Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২ জুলাই ২০২৬
Kolkata Hospital

ব্লাড এক্সচেঞ্জ ট্রান্সফিউশনে প্রাণরক্ষা ১০ বছরের বালিকার, অসাধ্যসাধন কলকাতার হাসপাতালের

পার্ক সার্কাসের বাসিন্দা ওই বালিকা ‘ফ্যালসিফেরাম ম্যালেরিয়া’-তে আক্রান্ত হয়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২, ২০২২, ২১:০১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২, ২০২২, ২১:০১

options
link
ব্লাড এক্সচেঞ্জ ট্রান্সফিউশনে প্রাণরক্ষা ১০ বছরের বালিকার, অসাধ্যসাধন কলকাতার হাসপাতালের zoom
ছবি: প্রতীকী

স্টাফ রিপোর্টার: তুমুল জ্বরে চতুর্থ শ্রেণির পড়ুয়া বালিকা। বস্তুত,সংজ্ঞাহীন অবস্থায় কাটছিল। এমন অবস্থায় দু’টি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও, সকলেই প্রায় হাল ছেড়ে দিয়েছিলেন। শেষে ‘ব্লাড এক্সচেঞ্জ ট্রান্সফিউশন’ পদ্ধতিতে ১০ বছরের ওই বালিকার প্রাণ বাঁচালো পার্ক সার্কাসের ইনস্টিটিউট অফ চাইল্ড হেলথ।
পার্ক সার্কাসের বাসিন্দা ওই বালিকা ‘ফ্যালসিফেরাম ম্যালেরিয়া’-তে আক্রান্ত হয়। আইসিএইচ-এ ওই বালিকার চিকিৎসক প্রভাসপ্রসূণ গিরি বলেন, “মশাবাহিত এই রোগের ঠিকঠাক চিকিৎসা না হলে প্রতিটি অঙ্গপ্রত্যঙ্গ মারাত্মক রকমের ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। সাধারণ ম্যালেরিয়ার পাশাপাশি ২০-৩০ শতাংশকে এই ধরনের ম্যালেরিয়াতে আক্রান্ত হতে দেখা যায়।” সূত্রের খবর, ওই বালিকা কার্যত মৃত্যুর মুখে চলে গিয়েছিল। শুধু ওষুধ দিয়ে ফলাফল পেতে যেমন অনেক দেরি হবে তেমনই অন্য ক্ষতির সম্ভবনার দিকটা পর্যবেক্ষণ করেই চিকিৎসকরা শরীরের দূষিত রক্ত বদলানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। আর তাতেই উল্লেখযোগ্য সাড়া মিলেছে বলেই জানাচ্ছেন ওই চিকিৎসক।

[আরও পড়ুন: রাজ্যে নভেম্বর বা ডিসেম্বরে অশান্তির আশঙ্কা, মন্ত্রিসভার বৈঠকে সতর্কবার্তা মুখ্যমন্ত্রীর]

গত ১৬ অক্টোবর থেকে তীব্র জ্বরে আক্রান্ত হয় ওই বালিকা। কথাবার্তা বন্ধ হয়ে যায়। কাউকে ঠিকমতো চিনতেও পারছিল না। সকলে ডেঙ্গি সন্দেহ করে প্রথমে শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভরতি করেন। পরীক্ষায় জানা যায় বালিকা ‘ফ্যালসিফেরাম ম্যালেরিয়া’-তে আক্রান্ত। কিন্তু সেখানে পেডিয়াট্রিক আইসিইউ না থাকায় ওই বালিকাকে বাইপাসের ধারের আর একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু অবস্থার ক্রমশ অবনতি হতে থাকে। তখন ২০ অক্টোবর পরিজনরা ওই বালিকাকে নিয়ে আসেন আইসিএইচ-এ। সেখানকার চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, বালিকাটিকে যখন ভর্তি করা হয় তখন তার কোনও জ্ঞান ছিল না। প্রায় কোমাতে আচ্ছন্ন ছিল বলা চলে। দেখা যায়, তার যকৃত, ফুসফুস, কিডনি-সহ বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিকল হওয়ার মুখে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সমস্ত দিক বিশ্লেষণ করে শেষে চিকিৎসকেরা, ‘ব্লাড এক্সচেঞ্জ ট্রান্সফিউশন’ পদ্ধতি প্রয়োগের সিদ্ধান্ত নেন। তাঁরা জানাচ্ছেন, ওই বালিকার রক্তে পরজীবীর মাত্রা অনেক বেড়ে গিয়েছিল। হাসপাতালের এক শিশু চিকিৎসকের কথায়, ওই বালিকার ধমনি থেকে একটি চ্যানেলের মাধ্যমে দূষিত রক্ত বের করা হয়। আর ‘সেন্ট্রাল লাইন’ চ্যানেল দিয়ে পরিস্রুত রক্ত প্রবেশ করানো হয়। প্রায় চার ঘণ্টা ধরে সাড়ে সাতশো মিলিলিটার রক্ত বের করা ও প্রবেশ করার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, এই পদ্ধতিতে চিকিৎসার পরে ওই বালিকাকে ম্যালেরিয়ার ওষুধও দেওয়া হয়েছিল। তাতেই এখন সে মশাবাহিত ওই রোগ থেকে পুরোপুরি মুক্ত। মঙ্গলবার তাকে বাড়ি ছাড়া হয়েছে।

[আরও পড়ুন: চুরিতে বাধা দেওয়ায় বাড়িতে ঢুকে বৃদ্ধাকে ‘ধর্ষণ’, খাস কলকাতায় চরম আতঙ্ক]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.