Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
Ventilation

রোগীকে ভেন্টিলেশনে ঢোকানোর আগে খরচ জানাতে হবে পরিজনকে, নির্দেশিকা কেন্দ্রের

সমস্ত বিষয়ে খতিয়ে দেখে সেই কমিটি তৈরি করেছে নয়া নির্দেশিকা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৩০, ২০২৫, ১৬:৩৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৩০, ২০২৫, ১৬:৩৩

options
link
রোগীকে ভেন্টিলেশনে ঢোকানোর আগে খরচ জানাতে হবে পরিজনকে, নির্দেশিকা কেন্দ্রের zoom
Advertisement

 অভিরূপ দাস: প্রতিটি বেসরকারি হাসপাতালে ভিন্ন ভিন্ন নয়। ভেন্টিলেটরের খরচ সমস্ত বেসরকারি হাসপাতালে হবে সমান। নির্দেশিকা জারি করল ডিরেক্টর জেনারেল অফ হেলথ সার্ভিস। উল্লেখ্য, বেসরকারি হাসপাতালে ভেন্টিলেটর ব্যবহারে নির্দেশিকা তৈরির বিষয়ে একটি কমিটি তৈরি করেছিল ডিরেক্টর জেনারেল অফ হেলথ সার্ভিস। যে কমিটির মাথায় ছিলেন অতিরিক্ত ডিজিএইচএস ডা. সুজাতা চৌধুরী। সমস্ত বিষয়ে খতিয়ে দেখে সেই কমিটি তৈরি করেছে নয়া নির্দেশিকা।

নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, প্রবীণদের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে আইসিইউর চাহিদা। এমতাবস্থায় ভেন্টিলেটর ব্যবহারে নৈতিকতা, স্বচ্ছতা আনতে চায় ডিরেক্টর জেনারেল অফ হেলথ সার্ভিস। একাধিক ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে, ভেন্টিলেটর নিয়ে রোগীর পরিবারের নানান অভিযোগ থাকে। মূল ক্ষোভ, “হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ না বলেই ভেন্টিলেশনে দিয়ে দিয়েছে।” এই প্রক্রিয়ায় চিকিৎসার খরচ বিপুল। আকস্মিক ভেন্টিলেশনে ঢুকিয়ে
দেওয়ায় বিপাকে পড়ে রোগীর পরিবার। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কেন রোগীর ভেন্টিলেশন প্রয়োজন তা রোগীর পরিবারকে স্পষ্টভাবে জানাতে হবে। নিতে হবে লিখিত সম্মতি। আলাদা করে রোগীর পরিবারকে জানাতে হবে ইনভেসিভ, নন-ইনভেসিভ-ভেন্টিলেশনের ব্যয়ের হিসাবও।

Advertisement

কড়া নির্দেশ, “এবার থেকে রোগীর পরিবারকে অবগত করতে হবে ভেন্টিলেটরের লাভ, ভেন্টিলেটরে দেওয়ার পর কী কী ঝুঁকি রয়েছে, সে সম্বন্ধেও।” অনেক সময় ভেন্টিলেটরে দীর্ঘদিন থাকলে রোগীর ভ্যাপ অথবা ভেন্টিলেটর অ্যাসোসিয়েটেড নিউমোনিয়া হয়। সেই ঝুঁকি সম্বন্ধে রোগীর পরিবারকে আগে থাকতেই জানাতে হবে। যদি চিকিৎসকের কোনওরকম সন্দেহ থাকে সেক্ষেত্রে ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টার ট্রায়াল পিরিয়ডে রোগীকে ভেন্টিলেশনে রেখে প্রতিদিন মূল্যায়ন করতে হবে। রোগী ভেন্টিলেশনে ঢুকে গেলে অনেকক্ষেত্রেই দেখা যায় চিকিৎসার পরিকল্পনা সম্বন্ধে অন্ধকারে থেকে যাচ্ছে রোগীর পরিবার। এবার থেকে কোনও রোগীকে ভেন্টিলেশনে দিলে প্রতিদিন রোগীর পরিবারকে রোগীর অবস্থা, ভালো হয়ে ওঠার সম্ভাবনা জানাতে হবে সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের চিকিৎসকদের।

নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ভেন্টিলেটরে ব্যবহৃত সব জিনিসের জন্য (টিউব, ফিল্টার, সার্কিট) আলাদা করে বিল দেখাতে হবে। প্রতিটি বেসরকারি হাসপাতালের ভেন্টিলেটর সংক্রান্ত খরচ বিলিং কাউন্টারের সামনে আর বেসরকারি হাসপাতালের ওয়েবসাইটে থাকতে হবে।

ভেন্টিলেটর নিয়ে রোগীর পরিবারের কোনও নালিশ থাকে। এবার থেকে সে অভিযোগ জানানোরও জায়গা তৈরি করে দিল ডিরেক্টর জেনারেল অফ হেলথ সার্ভিস। নয়া নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ১৪ দিনের বেশি ভেন্টিলেটরে থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে মাসিক অভ্যন্তরীণ অডিট বাধ্যতামূলক। ২ সপ্তাহের বেশি ভেন্টিলেটরে থাকার পরও রোগীর মৃত্যু হলে মাল্টিডিসিপ্লিনারি কমিটি বিষয়টি খতিয়ে দেখবে। রোগীর পরিবার অভিযোগ জানাতে পারবে সেই কমিটির কাছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.