Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
মা দুর্গার বিদেশ পাড়ি

করোনা আবহেও পুজোর গন্ধ কুমোরটুলিতে, স্যানিটাইজার মেখে উমা চললেন ক্যাঙারুর দেশে

এবারে বিদেশ থেকে প্রতিমার বরাত কম, জানাচ্ছেন শিল্পীরা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৫, ২০২০, ১১:৪৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৫, ২০২০, ১১:৪৯

options
link
করোনা আবহেও পুজোর গন্ধ কুমোরটুলিতে, স্যানিটাইজার মেখে উমা চললেন ক্যাঙারুর দেশে zoom
Advertisement

নব্যেন্দু হাজরা: মন ভাল নেই কারও। করোনা আর লকডাউন পর্বে লোকের চাকরি নেই, রুজি-রোজগার নেই, আমফানের তাণ্ডবে অনেকের থাকার ঘরটুকুও নেই। এমন পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে তাই পুজোর কথা ভাবা নেহাত বিলাসিতা ছাড়া আর কিছুই নয়। শহর কলকাতায় এবারের দুর্গাপুজো কীভাবে হবে, সেটাই এখন কোটি টাকার প্রশ্ন। কিন্তু বহু প্রতিকূলতার মধ্যেও পুজোর গন্ধ ঢুকে পড়েছে কুমোরটুলিতে। পটুয়াপাড়া থেকে সোমবারই সপরিবার উমা পাড়ি দিচ্ছে মেলবোর্নে। আট ফুটের ফাইবারের দুর্গা কার্তিক,গণেশ, লক্ষ্মী,সরস্বতীকে নিয়ে রওনা হবেন জাহাজে চেপে। আর উমার এই যাত্রা ঘিরেই লক ডাউনের কুমোরটুলিতে যেন বর্ষায় শরতের প্রবেশ।

Durga1

Advertisement

বিদেশ থেকে আসা প্রতিমার বরাতও এবার অন্যবারের তুলনায় বেশ কম। যে সমস্ত প্রবাসীরা গত বছর নভেম্বর, ডিসেম্বরে অর্ডার দিয়েছিলেন, সেই প্রতিমায় বিদেশে পাড়ি দেওয়া শুরু করছে সোমবার। শুধু কি মেলবোর্ন? জার্মানি, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ইংল্যান্ডেও লকডাউনের মধ্যেই রওনা হবে মা দুগ্গা। তাই এখন চূড়ান্ত ব্যস্ত শিল্পী কৌশিক ঘোষ। তাঁর কথায়, “অন্যবার প্রায় ৩০,৩২ টা প্রতিমা বিদেশে যায়। এবার তা কমে হয়েছে ৮ থেকে ১০ টা। যে অর্ডারগুলো ফেব্রুয়ারিতে আসার কথা ছিল, তার একটাও আসেনি। কারণ বিদেশে তখন করোনা মহামারীর আকার নিয়েছে। পরে তো আমাদের এখানেও।”

[আরও পড়ুন: অলৌকিক কান্ড! কলকাতার রাস্তা থেকে বেমালুম উবে গেল ছায়া]

এবারের পরিস্থিতি আলাদা। তাই প্রতিমা প্যাকিংয়ের সময় মা দুগ্গাকেও ভাল করে স্যানিটাইজার মাখানো হচ্ছে। শিল্পীর কথায়, “আমরা যেখানে সারাক্ষণ হাত দিচ্ছি, স্যানিটাইজার লাগাচ্ছি। মা দুগ্গাই বা বাদ যাবেন কেন!” কৌশিকের আঙিনায় দেখা মিলেছে আমেরিকার পথে পাড়ি দেওয়া ফাইবারের প্রতিমার। দেখলে কে বলবে, এই মা মাটির নন! মুখখানি যেন লাবণ্যে ঢলঢল। গায়ে শাড়ি, জরির গয়না, মাথায় মুকুট। দশ হাতে দশ রকমের অস্ত্র নিয়ে দশপ্রহরণধারিণী।

[আরও পড়ুন: বাংলাদেশি তবলিঘি সদস্যদের নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে কেন্দ্রের নির্দেশেই, সাফ জানাল রাজ্য]

একদিকে যখন উমা পাড়ি দিচ্ছেন মেলবোর্নে , উলটোদিকে কুমারটুলির অন্য অংশে এখনও অন্ধকার। সেভাবে অর্ডার আসেনি এখনও। পুজোর বাকি মাত্র চার মাস। ফলে করোনা পর্ব কাটিয়ে কীভাবে পুজোর আগে সব সেজে উঠবে, তা জানেন না অধিকাংশ শিল্পীই। কারিগররাও নেই এখানে। ফিরে গিয়েছেন দেশে। তাই কীভাবে যে সব ঠিক হবে, তা এখনও অজানা। ভরসা সেই উমাই। তাই মা দুর্গার মুখের দিকে তাকিয়ে গোটা কুমারটুলি। তিনিই পারেন সব ঠিক করে দিতে। এমনই বলছেন শিল্পীরা।

ছবি ও ভিডিও: পিন্টু প্রধান।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.