Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

ফ্রেন্ডশিপ ক্লাবের নামে যুবককে প্রতারণা, পুলিশের জালে ২ তরুণী

নাম ভাঁড়িয়ে মধ্যবিত্ত যুবকদের ফোন করে দেখানো হত প্রচুর অর্থের লোভ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৩, ২০১৭, ১৪:২৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৩, ২০১৭, ১৪:২৮

options
link
ফ্রেন্ডশিপ ক্লাবের নামে যুবককে প্রতারণা, পুলিশের জালে ২ তরুণী zoom

অর্ণব আইচ: ফ্রেন্ডশিপ ক্লাবের সদস্য করিয়ে দেওয়ার নাম করে এক যুবককে প্রতারণার দায়ে ২ মহিলা-সহ মোট তিনজনকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। ওই দুই মহিলা বড়বাজারের বাসিন্দা রাম পুকার মণ্ডল(বয়স ২৬) নামে এক যুবককে নাম ভাঁড়িয়ে ফোন করে। সাধারণ মধ্যবিত্ত ঘরের যুবক রাম পুকারকে লোভ দেখানো হয়, এককালীন ১১০০ টাকা দিলে তাঁকে ‘অল ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ ক্লাব’-এর সদস্যপদ দেওয়া হবে। ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট বা পেটিএমের মাধ্যমে ওই টাকা জমা দিতে বলা হয়। একবার ওই ক্লাবের সদস্য হয়ে গেলে মাস গেলে ওই যুবক ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা আয় করতে পারবেন বলে টোপ দেওয়া হয়।

 

Advertisement

[রোল কলের জবাবে ‘জয় হিন্দ’ বলুক পড়ুয়ারা, নিদান মন্ত্রীর]

ওই প্রস্তাবে রাজি হয়ে যান রাম পুকার। তাঁকে লোভ দেখানো হয়, ফ্রেন্ডশিপ ক্লাবের সদস্য হলে উচ্চবিত্ত মহিলাদের সঙ্গে ডেটিংয়ে যাওয়ার সুযোগ মিলবে। দুষ্কৃতীদের মধ্যে এক মহিলা ‘রিয়া’ নাম ভাঁড়িয়ে ফোন করে রাম পুকারকে। এমনকী, তাঁকে যৌন মিলনের প্রস্তাবও দেওয়া হয়। লোভের ফাঁদে পা দিয়ে টাকা দিয়ে ফেলেন ওই যুবক। আর তার পরেই প্রত্যাশামাফিক বন্ধ হয়ে যায় দুষ্কৃতীদের ফোনগুলি। অকেজো হয়ে যায় নম্বর। টাকা দেওয়ার পর বারবার ফোন করেও কোনও উত্তর মেলে না। শেষ পর্যন্ত ফের রাম পুকারের কাছে আরও ১০,৫০০ টাকা চাওয়া হয়।

এখানেই তাল কাটে। আক্রান্ত যুবক বুঝতে পারেন, কোথাও একটা তাঁকে ঠকানো হচ্ছে। তিনি পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন। বুধবার সুভাষ গুছাইত ওরফে ঋক, চন্দ্রাণী ওরফে মাম্পি ও রাখী বসাককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, ওই তিনজন মিলে ‘অল ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ ক্লাব’-এর নামে একটি ভুয়ো অফিস খুলে বসে বাঁশদ্রোণির সতীন্দ্রপল্লিতে। ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে বহু জাল সিম কার্ড ও বেশ কয়েকটি মোবাইল ফোন। প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ জানতে পেরেছে, সুভাষ ও চন্দ্রাণী এই চক্রের মূল পাণ্ডা। অন্যদিকে, রাখী এই সংস্থায় টেলিকলারের কাজ করত। তার মূল কাজ ছিল, নাম ভাঁড়িয়ে যুবকদের ফোন করে যৌন তৃপ্তি পাওয়ার লোভ দেখানো। ধৃত তিনজনকেই আগামিকাল আদালতে পেশ করা হবে।

tele

[এবার বাজারে আসছে নয়া ১০০ টাকার কয়েন, জানেন দেখতে কেমন?]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.