২০ শ্রাবণ  ১৪২৭  বুধবার ৫ আগস্ট ২০২০ 

Advertisement

রাতারাতি প্রত্যাহার করা হল শোভনের নিরাপত্তা, রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন

Published by: Sulaya Singha |    Posted: August 17, 2019 9:56 pm|    Updated: August 17, 2019 10:01 pm

An Images

স্টাফ রিপোর্টার: রাতারাতি প্রত্যাহার করে নেওয়া হল কলকাতার প্রাক্তন মেয়র ও মন্ত্রী শোভন চট্টোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা। রাজ্য সরকারের এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠে গেল রাজনৈতিক মহলে।

মাস কয়েক আগেও জীবনহানির আশঙ্কা থাকায় গোয়েন্দা রিপোর্টের ভিত্তিতে নবান্নের তরফে শোভনকে জেড প্লাস ক্যাটাগরির নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছিল। মন্ত্রিত্ব ও মেয়র পদে ইস্তফা দিলেও দীর্ঘদিন তাঁর ওয়াই ক্যাটাগরি নিরাপত্তা ছিল। মাস দু’য়েক আগে তাও প্রত্যাহার করে নিয়ে শুধুমাত্র বিধায়কের নিরাপত্তা চালু রেখেছিল রাজ্য সরকার। তবে দু’দিন আগে দিল্লিতে গিয়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পরেই তাঁর সমস্ত নিরাপত্তা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকেও জানিয়ে দিয়েছে নবান্ন। খবর পেতেই এক মুহূর্ত অপেক্ষা না করে নিজের দীর্ঘদিনের নিরাপত্তারক্ষীদের চলে যেতে বলেন কলকাতার প্রাক্তন মেয়র। খোদ গোয়েন্দামহলেই প্রশ্ন উঠেছে রাজ্য সরকারের এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে। তবে এই নিয়ে এখনও পর্যন্ত শোভন নিজে কোনওরকম মন্তব্য করেননি।

[আরও পড়ুন: লাইনে জল জমে বিঘ্নিত ট্রেন চলাচল, পাম্প চালিয়ে সমাধানের চেষ্টায় রেল]

প্রশ্ন, কী এমন পরিবর্তন হল যে রাতারাতি একজন মানুষের প্রাণহানির আশঙ্কা মুহূর্তে উধাও হয়ে গেল? মন্ত্রী ও মেয়র থাকার সময় সুন্দরবন থেকে শুরু করে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় এমন অনেক সিদ্ধান্ত শোভন নিয়েছিলেন যার কারণে স্বার্থান্বেষী মহলের অনেকে বাড়াভাতে ছাই দিয়েছিলেন। কলকাতায় জলা ভরাট বন্ধ করে প্রোমোটরদের রক্ত চক্ষুর শিকার হয়েছিলেন তিনি। জমি মাফিয়াদের অনেক পরিকল্পনা ভেস্তে দিয়েছিলেন কলকাতার এক সময়ের মেয়র। বস্তুত সেই কারণে গোয়েন্দা রিপোর্টের ভিত্তিতে জেড প্লাস ক্যাটাগরির নিরাপত্তা দিয়েছিল নবান্ন। মাত্র দু-তিন মাসে সেই অবস্থার পরিবর্তন যে হয়নি তা স্বীকার করেন অনেকেই। তাহলে? অবশ্য কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক মাস কয়েক আগের সেই গোয়েন্দা রিপোর্টকে এখনও সমান গুরুত্ব দিচ্ছে। তাই রাজ্য সরকার নিরাপত্তারক্ষীদের প্রত্যাহার করে নিলেও বিকল্প নিরাপত্তা দেওয়ার ভাবনা শুরু হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে।

[আরও পড়ুন: সাংগঠনিক নির্বাচনে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব বরদাস্ত নয়, কড়া বার্তা বঙ্গ বিজেপির]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement