Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৯ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২৭ আগস্ট ২০২৬
KMC

জল অপচয় নিয়ে ক্ষুব্ধ মেয়র ফিরহাদ হাকিম, রাস্তার স্ট‌্যান্ড পোস্ট কল খুলে ফেলার সিদ্ধান্ত

শহরে দৈনিক জল অপচয়ের পরিমাণ ৩৬ কোটি লিটারের বেশি, তথ্য পুরসভার।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৫, ২০২৩, ১৩:৫৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৫, ২০২৩, ১৩:৫৬

options
link
জল অপচয় নিয়ে ক্ষুব্ধ মেয়র ফিরহাদ হাকিম, রাস্তার স্ট‌্যান্ড পোস্ট কল খুলে ফেলার সিদ্ধান্ত zoom
Advertisement

অভিরূপ দাস: ভসভস করে বেরিয়ে আসছে জল। সেদিকে কারও হুঁশ নেই। রাস্তার পানীয় জলের কলে এমন ছবি গা-সওয়া। সেদিকে তাকিয়ে রাস্তার স্ট‌্যান্ড পোস্ট কলগুলো বন্ধ করে দিচ্ছে কলকাতা পুরসভা (KMC)। রাস্তার ধারে লোহার L আকৃতির কলগুলো থেকে নাগাড়ে বেরিয়ে যায় জল। তার হিসেবও করেছে পুরসভা। এ শহরে দৈনিক জল অপচয়ের পরিমাণ ৩৬ কোটি লিটারের বেশি।

তা নিয়ে অত্যন্ত ক্ষুব্ধ মেয়র ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim)। তিনি জানিয়েছেন, শহরের স্ট‌্যান্ড পোস্ট কলগুলো বন্ধ করা হচ্ছে। কারণ কলকাতা শহরে এই মুহূর্তে যা পরিশোধিত জল তৈরি হয় তা প্রয়োজনের তুলনায় বেশি। মেয়রের দাবি, মাথাপিছু ১৮ লিটার পরিশোধিত পানীয় জল তৈরি হচ্ছে শহরে। এরপর স্ট‌্যান্ড পোস্টের আর প্রয়োজন নেই। পুরসভার হিসেব অনুযায়ী শহরে এখনও কয়েক হাজার এমন স্ট‌্যান্ড পোস্ট কল রয়েছে। এ ধরনের কলের জল (Water) দিয়ে অনেকে গাড়িও ধুচ্ছেন।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘ED ডাকবে না’! নুসরতের কোটি কোটি টাকার ফ্ল্যাট কেলেঙ্কারিতে মুখ খুললেন স্বামী যশ]

মেয়র জানিয়েছেন, শহরে ওয়াটার ট‌্যাক্স বা জলকর যেহেতু নেওয়া হয় না তাই এক শ্রেণির মানুষ এ বিষয়ে উদাসীন। বিদ্যুৎ বাঁচাতে তাঁরা আলো-পাখা বন্ধ করেন। কিন্তু জল ভরার পর রাস্তার কলটা আর বন্ধ করছেন না। শুধু তাই নয়, একাধিক এলাকায় এ ধরনের কলে স্টপকক লাগানোর পরেও অনেকে তা ব‌্যবহার করছেন না। মেয়র জানিয়েছেন, যে সমস্ত এলাকায় কলে স্টপকক ব‌্যবহার হয় না, সেখানে ফেরুলের সাইজ ছোট করে দেওয়া হবে। মেয়র জানিয়েছেন, কোথায় কোথায় স্ট‌্যান্ডপোস্ট প্রয়োজন তা শহর ঘুরে দেখবে পুরসভার কর্মীরা। যে সমস্ত এলাকায় পানীয় জল পর্যাপ্ত সেখানে স্ট‌্যান্ড পোস্ট কলের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হবে।

[আরও পড়ুন: ইলিশের স্বাদ ফেরাতে তিন মাস বন্ধ মাছ ধরা, ভাবনা রাজ্যের]

আর যেখানে এখনও স্ট‌্যান্ড পোস্ট কলের প্রয়োজন সেখানে ‘ট‌্যাপ’ লাগিয়ে দেওয়া হবে। এই ‘ট‌্যাপ’ লাগালে জলের প্রেশার সামান‌্য কম হয়। বালতি ভরতে দু’মিনিট বেশি সময় লাগে। মেয়র জানিয়েছেন, ওই দু’মিনিটের জন‌্য অনেকে ট‌্যাপ ভেঙে দিচ্ছেন। যে এলাকায় দু’বার ট‌্যাপ ভাঙা হবে সেখানে স্ট‌্যান্ড পোস্টের সংযোগ কেটে দেবে পুরসভা।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.