Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
Kolkata Police Commissioner

‘রাস্তাই পুলিশের অফিস’, দায়িত্ব নিয়েই আধিকারিকদের প্রাথমিক পাঠ দিলেন নয়া পুলিশ কমিশনার

সদ্য অবসর নিয়েছেন আইপিএস রাজীব কুমার। তাঁর পরবর্তী সময়ে রাজ্য পুলিশের ডিজি কে হবেন, তা নিয়ে টানাপোড়েন চলছিল। তার মাঝেই শুক্রবার পুলিশ প্রশাসনে বড়সড় রদবদল করা হয়।

অর্ণব আইচ
অর্ণব আইচ

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩১, ২০২৬, ২১:৫৩

link
অর্ণব আইচ
অর্ণব আইচ

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩১, ২০২৬, ২১:৫৩

options
link
‘রাস্তাই পুলিশের অফিস’, দায়িত্ব নিয়েই আধিকারিকদের প্রাথমিক পাঠ দিলেন নয়া পুলিশ কমিশনার zoom
কলকাতা পুলিশ কমিশনার সুপ্রতিম সরকার। ফাইল ছবি।
সৌজন্য: ছবি: সুখময় সেন।
Advertisement

কলকাতা পুলিশ কমিশনার হিসাবে শুক্রবারই তাঁর নাম ঘোষণা হয়। এরপরেই আজ শনিবার সেই দায়িত্ব বুঝে নিলেন সুপ্রতিম সরকার। আর এরপরেই সমস্ত থানা ও ট্র্যাফিক গার্ডের আধিকারিকদের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক সারলেন তিনি। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সেই বৈঠক হয়। যেখানে আধিকারিকদের কড়া নির্দেশ দিয়েছেন নবনিযুক্ত কলকাতা পুলিশ কমিশনার সুপ্রতিম সরকার। পাশাপাশি পুলিশের প্রাথমিক দায়িত্বও মনে করিয়ে ওই বৈঠকে তিনি বলেন, ”রাস্তা হল পুলিশকর্মীদের আসল কার্যালয়, তাই সাধারণ মানুষকে যথাসম্ভব সাহায্য করাই পুলিশের প্রাথমিক দায়িত্ব হওয়া উচিত।” পাশাপাশি এদিন পুলিশ ট্রেনিং স্কুল এবং আলিপুর বডিগার্ড লাইনে পরিদর্শনে যান সুপ্রতিম সরকার। যেখানে পুলিশকর্মীদের বারাকের পরিচ্ছনতার উপর জোর দেন তিনি।  

সদ্য অবসর নিয়েছেন আইপিএস রাজীব কুমার। তাঁর পরবর্তী সময়ে রাজ্য পুলিশের ডিজি কে হবেন, তা নিয়ে টানাপোড়েন চলছিল। তার মাঝেই শুক্রবার পুলিশ প্রশাসনে বড়সড় রদবদল করা হয়। ভারপ্রাপ্ত ডিজি পদে নিয়ে আসা হয় আইপিএস পীযূষ পাণ্ডেকে। একইসঙ্গে কলকাতা পুলিশের কমিশনার-সহ আরও বেশ কয়েকটি পদেও রদবদল করা হয়। কলকাতা পুলিশ কমিশনার পদে নিয়ে আসা হয় সুপ্রতিম সরকারকে। এদিন দায়িত্ব নিয়েই ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সমস্ত থানা ও ট্র্যাফিক গার্ডের আধিকারিকদের বৈঠকে তিনি বলেন, সাধারণ মানুষ লালবাজারের ভবন দেখে খুশি হয় না, বরং রাস্তায় এবং থানায় পুলিশকর্মীদের কাছ থেকে যে পরিষেবা পায়, তার ভিত্তিতেই পুলিশকে বিচার করে। এই পরিষেবাই কলকাতা পুলিশের বৈশিষ্ট্য এবং এটিই অন্য রাজ্যের পুলিশ থেকে তাদের আলাদা করে তোলে। বিশেষ করে এই, বৈঠকে ট্র্যাফিক পুলিশদের রাস্তায় সাধারণ মানুষকে সক্রিয়ভাবে সাহায্য করারও নির্দেশ দেন। এর পাশাপাশি, সমস্ত থানার আধিকারিকদের নিজ নিজ এলাকায় পুলিশের উপস্থিতি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

Advertisement

বৈঠকে উপস্থিত সমস্ত থানা ও ট্র্যাফিক গার্ডের আধিকারিকদের সিপি সুপ্রতিম সরকার বলেন, ”থানায় আসা নাগরিকদের সঙ্গে শালীনতা ও সংবেদনশীলতার সঙ্গে আচরণ করা প্রয়োজন। পুলিশের উদ্দেশ্য মানুষকে সাহায্য করা, হয়রানি করা নয়।” পাশাপাশি সমস্ত আধিকারিকদের মৌলিক পুলিশিংয়ের উপর বিশেষ জোর দেওয়ার নির্দেশ দেন। বৈঠকে নয়া পুলিশ কমিশনার আরও জানান, আগামী দিনে তিনি সমস্ত বিভাগীয় কার্যালয়, থানা এবং ট্র্যাফিক গার্ড পরিদর্শন করবেন এবং ঘটনাস্থলেই বিস্তারিত নির্দেশ দেবেন।

এদিন বৈঠক শেষ করে পুলিশ ট্রেনিং স্কুল এবং আলিপুর বডিগার্ড লাইনে পরিদর্শনে যান পুলিশ কমিশনার সুপ্রতিম সরকার। পরিদর্শন করেন পুলিশ ট্রেনিং স্কুলের মহিলা পুলিশের বারাক। পাশাপাশি আলিপুর বডিগার্ড লাইনে থাকা পুলিশ কর্মীদের বারাকের অবস্থাও খতিয়ে দেখেন। বিশেষ করে বারাকের ভিতর রান্নাঘর, কর্মীদের বাথরুমও কতটা পরিষ্কার, তা নিজেই খতিয়ে দেখেন নব নিযুক্ত পুলিশ কমিশনার।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.