BREAKING NEWS

২৮ শ্রাবণ  ১৪২৭  বৃহস্পতিবার ১৩ আগস্ট ২০২০ 

Advertisement

নিউমার্কেটের পানওয়ালা রফিভক্ত, প্রিয় শিল্পীর মৃত্যুদিবসে বসালেন গান-পানের আসর

Published by: Sandipta Bhanja |    Posted: July 31, 2019 9:23 pm|    Updated: July 31, 2019 9:23 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মহম্মদ রফি, শ্রোতারা বলেন উনি একটা আবেগ। যার কণ্ঠ কর্ণগহ্বর দিয়ে মর্মে পশে তো বটেই, পাশাপাশি হৃদয়েও লাগে আবেগের ছোঁয়া। আজ ৩১ জুলাই, বুধবার মহম্মদ রফির ৩৯তম মৃত্যুদিবস। না, মৃত্যুবার্ষিকী বলেই যে তাঁকে নিয়ে পড়েছে কলমের আঁচড়, এমনটা নয়। আসলে প্রিয় শিল্পী হোক কিংবা প্রিয় মানুষ, তাঁদের নিয়ে আদিখ্যেতা করার কিংবা ভালবাসা জাহির করার একটা দিনের দরকার হয়। আর অলিখিতভাবে সেই দিনটি উদযাপন করার যাবতীয় দায় বর্তায় জন্মদিন আর মৃত্যুদিনের উপর। আর সেরকমই এক কলকাতার রফিভক্ত পানওয়ালা এই বিশেষ দিনটিকে উদযাপন করলেন একেবারে তাঁর মতো করে। তাঁর ভাষায় আদিখ্যেতা করে। রফির মৃত্যুদিবস উপলক্ষে বসালেন গান-পানের আসর।

[আরও পড়ুন: হানিমুন মুডে নবদম্পতি নুসরত-নিখিল, কোথায় বেড়াতে গেলেন সাংসদ?]

দোকানের নাম ‘তাজমহল’। বছর বাহাত্তরের এই রফিভক্তের নাম মহম্মদ মনিরুদ্দিন। দোকানের নামের পাশেই গোটা অক্ষরে লেখা দোকানের ট্যাগলাইন- ‘সুন্দর পান সুন্দর গান’। ঠোঁট রাঙানো পানপ্রেমীদের কাছে এই দোকান জনপ্রিয় তো বটেই, তার সঙ্গে অবশ্য উল্লেখ্য দোকানের আবহ। না কোনও বড় দোকান নয়, যে সেরকম পরিবেশ-আবহ থাকবে। নিউ মার্কেট চত্বরের ভিড় রাস্তায় সেই রফিভক্তর দোকান। রফিকণ্ঠে সুরেলা আবহে মাততে হলে কোনও একদিন সময় করে সোজা চলে যান ‘সুন্দর পান সুন্দর গান’-এ। চুন, সুপুরি, খয়ের, গুলকন্দ, মিঠাস, চমনবাহার দিয়ে বানানো পানের সঙ্গে পাবেন মহম্মদ রফির গানের স্বাদ। কোনওটা বরফ ঠান্ডা আবার কোনওটা বা মিঠা পাতা। প্রিয় শিল্পীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ‘অবাক গান-পান’-এর আসর বসিয়েছিলেন মনিরুদ্দিন। একটা গান, একটা পান। রফি সম্পর্কিত যাবতীয় প্রশ্নের উত্তর দিলেই ঝটপট মিলে যাচ্ছে মুখের ভিতর স্বাদকোরকদের সাম্বা নৃত্যের ইন্ধন জোগানোর পান। বুধবার সন্ধেবেলায় ঠিক এমন আয়োজনই করেছিলেন ‘তাজমহল’-এর মালিক মনিরুদ্দিন।

[আরও পড়ুন: ‘দুর্গা দুর্গেশ্বরী’র জগদম্বার সঙ্গে পরিচয় করালেন দুর্গারূপী সন্দীপ্তা]

প্রায় ৯০ বছরের পুরনো এই দোকানে হয়তো আপনার দাদু-ঠাকুরদাদেরও পান চিবোনোর স্মৃতি জড়িয়ে থাকতে পারে। তখন হয়তো মনিরুদ্দিন চাচার বাবা সামলাতেন এই দোকান। ছোট ছিমছাম দোকানের দেওয়াল ভর্তি সাজানো রয়েছে ফ্রেম করা রফির ছোট-বড় ছবি। এই দোকানে পা রেখেছেন স্বয়ং দুই রফি-কন্যাও। সকাল ১১টা থেকে রাত ১১টা পান বিকিকিনির সঙ্গে চলতে থাকে রফির গান। বিগত ৪০ বছর ধরে এটাই মনিরুদ্দিনের ‘তাজমহল’-এর রুটিন।  

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement