Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩২ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬
Calcutta High Court

এখনই জাতিগত সব শংসাপত্র যাচাই নয়, রাজ্যের বিজ্ঞপ্তিতে স্থগিতাদেশ হাই কোর্টের

জাতিগত শংসাপত্র যাচাইয়ের জন্য রাজ্য সরকার বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল। সেই বিজ্ঞপ্তির উপরে এবার অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ জারি করল কলকাতা হাইকোর্ট। রাজ্যের পালাবদলের পর বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর গত ১৪ মে ওই বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল।

গোবিন্দ রায়
গোবিন্দ রায়

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৮, ২০২৬, ১৪:৩৫

link
গোবিন্দ রায়
গোবিন্দ রায়

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৮, ২০২৬, ১৪:৩৫

options
link
এখনই জাতিগত সব শংসাপত্র যাচাই নয়, রাজ্যের বিজ্ঞপ্তিতে স্থগিতাদেশ হাই কোর্টের zoom
রাজ্যের বিজ্ঞপ্তিতে স্থগিতাদেশ হাই কোর্টের।
Advertisement

জাতিগত শংসাপত্র যাচাইয়ের জন্য রাজ্য সরকার বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল। সেই বিজ্ঞপ্তির উপরে এবার অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ জারি করল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। রাজ্যের পালাবদলের পর বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর গত ১৪ মে ওই বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল। এদিন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, ওই বিজ্ঞপ্তির প্রেক্ষিতে আপাতত কোনও পদক্ষেপ করা যাবে না।

শুভেন্দু অধিকারীর সরকার ক্ষমতায় আসার পরই একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে থাকে। জাতিগত শংসাপত্র নিয়ে জোর চর্চা চলছিল। তৃণমূল আমলে জাতিগত শংসাপত্র সঠিক নিয়মে দেওয়া হয়নি, সেই অভিযোগও উঠেছিল। নতুন রাজ্য সরকার ক্ষমতায় এসেই এই বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করে। জানানো হয়, ২০১১ সাল থেকে রাজ্যে তফসিলি জাতি, উপজাতি এবং অন্য অনগ্রসর শ্রেণির যে সব শংসাপত্র দেওয়া হয়েছে, সেসব যাচাই করা হবে। শুধু তাই নয়, যাচাইয়ের ক্ষেত্রে কোনও শংসাপত্র ‘ভুয়ো’ দেখা গেলে, বাতিলও হতে পারে! সেই কথাও জানানো হয়।

Advertisement

সেই বিজ্ঞপ্তির পরই কলকাতা হাই কোর্টে মামলা দায়ের হয়। প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি শুরু হয়। মামলাকারী পক্ষের আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য সওয়াল করেন। এই বিজ্ঞপ্তিতে বহু মানুষের শংসাপত্র বাতিলের আশঙ্কাপ্রকাশ করা হয়। রাজ্য সরকারের এভাবে শংসাপত্র বাতিল করার ক্ষমতা নেই, সেই সওয়াল আদালতে করা হয়। রাজ্যের তরফে অ্যাডভোকেট জেনারেল সুরজিৎনাথ মিত্র আদালতে পালটা সওয়াল করেছিলেন। ভোটার-আধার কার্ড-সহ অন্য নথি এবং জাতিগত পারিবারিক বিষয় যাচাই করে রাজ্য সরকার এই ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে পারে, সেই কথা জানানো হয়েছিল। যদিও সেই বক্তব্যকে তেমন একতা গুরুত্ব দেয়নি হাই কোর্ট। প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ রাজ্য সরকারের ওই নির্দেশের উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ জারি করল। এখনই কোনও পদক্ষেপ ওই বিজ্ঞপ্তির প্রেক্ষিতে নিতে পারবে না রাজ্য সরকার।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.