Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মাধ্যমিকের মেধাতালিকায় কেন পিছিয়ে কলকাতা, খতিয়ে দেখবে বিশেষজ্ঞ কমিটি

ছয় জনের মেধাতালিকায় কলকাতার প্রাপ্তি সাকুল্যে দুই।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৭, ২০১৮, ০৯:৩০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৭, ২০১৮, ০৯:৩০

options
link
মাধ্যমিকের মেধাতালিকায় কেন পিছিয়ে কলকাতা, খতিয়ে দেখবে বিশেষজ্ঞ কমিটি zoom
ছবি: প্রতীকী
Advertisement

রিংকি দাস ভট্টাচার্য: শহুরে গরিমা ফিকে হয়ে যাচ্ছে। ক্রমশ উজ্জ্বল থেকে উজ্জ্বলতর হয়ে সামনে উঠে আসছে গ্রাম-মফস্বল। মাধ্যমিকের মেধাতালিকায় কলকাতার নাম আড়ালে পড়ে যাচ্ছে বেশ ক’বছর ধরেই। মহানগর ও শহরতলির নামী বাংলা মাধ্যম স্কুলগুলিও তালিকায় সেভাবে জায়গা পায়নি। এবছরও তার অন্যথা হল না। ২০১৮-র মাধ্যমিকে ছয় জনের মেধা তালিকায় কলকাতার প্রাপ্তি সাকুল্যে দুই। আইসিএসই বা সিবিএসই-র মতো সর্বভারতীয় পরীক্ষায় যেখানে শহরের ছেলেমেয়েদের জয়জয়কার, সেখানে নিজের রাজ্যের বোর্ডের চূড়ান্ত পরীক্ষায় উলটো ছবি কেন?

[সরকারি স্কুলের শিক্ষকরা অরাজনৈতিক, মাধ্যমিকে ঈর্ষণীয় সাফল্য পড়ুয়াদের]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

মাধ্যমিকে শহরের এহেন অবনমনের জন্য অন্য বোর্ডের রমরমাকে দায়ী করেছেন শিক্ষাবিদদের একাংশ। তাঁদের বক্তব্য, কলকাতা তো বটেই, রাজ্যের শহরাঞ্চলের সিংহভাগ পড়ুয়া চলে যাচ্ছে আইসিএসই বা সিবিএসইতে। শহরের নামী বাংলা মিডিয়াম স্কুলও ভাল ছাত্রছাত্রী সেভাবে পাচ্ছে না। সরকারি স্কুলে ছাত্রভর্তির লটারি সিস্টেমের দিকেও আঙুল তুলেছেন অনেকে। প্রশ্ন উঠেছে সরকারি স্কুলে শিক্ষকদের দায়বদ্ধতা নিয়েও। কলকাতার ফল কেন এত খারাপ, বিশেষজ্ঞ কমিটি তা খতিয়ে দেখবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্যের স্কুলশিক্ষা দপ্তর।

মেধাতালিকায় নিচের দিকে থাকলেও পাসের নিরিখে তৃতীয় রয়েছে কলকাতা। কলকাতার পাসের হার ৯১.১১ শতাংশ। যদিও শুধু পাসের শতাংশে শহরের মেধাকে বিচার করতে নারাজ শিক্ষাবিদরা। কারণ, হিন্দু, হেয়ার, বালিগঞ্জ গভর্নমেন্ট, বেথুন, সল্টলেক বিডি-র মতো একসময়ের নামী সরকারি স্কুলগুলি মেধাতালিকায় জায়গা পায়নি। কিন্তু, কলকাতার ফল এত খারাপ কেন? “গত কয়েক বছর নয়, ২০ বছর ধরেই এই প্রবণতা দেখা দিয়েছে।” মন্তব্য শিক্ষাবিদ অমল মুখোপাধ্যায়ের। তাঁর কথায়, সেই সময় ইংরেজি শিক্ষাকে উপেক্ষা করায় অভিভাবকদের মধ্যে ইংরেজি এবং বেসরকারি স্কুলে পড়ানোর প্রবণতা তৈরি হয়। এরফলে অধিকাংশ ভাল ছাত্রছাত্রী চলে যায় বেসরকারি স্কুলগুলিতে। সরকারি স্কুলে থেকে যায় মধ্যমানের পড়ুয়ারা।”

হেয়ার স্কুলের প্রধান শিক্ষক সুনীলকুমার সরকার এদিন বলেন, “বেসরকারি স্কুলের রমরমার জন্য সরকারি স্কুলগুলি প্রথম শ্রেণির পড়ুয়া পাচ্ছে না।” তাঁর কথায়, একমাত্র মধ্যবিত্ত পরিবার, যারা বেসরকারি স্কুলের খরচ বহন করতে পারে না, তারাই বেছে নিচ্ছে বাংলা মাধ্যমের সরকারি স্কুল। পাশাপাশি সাউথ পয়েন্টের মতো স্কুল অন্য বোর্ডের অনুমোদন নিয়েছে। বেথুন স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা শাশ্বতী অধিকারী লটারি ব্যবস্থার দিকে আঙুল তুলেছেন। এক্ষেত্রে তাঁর যুক্তি, লটারি ব্যবস্থার উপর ভাগ্য নির্ধারণ হওয়ায় অনেক অভিভাবকই অপেক্ষা না করে বেসরকারি স্কুলে ভর্তি করে দেন। তাছাড়া রোজগেরে মা-বাবা বেসরকারি স্কুলগুলি থেকে বিশেষ সুবিধা পাওয়ায় ওই স্কুলগুলিতেই অগ্রাধিকার দিচ্ছে মনে করেন শাশ্বতীদেবী।
এবছর কলকাতার মান রেখেছে টাকি বয়েজ। প্রধান শিক্ষক পরেশকুমার মণ্ডলের কথায়, শিক্ষকরা দায়িত্ব নিয়ে পড়ালে অনেক স্কুলই ভাল ফল করতে পারবে। তাঁর কথায়, শৃঙ্খলা, ছাত্র এবং অভিভাবকদের নিয়ে নিয়মিত কাউন্সেলিং, নিয়মিত ক্লাসের জন্যই এমন নজরকাড়া ফল করেছে টাকি বয়েজ। ছাত্রদের কৃতিত্বও রয়েছে।

[অনলাইনে রেলের টিকিট যাচ্ছে দালালের হাতে, ধৃত এজেন্ট]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.