BREAKING NEWS

৭ আশ্বিন  ১৪২৭  বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

রাজ্যের মন্ত্রী-আমলারা হোয়াটসঅ্যাপে কল করেন বিজেপি নেতাদের, দাবি সায়ন্তনের

Published by: Subhamay Mandal |    Posted: November 6, 2019 10:53 am|    Updated: November 6, 2019 10:53 am

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফোনে আড়ি পাতা নিয়ে তৃণমূল-বিজেপি চাপানউতোর অব্যাহত। রাজ্যপাল, বাবুল সুপ্রিয়র পর এবার আরেক বিজেপি নেতা মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সরব এই ইস্যুতে। রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসুর দাবি, এ রাজ্যে ফোন ট্যাপিংয়ের ব্যবস্থা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মন্ত্রী-আমলাদের ফোনে আড়ি পাতা হয়। তাই তাঁরা রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ এবং সায়ন্তন বসুকে নাকি হোয়াটসঅ্যাপে কল করেন। কথোপকথন ফাঁস হয়ে যাওয়ার ভয়েই নাকি মন্ত্রী-আমলারা হোয়াটসঅ্যাপে কল করেন। যদিও ইজরায়েলি সংস্থা এনএসও’র বিরুদ্ধে বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের হোয়াটসঅ্যাপে নজরদারির অভিযোগ উঠেছে। যে ইস্যুতে বর্তমানে উত্তাল জাতীয় রাজনীতি।

সায়ন্তন বসু দাবি করেছেন, ‘মন্ত্রী, আইএএস-আইপিএস অফিসাররা হোয়াটসঅ্যাপে আমাকে ও রাজ্য সভাপতিকে কল করেন। সাধারণ ভাবে কল করা যাবে না বলে জানিয়েছেন তাঁরাই। শীর্ষ আধিকারিকদেরও ফোন ট্যাপ করেন মুখ্যমন্ত্রী। দিলীপবাবুর সঙ্গে কথা বলতে গেলে অন্য একটা নম্বরে ফোন করতে হয়।’ প্রসঙ্গত, গত শনিবার ফোনে আড়ি পাতা নিয়ে সরাসরি কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন মমতা। বলেন, “আমার ফোন ট্যাপ হচ্ছে। আমার কাছে খবর আছে। কী পাবে ফোন ট্যাপ করে? সরকারই তো আমার ফোন ট্যাপ করছে।” প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

[আরও পড়ুন: ‘বাংলাতেও অনেকের গোপনীয়তা খর্ব হয়েছে’, ফোন ট্যাপিং নিয়ে পালটা রাজ্যপালের]

তাঁর অভিযোগের প্রেক্ষিতে পালটা প্রশ্ন ছুঁড়েছেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেছেন, ‘ফোন ট্যাপের কথা তো তিনি আগেও বলেছেন। কোনও প্রমাণ আছে কি?’ এরপরই তাঁর কটাক্ষ, ‘হেরে হতাশ হয়ে এসব উলটো-পালটা কথা বলে মানুষ। এসব কথা না বলে যেটুকু সময় আছে ঠিকঠাক কাজ করুন।’ এদিকে, ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটে ২০০টি আসন জয়ের টার্গেট নিয়েছেন বঙ্গ বিজেপির নেতারা। সায়ন্তন বসুর দাবি, ২০০টি আসন পাবেনই। তৃণমূল ৩০-ও পেরোবে না। তাদের হারানোর জন্য যা যা দরকার তার সব ব্যবস্থা হবে।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement