২ অগ্রহায়ণ  ১৪২৬  মঙ্গলবার ১৯ নভেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়: কিছুদিন আগে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ‘এক দেশ এক ভাষা’ তত্ত্ব সামনে এনে বিতর্কের সৃষ্টি করেছিলেন। সেই ইস্যুতে বাংলার পাশাপাশি দক্ষিণ ভারতের রাজ্যগুলিতে বিক্ষোভ প্রদর্শন হয়েছিল। এবার জয়েন্ট এন্ট্রান্সের ভাষা নিয়ে তৈরি হল নয়া বিতর্ক। ২০২০ সালের সারা ভারত জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষা হওয়ার কথা হিন্দি, ইংরাজি ও গুজরাটিতে। তাতেই বিতর্কের পারদ চড়েছে। প্রাদেশিকতার অভিযোগ তুলে সমালোচনায় সরব হয়েছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সুরেই একইভাবে প্রতিবাদ জানিয়েছেন রাজ্য বিধানসভায় বামেদের পরিষদীয় নেতা সুজন চক্রবর্তী।

জয়েন্ট এন্ট্রান্সের ইস্যুতে প্রতিবাদ জানিয়ে টুইট করেছে অভিষেক। তিনি লিখেছেন, ‘সবার সমানাধিকারের কথা বলা হয়েছে সংবিধানে। তাহলে হিন্দি, ইংরাজি ও গুজরাটি ভাষায় কেন জয়েন্ট এন্ট্রান্স হবে? ২০২০ সালে জয়েন্ট পরীক্ষা অবশ্যই বাংলা, উড়িয়া, কন্নড়, তেলুগু, তামিল, মারাঠি-সহ সব ভাষাতেই হওয়া উচিত। ভাষাগত বৈষম্য অসাংবিধানিক।’

এইভাবে টুইট করে প্রশ্ন তুলেছেন সুজন চক্রবর্তী। তিনি লেখেন, ‘সারা দেশে জয়েন্ট এন্ট্রান্স কীভাবে ইংরাজি, হিন্দি ও গুজরাটিতে হতে পারে? গুজরাটের তুলনায় বাংলাভাষী পরীক্ষার্থী দ্বিগুণ ও মারাঠিভাষী তিনগুণ বেশি। আঞ্চলিক বৈষম্য নিপাত যাক।’

প্রসঙ্গত, ভাষাগত বৈষম্য নিয়ে বিভিন্ন রাজ্য বিশেষ করে পূর্ব ও দক্ষিণ ভারতে সোচ্চার সাধারণ মানুষ। বিরোধীদের অভিযোগ, এইভাবে সুকৌশলে গোটা ভারতে ‘এক দেশ এক ভাষা’ নীতি চাপিয়ে দিতে চাইছে কেন্দ্র। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যেও এর আগে সেই বিষয়টি প্রকাশ্যে এসেছে। গোদের উপর বিষফোঁড়ার মতো জয়েন্ট এন্ট্রান্সে ভাষাগত বৈষম্য নিয়ে বিতর্ক এবার এই ইস্যুতে ঘৃতাহুতি করল বলাই যায়।

[আরও পড়ুন: রাজ্যের মন্ত্রী-আমলারা হোয়াটসঅ্যাপে কল করেন বিজেপি নেতাদের, দাবি সায়ন্তনের]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং