Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
জগদীপ ধনকড় বিশ্বভারতী

পৌষ মেলার মাঠে পাঁচিল দেওয়া নিয়ে উত্তপ্ত বিশ্বভারতী, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা রাজ্যপালের

সমস্যা সমাধানের আশ্বাস জগদীপ ধনকড়ের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৭, ২০২০, ১৯:০১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৭, ২০২০, ১৯:০১

options
link
পৌষ মেলার মাঠে পাঁচিল দেওয়া নিয়ে উত্তপ্ত বিশ্বভারতী, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা রাজ্যপালের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পৌষ মেলার মাঠে পাঁচিল দেওয়াকে কেন্দ্র করে চাপা অসন্তোষ ছিলই। সোমবার সকালে যেন ভেঙে গেল ধৈর্যের বাঁধ। জেসিবি চড়ে বোলপুরের বহু মানুষ পৌষ মেলার মাঠে পৌঁছন। পাঁচিল এবং দরজা ভেঙে দেন তাঁরা। এই ঘটনার পরই টুইটে নিজের প্রতিক্রিয়া জানালেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড় (Jagdeep Dhankhar)। বিশ্বভারতীতে ফের শান্তি ফেরানোর আশ্বাস দিলেন তিনি।

টুইটে জগদীপ ধনকড় লেখেন, “উপাচার্য জানিয়েছেন নিয়ম অমান্য করে বেশ কিছু মানুষ পৌষ মেলা প্রাঙ্গণে ঢুকে পড়ে। তাণ্ডব চালায়। শিক্ষার মন্দিরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভয়াবহ। আমি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছি।” তার কিছুক্ষণ পরেই আরেকটি টুইট করেন রাজ্যপাল। তাতে তিনি জানান, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বিশ্বভারতীয় উত্তাল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। বিশ্বভারতীতে আবার শান্তির পরিবেশ তৈরি হবে বলে আশাবাদী রাজ্যপাল।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ব্যবসায়িক শত্রুতার জের? সল্টলেকের গেস্ট হাউসে সঙ্গীর হাতেই গুলিবিদ্ধ জলন্ধরের বাসিন্দা]

পৌষ মেলার মাঠ ঘেরা নিয়ে দিনকয়েক ধরেই উত্তপ্ত শান্তিনিকেতন (Shantiniketan)। গত শনিবার পাঁচিল দেওয়ার কাজ বন্ধ করে দেয় বোলপুর ব্যবসায়ী সমিতি। এর পরেই সক্রিয় হয় বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ। সূত্রের খবর, শনিবার সন্ধেয় অধ্যাপক এবং কর্মীদের মেসেজ পাঠান রেজিস্টার। রবিবার উপাচার্যের উপস্থিতিতে বিদ্যাভবন অঙ্গন থেকে মেলার মাঠে পাঁচিল দেওয়ার জন্য জেসিবি দিয়ে গর্ত করার কাজ শুরু হয়। এই খবর পেতেই বোলপুর এবং শান্তিনিকেতনের মানুষ ভিড় জমান মেলার মাঠে। শান্তিনিকেতন বাঁচাও কমিটি এবং গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষা সমিতির পক্ষ থেকে উপাচার্যের সঙ্গে কথা বলতে যান। তবে উপাচার্য কথা বলতে অস্বীকার করেন। সোমবার সকালে স্থানীয় বাসিন্দারা জেসিবি মেশিন নিয়ে এসে ভেঙে দেয় পাঁচিল। দরজাও ভেঙে দেওয়া হয়।

[আরও পড়ুন: খানাকুলে বিজেপি কর্মী খুনের ঘটনা নিয়ে রাজ্যপাল-কৈলাস সাক্ষাৎ, আইনশৃঙ্খলা নিয়ে কথা]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.