সুব্রত বিশ্বাস: এ রাজ্যের পুরনো জুবিলি ব্রিজটির ভবিষ্যত নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছিল। সেই সমস্যার সমাধান হল। রেল হেরিটেজ মনুমেন্ট হিসাবে সংরক্ষিত করা হবে ব্রিজটিকে। মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে এই পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করল পূর্ব রেলের জেনারেল ম্যানেজার হরীন্দ্র রাও।
এদিন তিনি বলেন, দেশের প্রাচীনতম রেল ব্রিজ এটি। তাই এই ব্রিজটিকে স্মারক হিসাবে সংরক্ষিত করা হবে। সেতুটি কোনওরকম ক্ষতির মুখে যাতে না পড়ে সে জন্য সতর্ক নজর রাখবে রেল। শিক্ষার্থী থেকে গবেষক এবং আগ্রহীরা জানতে ও দেখতে পারবেন এই ব্রিজ। সেজন্য আলাদা ব্যবস্থার চিন্তাও রয়েছে রেলের ঘরে।
[মৃত্যু হলেও স্ত্রীর কাছে ফিরবেন না, তবে বৈশাখির পাশেই মেয়র]
উল্লেখ্য, ১৮৮২ সালে এই রেল ব্রিজ তৈরির কাজ শুরু হয়। ১৮৮৭ সালে ব্রিজটি তৈরির পর খুলে দেওয়া হয় জনসাধারণের জন্য। রানি ভিক্টোরিয়া শাসনের ৫০ বছরের স্মরণে এই ব্রিজের নামকরণ করা হয়েছিল জুবিলি ব্রিজ। প্রথমে পণ্য পরিবণের জন্যই ব্যবহৃত হত ব্রিজটি। পরে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল শুরু হয়। ব্যান্ডেলের দিক থেকে হুগলিঘাট ও নৈহাটির দিক থেকে গরিফার সঙ্গে গঙ্গার উপর যুক্ত হয়েছে এই ব্রিজ। ৪১৭ মিটার দীর্ঘ এই ব্রিজটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় তার পাশে দ্বিতীয় একটি ব্রিজ তৈরি করা হয়। নতুন ব্রিজটি তৈরির পর পুরনো ব্রিজটি কী করা হবে এ নিয়ে চিন্তা ভাবনা শুরু হয়েছিল। তবে শেষমেশ রেল বোর্ড ব্রিজটিকে হেরিটেজ মনুমেন্ট হিসাবে সংরক্ষণ করার সিদ্ধান্তই নিল।
[বাঁকুড়ায় পৈতার ভোজে বিষক্রিয়ায় অসুস্থ শতাধিক, বেশিরভাগই শিশু]
সর্বশেষ খবর
-
বিপদের প্রহর গুনছে পাহাড়! আগাম সতর্ক রাজ্য, তড়িঘড়ি উত্তরবঙ্গ সফরে আজ শুভেন্দু
-
‘সরকে চুনর’-এর পর ‘খেলনা বিমান’ বিতর্ক, নোরার বিরুদ্ধে তিন কোটির মানহানির মামলা
-
‘চাইনি সিনিয়ররা ডার্বি খেলুক’, বলছেন ইস্টবেঙ্গল কোচ, জয় না পেয়ে আক্ষেপ লাল-হলুদে
-
ফের দ্বারকা নদের পাড়ে সন্ধ্যারতি, কৌশিকী অমাবস্যায় কীভাবে সাজছে তারাপীঠ
-
যাদবপুর ক্যাম্পাসে ‘দেশপ্রেম’ বার্তা এসএফআইয়ের, ‘দেশদ্রোহী’ তকমার জবাবে হাতিয়ার গণসঙ্গীত