Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৯ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২৫ জুন ২০২৬
তারাতলা বিভীষিকা
Taratala Disaster

দুপুরে হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রীর, তারাতলা কাণ্ডে সন্ধ্যায় আটক ‘ক্যামাক স্ট্রিটের কালী’

কলকাতার প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিমের পিএ কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় ওরফে কালীকে আটক করল বিশেষ তদন্তকারী দল তথা সিট।

Advertisement
অর্ণব আইচ
অর্ণব আইচ

শেষ আপডেট: জুন ২৫, ২০২৬, ২০:৫২

link
অর্ণব আইচ
অর্ণব আইচ

শেষ আপডেট: জুন ২৫, ২০২৬, ২০:৫২

options
link
দুপুরে হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রীর, তারাতলা কাণ্ডে সন্ধ্যায় আটক ‘ক্যামাক স্ট্রিটের কালী’ zoom
ফাইল ছবি।

দুপুরেই বিধানসভায় হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আর সন্ধ্যায় কলকাতার প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিমের প্রাক্তন ওএসডি কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় ওরফে কালীকে আটক করল বিশেষ তদন্তকারী দল তথা সিট। তারাতলা বিপর্যয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তারাতলায় নির্মীয়মান গোডাউন ভেঙে পড়ার ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত বহু শ্রমিক। আজ দুপুরেই তারাতলা বিপর্যয় নিয়ে বিধানসভায় নথি তুলে ধরে ফিরহাদ হাকিমকে আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। প্ল্যানে ফিরহাদের সই রয়েছে বলেও জানিয়েছিলেন তিনি। এরপরই তাঁর মুখে শোনা যায় কালীর কথা। সেই সূত্র ধরেই তারাতলা বিপর্যয়েও জড়িয়ে যায় ‘কালীঘাট তৃণমূলে’র সেকেন্ড ইন কম্যান্ড অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্যায়ের নাম। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ক্যামাক স্ট্রিটের নির্দেশেই পুরসভায় নিয়োগ করা হয়েছিল কালীকে। আর কালী জানে না এমন কোনও বিল্ডিং কলকাতায় নেই। সব বিল্ডিংয়ের অনুমোদন হত ওর কথায়।” বিধানসভায় দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “কালীকে ধরলেই সব সামনে চলে আসবে।” দুপুরেই মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের কয়েকঘণ্টার মধ্যে কালী ওরফে কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে আটক করল সিট।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

জানা গিয়েছে, ২০০৩ সালে ওয়েস্ট বেঙ্গল সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় পশ্চিমবঙ্গ থেকে দ্বিতীয় হন কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়। যোগ দেন ভূমি রাজস্ব দপ্তরে। এরপর ২০০৬ সালে ওয়েস্ট বেঙ্গল পুলিশ সার্ভিস পরীক্ষায় বসেন। তাতে প্রথম হয়ে ২০০৮ সালে রাজ্য পুলিশে যোগ দেন। কিন্তু প্রশিক্ষণের সময় তা ছেড়ে দেন বিশেষ কারণে। ওই বছরই ফের ভূমি রাজস্ব দপ্তরে ফিরে যান তিনি। সূত্রের খবর, ২০১০ সাল থেকে পুরসভায় কাজ শুরু কালীচরণের। সেই সময় মেয়র পারিষদ ছিলেন ফিরহাদ। কালীচরণ ছিলেন ফিরহাদের আপ্ত সহায়ক। ২০১৮ সালে কলকাতা পুরনিগমের মেয়র হন ফিরহাদ হাকিম। শোনা যায়, ক্যামাক স্ট্রিটের নির্দেশেই সেই সময় কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিজের ওএসডি পদে নিয়ে আসেন ফিরহাদ হাকিম।

বিল্ডিংয়ের নকশা পাশ থেকে শুরু করে পুরসভার সব কাজে প্রভাব ছিল কালীচরণের। তাঁর অঙ্গুলিহেলনেই সব কাজ চলত। তাঁর বিরুদ্ধে মুখ খোলার সাহস পেতেন না কেউ। তাঁর অনুমতি ছাড়া ফিরহাদ হাকিমের সঙ্গে দেখা করা যেত না। তারাতলা কাণ্ডে বিধানসভায় কালীচরণের নাম প্রকাশ্যে আনেন মুখ্যমন্ত্রী। এরপরই তাঁকে আটক করল সিট। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.