Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Justice Abhijit Ganguly

ফের বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশের উপর স্থগিতাদেশ! বন্ধ বেআইনি নির্মাণ ভাঙার কাজ

আগামী একসপ্তাহের জন্য বহাল থাকবে এই নির্দেশিকা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৮, ২০২৩, ১৪:৪৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৮, ২০২৩, ১৪:৪৯

options
link
ফের বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশের উপর স্থগিতাদেশ! বন্ধ বেআইনি নির্মাণ ভাঙার কাজ zoom

গোবিন্দ রায়: ফের বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশের উপর স্থগিতাদেশ! লিলুয়ায় ‘বেআইনি’ নির্মাণ ভাঙায় অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। আগামী একসপ্তাহের জন্য বহাল থাকবে এই নির্দেশিকা। তবে মঙ্গলবার আদালতে মূল অভিযোগকারী উপস্থিত না থাকায় পিছিয়ে গিয়েছে শুনানি।

এদিকে খড়দহে ক্লাব ঘর ভাঙার নির্দেশের উপরও স্থগিতাদেশ জারি করেছে কলকাতা হাই কোর্ট। সিঙ্গেল বেঞ্চের নির্দেশের ওপর স্থগিতাদেশ জারি করল বিচারপতি অরিজিৎ বন্দোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ। গত বৃহস্পতিবার বড়বাড়ি যুবক সমিতির নির্মীয়মান ক্লাব ঘর ভেঙে দিতে নির্দেশ দেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। 

Advertisement

[আরও পড়ুন: জিলেটিন স্টিক উদ্ধার মামলা: তিহাড়ে গিয়ে অনুব্রত-সায়গলকে জেরা করবে NIA]

উল্লেখ্য, লিলুয়ায় একটি বেআইনি নির্মাণ ভেঙে দেওয়ার দাবি জানিয়ে মামলা দায়ের করেন সন্ধ্যা ঘোষ নামে এক মহিলা। সিঙ্গল বেঞ্চ ওই বেআইনি নির্মাণ ভেঙে দেওয়ার নির্দেশ দেয়। বিচারপতি রাই চট্টোপাধ্যায় ও বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চও ওই রায় বহাল রাখে। গত ৪ সেপ্টেম্বর বালি পুরসভার তরফে বেআইনি নির্মাণ ভাঙতে যাওয়া হয়। তবে বেআইনি নির্মাণ ভাঙা সম্ভব হয়নি। পুলিশের সাহায্য ছাড়া তা সম্ভব নয় বলেই জানিয়ে দেয় পুরসভা। পরের শুনানিতে বেআইনি নির্মাণ নিয়ে সরব হন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁর পর্যবেক্ষণ, “একটাও বেআইনি নির্মাণ কোথাও থাকবে না। হাওড়ায় আমার নিজের বাড়ি আছে সেটাও যদি বেআইনি হয়, তাহলে তা বুলডোজার দিয়ে ভেঙে দিতে হবে।”

[আরও পড়ুন: গাজায় বাড়ল যুদ্ধবিরতির মেয়াদ, হামাসের কবল থেকে মুক্তি পাবেন আরও পণবন্দি]

আদালতের নির্দেশ মেনে শুক্রবার বালি পুরসভার কর্মীরা লিলুয়া থানার পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে ওই বেআইনি নির্মাণ ভাঙতেও গিয়েছিল। কিন্তু সেদিন পুলিশ প্রশাসনের কাছে আদালতের লিখিত নির্দেশিকা না থাকায় ওই আবাসনের বাসিন্দারা ভাঙতে দেননি। অবশেষে শনিবার এক ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে ওই চারতলা আবাসনের বেআইনি অংশ ভাঙার কাজ শুরু হয়। তবে ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশে আপাতত তা স্থগিত হয়ে গেল।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.