BREAKING NEWS

১৪ আশ্বিন  ১৪২৭  বৃহস্পতিবার ১ অক্টোবর ২০২০ 

Advertisement

সাতসকালে বালিগঞ্জের মাল্টিপ্লেক্সে দাউদাউ আগুন, আড়াই ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে

Published by: Sucheta Sengupta |    Posted: April 13, 2020 12:46 pm|    Updated: April 13, 2020 2:18 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লকডাউনের মাঝে বালিগঞ্জের এক মাল্টিপ্লেক্সে অগ্নিকাণ্ড। প্রায় আড়াই ঘণ্টা পর দমকলের ১০টি ইঞ্জিনের সাহায্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। প্রেক্ষাগৃহ বন্ধ থাকায় কোনও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। তবে ক্ষয়ক্ষতি ভালই হয়েছে বলে অনুমান কর্তৃপক্ষের। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু।

করোনা মোকাবিলায় দেশজুড়ে চলছে লকডাউনে। রাস্তাঘাটে লোকজন নেই, নেই গাড়িঘোড়াও। সোমবার সকালের দিকে শুনশান দক্ষিণ কলকাতার প্রাণকেন্দ্র বালিগঞ্জ এলাকা। এমন সময়ে আচমকা বালিগঞ্জ ফাঁড়ির কাছে একটি বহুতল থেকে ধোঁয়া বেরতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় দমকলে। প্রথমে কয়েকটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। শুরু হয় আগুন নেভানোর কাজ। কিছুক্ষণের মধ্যেই দমকল কর্মীরা বুঝতে পারেন, আগুনের উৎস বহুতলের মাল্টিপ্লেক্স। ততক্ষণে আরও ছড়িয়ে পড়েছে আগুন। ফলে তা নিয়ন্ত্রণে দমকলের আরও কয়েকটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। টানা আড়াই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন দমকল কর্মীরা। অনুমান, বিধ্বংসী আগুনে প্রেক্ষাগৃহের প্রভূত ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতি হয়েছে বিল্ডিংয়ের নিচে থাকা এক নামী গয়না বিপণীরও।

[আরও পড়ুন: করোনার ত্রাণেও জালিয়াতি! অনলাইন লেনদেনে নজর রাখার নির্দেশ পুলিশ কমিশনারের]

ঘটনার খবর পেয়ে বালিগঞ্জ ফাঁড়িতে যান দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে তিনি জানান, সকালে আগুন লেগেছিল। আড়াই ঘণ্টা পর তা নিভেছে। প্রেক্ষাগৃহ বন্ধ ছিল বলে প্রাণহানি ঘটেনি। তবে তাঁরও অনুমান যে ভিতরে অনেকটাই ক্ষতি হয়েছে। মন্ত্রীর আরও বক্তব্য, মাল্টিপ্লেক্সের ভিতরে প্রবেশ না করলে কতটা ক্ষতি হয়েছে, তা বোঝা যাবে না। কর্তৃপক্ষের প্রতি তাঁর বার্তা, সবটা খতিয়ে দেখা হোক। কী থেকে আগুন লাগল, সে বিষয়ে এখনও নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী সুজিত বসু। মাল্টিপ্লেক্সের অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা যথাযথ ছিল কি না, জানা যায়নি।দমকলের প্রাথমিক অনুমান, শর্ট সার্কিট থেকে কোনওভাবে আগুন লেগে গিয়েছে।

[আরও পড়ুন: করোনা চিকিৎসায় প্লাজমা থেরাপি, রক্ত দিতে আগ্রহী বঙ্গের COVID-19 বিজয়ীরা]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement