে জড়িয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলছেন স্ত্রী। সঙ্গে সঙ্গেই প্রতিবেশীদের ডাকেন। খবর যায়, থানাতেও। পুলিশ এসে দেহ নামায়। এরপর অমলেন্দুবাবু জানান, দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন বীণদেবী। ওষুধ খেতে খেতে এক ধরনের অবসাদ তাঁকে গ্রাস করেছিল। এর জেরেই সম্ভবত আত্মঘাতী হয়েছেন তিনি।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

উল্লেখ্য, দিন তিনেক আগেই পাঁচতলার ছাদ থেকে পড়ে গিয়ে মৃত্যু হয় এক বৃদ্ধার। ঘটনাস্থল দক্ষিণ কলকাতার গড়িয়া। সেই মৃত্যু আত্মহত্যা নাকি দুর্ঘটনা, তাই নিয়ে সংশয়ে রয়েছে। সন্ধ্যার পর ছাদে উঠে পায়চারি করতে গিয়েই কোনওভাবে নিচে পড়ে যান লিলিদেবী। পড়ার সময় বৈদ্যুতিন তারে সংস্পর্শে এসে জোরে শব্দ হয়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর। সেই সময় লিলিদেবীর ফোন চালু চিল। তিনি কি ফোনে কথা বলতে বলতেই পড়ে গিয়েছিলেন? তদন্তে নেমেছে সোনারপুর থানার পুলিশ। তবে অবসাদে মৃত্যুর ঘটনা বেহালাতেই ঘটেছিল মাসখানেক আগে। ছেলে কর্মসূত্রে ভিনরাজ্যের বাসিন্দা। মেয়ে কাছাকাছি থাকলেও নিয়মিত আসতেন না। একদিন সকালে দেখা গেল স্বামী-স্ত্রী দুজনেই মৃত। স্ত্রীর মৃত্যুর খবর স্বামীই দিয়েছিলেন প্রতিবেশীদের। স্ত্রী বছর দু’য়েক ধরে অসুস্থতাজনিত কারণে শয্যাশায়ী ছিলেন। প্রতিবেশীরা এসে দেখেন স্ত্রীর পাশাপাশি মৃত অবস্থায় পড়ে বাড়ির কর্তাও। পুলিশের অনুমান অবসাদ থেকেই স্ত্রীকে মেরে আত্মঘাতী হয়েছেন ওই ব্যক্তি। ফের অবসাদের জেরে আত্মহননের ঘটনা ঘটল শহরে।

[আলিঙ্গনে ‘শাপমুক্তি’, প্রেম-প্রতিবাদ মিলেমিশেই কলকাতা আবার ‘ভালবাসার শহর’]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.