Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Bikash Ranjan Bhattacharya

পার্টির রীতি ভেঙে প্রাক্তন সাংসদের পেনশন না নেওয়ার সিদ্ধান্ত বিকাশের! প্রশংসার সঙ্গে উঠছে প্রশ্নও

রীতি ভাঙা নিয়ে বিকাশ ভট্টাচার্য বলেছেন, "আমার পেনশনের প্রয়োজন নেই। তাই নেব না। সব কিছুতে পার্টির অনুমোদন লাগে নাকি! এটা আমার সিদ্ধান্ত।”

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৭, ২০২৬, ১৪:১২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৭, ২০২৬, ১৪:১২

options
link
পার্টির রীতি ভেঙে প্রাক্তন সাংসদের পেনশন না নেওয়ার সিদ্ধান্ত বিকাশের! প্রশংসার সঙ্গে উঠছে প্রশ্নও zoom
বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। ফাইল ছবি।

প্রাক্তন সাংসদ হিসাবে পেনশন নেবেন না আইনজীবী তথা সিপিএম নেতা বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য (Bikash Ranjan Bhattacharya)। রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ হিসাবে এই পেনশন না নেওয়ার সিদ্ধান্তের বিষয়টি চিঠি লিখে রাজ্যসভার সচিবালয়কে জানিয়েও দিয়েছেন তিনি। আর যাদবপুরের বিজেপি প্রার্থী বিকাশ ভট্টাচার্যর এই সিদ্ধান্ত নিয়ে পার্টির মধ্যেও চর্চা শুরু হয়ে গিয়েছে।

কারণ, সিপিএমের কেউ জনপ্রতিনিধি হলে বেতন বা বিভিন্ন কমিটির ভাতা পার্টিকে দিতে হয়। আবার প্রাক্তন জনপ্রতিনিধি হলে বিধায়ক বা সাংসদের ক্ষেত্রে পেনশনও দিতে হয় পার্টিকে। তা থেকে একটি অংশ সংশ্লিষ্ট ওই জনপ্রতিনিধিকে দেয় পার্টি। যেমন মহম্মদ সেলিম, সুজন চক্রবর্তী, শমীক লাহিড়ী, রামচন্দ্র ডোমরা প্রাক্তন সাংসদ হিসাবে তাঁদের প্রাপ্ত পেনশন পার্টিকেই দিয়ে দেন। এই অর্থে পার্টির হোলটাইমার বা সর্বক্ষণের কর্মীদের মাসিক পারিশ্রমিক দেওয়া হয়। কিন্তু বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য (Bikash Ranjan Bhattacharya) দলের বিধির বিপরীতে গিয়ে কেন এই ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্ত নিলেন তা নিয়ে পার্টির অন্দরে প্রশ্ন উঠেছে। যদিও বিকাশের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে সমাজমাধ্যমে বাম কর্মী-সমর্থকরা ‘ব্যতিক্রমী’ প্রচার হিসাবে তুলে ধরছে।

Advertisement

২০২০ সাল থেকে রাজ্যসভার সাংসদ ছিলেন বিকাশ। সদ্যই তাঁর মেয়াদ ফুরিয়েছে। বর্তমানে তিনি বিধানসভা নির্বাচনে যাদবপুর কেন্দ্রে সিপিএমের প্রার্থী হিসাবে লড়ছেন। তাঁর এই সিদ্ধান্ত নিয়ে সংবাদমাধ্যমে বিকাশ ভট্টাচার্য বলেছেন, “আমার পেনশনের প্রয়োজন নেই। তাই নেব না। সব কিছুতে পার্টির অনুমোদন লাগে নাকি! এটা আমার সিদ্ধান্ত।”

বস্তুতই বিকাশের পেনশনের প্রয়োজন নেই। নির্বাচনী হলফনামায় বিকাশ জানিয়েছেন, চলতি অর্থবর্ষে তাঁর আয়ের পরিমাণ ২ কোটি ৯ লক্ষ ৯৩ হাজার ৯৭ টাকা। হলফনামা জমা দেওয়ার সময় তাঁর হাতে নগদ ছিল ৬৭ হাজার ৩৯১ টাকা। তাঁর মোট ৭ টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট রয়েছে। পিএনবির মুকুন্দপুর শাখায় রয়েছে ৪ কোটি ৬৩ লক্ষ ০৭ হাজার ২৩৭ টাকা। একটি কো অপারেটিভ ব্যাঙ্কে রয়েছে ১১ লক্ষ ৮৪ হাজার ৩৮৪ টাকা। স্টেট ব্যাঙ্কে রয়েছে ২৩ লক্ষ ১২ হাজার ১৯১ টাকা। সেখানেই ফিক্সড ডিপোজিট রয়েছে ১১ লক্ষ ২২ হাজার ৬৪৭ টাকা। স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাঙ্কে রয়েছে ৮ লক্ষ ৫১ হাজার ১৩৫ টাকা। রাজ্যসভার সাংসদ হিসেবে বেতন পেতেন যে অ্যাকাউন্টে সেখানে রয়েছে ৩৩ লক্ষ ৬০ হাজার ৩২০ টাকা। এছাড়া একাধিক ক্ষেত্রে বিনিয়োগ রয়েছে তাঁর। গাড়ি রয়েছে ২ টি। যার মধ্যে একটি অডি। যার দর ৭২ লক্ষ টাকা। তবে সোনা নেই। হলফনামা অনুযায়ী বিকাশের মোট অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ১৪ কোটি ২৩ লক্ষ ৪৬ হাজার ২৮৮ টাকা। স্বভাবতই সামান্য পেনশনের দরকার বিকাশবাবুর নেই।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.