সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের চিনা মাঞ্জায় দুর্ঘটনা ঘটল মা উড়ালপুলে। গুরুতর জখম হলেন এক বাইক আরোহী। তাঁর নাকে ক্ষত তৈরি হয়েছে। ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই চাঞ্চল্য ছড়ায়। প্রচুর মানুষ জড়ো হয়ে যান ঘটনাস্থলে। পুলিশ আধিকারিকরা নিয়ন্ত্রণে আনেন পরিস্থিতি।
জানা গিয়েছে, আহত যুবকের নাম মহম্মদ জসিমউদ্দিন। উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতের (Barasat) বাসিন্দা ওই যুবক। কলকাতার একটি প্যাথলজি সেন্টারে কর্মরত তিনি। প্রতিদিনই বাইকে মা উড়ালপুল দিয়ে যাতায়াত করেন। সোমবার দুর্ঘটনার কবলে পড়েন তিনি। দ্রুত গতিতে যাওয়ার সময় মাঞ্জা সুতোয় নাক কেটে যায় তাঁর। শুরু হয় রক্তপাত। বিষয়টি নজরে পড়তেই পুলিশের তরফে তাঁর প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। ইতিমধ্যেই পুলিশ ঘুড়িটি উদ্ধার করেছে।
[আরও পড়ুন:কমিউনিটি হলে সেফ হোম! করোনা মোকাবিলায় রাজ্যের পাশে একাধিক পুজো কমিটি ]
আহত যুবক জানিয়েছেন, দিন কয়েক আগেই এক বাইক আরোহী একইভাবে দুর্ঘটনার কবলে পড়ছিলেন। জসিমউদ্দিন সুতো দেখতে পাওয়ায় কোনওক্রমে সেইযাত্রায় তাঁকে বাঁচান। কিন্তু এদিন দুর্ঘটনার কবলে পড়লেন নিজেই। তাঁর কথায়, মা উড়ালপুলে একটাই সমস্যা, সেটা মাঞ্জা সুতো।
উল্লেখ্য, চিনা মাঞ্জায় প্রায়শই দুর্ঘটনা ঘটে মা উড়ালপুলে। বহু বাইক আরোহী ধারালো সুতোয় ক্ষতবিক্ষত-রক্তাক্ত হয়েছেন। গত বছর পার্ক সার্কাসের বাসিন্দা এক ব্যক্তির মৃত্যুও হয়েছে। কিন্তু লাগাতার দুর্ঘটনাও হুঁশ ফেরাতে পারেনি আমজনতার। বিপদ এড়াতে মাঞ্জা সুতো বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞাও জারি করেছিল প্রশাসন। কিন্তু তা সত্ত্বেও কোনও লাভ হয়নি। এড়ানো যায়নি দুর্ঘটনা। সেই কারণেই দিনের নির্দিষ্ট সময়ে মা ও এজেসি বোস রোড় উড়ালপুলে যান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করার চিন্তাভাবনা শুরু করেছে কলকাতা পুলিশ। এবিষয়ে একাধিক বৈঠক হলেও এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
[আরও পড়ুন: শীতলকুচি গুলিকাণ্ডের তদন্তে এবার কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের তলব করল সিআইডি]
সর্বশেষ খবর
-
সাইয়ের ২০০ কোটির প্রকল্প আটকে দিয়েছিল তৃণমূল! মমতা-অরূপকে কাঠগড়ায় তুলে বিস্ফোরক দিন্দা
-
খালি পায়ে সাড়ে তিন হাজার সিঁড়ি বেয়ে তিরুপতিতে জাহ্নবী, কেন এই কঠিন ব্রত?
-
সই-কাণ্ডে ফিরহাদের বাড়িতে সিআইডি, মিটিংয়ে কী ঘটেছিল? জিজ্ঞাসাবাদ মেয়রকে
-
ভুল নিয়মে পরলেই ঘোর অমঙ্গল, শুক্রের কৃপা পেতে কীভাবে হিরে ধারণ করবেন?
-
হামের মারণ হানা বাংলাদেশে, গত চব্বিশ ঘণ্টায় আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, মোট মৃত ৬০৫