১ আশ্বিন  ১৪২৬  বৃহস্পতিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তিনদিনের মাথায় হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে বাড়ি ফিরলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। বিকেল তিনটে নাগাদ তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয় হাসপাতাল থেকে। তবে স্ট্রেচারে শুয়েই তাঁকে হাসপাতাল থেকে বেরতে দেখা যায়। আলিপুরের বেসরকারি হাসপাতাল থেকে সোজা বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য চলে যান পাম অ্যাভিনিউয়ে নিজের বাড়িতে।  সেখানেই তিনি চিকিৎসা করাতে চান বলে ঘনিষ্ঠ মহলে ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।

[আরও পড়ুন: দু’দিন পর খুলল চিংড়িহাটা উড়ালপুল, যানজটে এখনও নাকাল যাত্রীরা]

গত শুক্রবার নিউমোনিয়া নিয়ে কলকাতার এক নামী বেসরকারি হাসপাতালে ভরতি করা হয় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে। তাঁর শারীরিক অবস্থার ক্রমশ অবনতি হতে থাকায় একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয় চিকিৎসকদের তরফে। ৮ জনের একটি মেডিক্যাল বোর্ড তৈরি হয়। ৭৫ বছর বয়সী সিপিএম নেতাকে বাইপ্যাপ দেওয়া হচ্ছিল। শ্বাসকষ্ট হওয়ায় দেওয়া হচ্ছিল অক্সিজেন। তাঁর রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা
কমতে থাকে। রক্তচাপ ওঠানামা করতে থাকে। উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন তাঁর স্ত্রী, মেয়ে এবং রাজ্য রাজনীতিতে তাঁর ঘনিষ্ঠ বহু নেতানেত্রী। তাঁর শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর রাখতে নিয়মিত হাসপাতালে হাজির ছিল সিপিএম শীর্ষ নেতৃত্ব। তাঁকে দেখতে গিয়েছিল বিরোধী শিবিরের নেতৃত্বও।

তবে শনিবার রাত থেকে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের অবস্থার উন্নতি হতে থাকে। বাড়তে থাকে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ। রক্তচাপ স্বাভাবিকের পথে। রবিবার অনেকটাই সুস্থ হয়ে ওঠেন তিনি। শ্বাসকষ্টের সমস্যাও ততটা ছিল না। তাই প্রয়োজনমতো অক্সিজেন এবং বাইপ্যাপ দেওয়া হয়। ওইদিন তিনি স্বাভাবিক খাবার খেয়েছেন। মাছ-ভাত এবং আইসক্রিম ছিল খাদ্যতালিকায়। রবিবার থেকেই তিনি বাড়ি যাওয়ার জন্য প্রায়
মরিয়া হয়ে ওঠেন। চিকিৎসকদের জানান, হাসপাতালে নয়, তিনি বাড়িতেই চিকিৎসা করাতে চান। সূত্রের খবর, তাঁর চিকিৎসার জন্য যেন অন্য রোগীদের কোনওরকম অবহেলা বা অসুবিধা না হয়, সেদিকে নজর দেওয়ার জন্যও তিনি চিকিৎসকদের পরামর্শ দেন।

[আরও পড়ুন: পরিবেশ রক্ষার স্বার্থে রবীন্দ্র সরোবরে বন্ধ সমস্ত সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান]

সোমবার সকালে চিকিৎসকরা তাঁর শারীরিক পরীক্ষা করা হয়। নিউমোনিয়া কিছুটা সেরেছে। বুকের সমস্যাও আপাতত নেই। হৃদস্পন্দন, রক্তচাপ, হিমোগ্লোবিনের মাত্রাও স্বাভাবিক। এছাড়া বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য নিজেই মনে করছেন, তিনি বাড়ি ফিরলে আরও দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন। আর প্রয়োজনে বাড়িতেই  চিকিৎসা করাবেন। তাই তাঁর ইচ্ছাকে গুরুত্ব দিয়ে অন্তিমত সোমবারই তাঁকে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় চিকিৎসক দল। খবর পেয়ে  হাসপাতালের বাইরে  জড়ো হন দলের নেতা, কর্মীরা। 

 

অ্যাম্বুল্যান্সে  পাম অ্যাভিনিউয়ে নিজের বাড়িতে ফেরেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। একথা জানতে পেরে বাড়ির সামনেও ভিড় করেন অসংখ্য কর্মী, সমর্থক। তার মধ্যেই পুলিশি নিরাপত্তায় স্ট্রেচারে শুয়ে নিজের ঘরে যান বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য।আপাতত তাঁর চেস্ট ফিজিওথেরাপি বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। প্রয়োজনমতো  চলবে নেবুলাইজার, অক্সিজেনও। 

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং